বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে বতুতাহ, সুপরিচিত ইবনে বতুতা (১৩০৪–১৩৬৮/১৩৬৯) ছিলেন একজন বারবার ভ্রমণকারী ও পণ্ডিত। তাঁকে তাঁর সময়ের অন্যতম সর্বাধিক সফরকারী হিসেবে ধরা হয়। মার্কো পোলোর কয়েক দশক আগে তিনি আরও দূরদেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তাঁর সফর ইসলামী স্বর্ণযুগের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতিফলন।

বুঝুন

[সম্পাদনা]

ইবনে বতুতা জন্মেছিলেন এক আইনজ্ঞ পরিবারে এবং ছোটবেলা থেকেই ইসলামি আইনশাস্ত্রে শিক্ষালাভ করেছিলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি তাঞ্জিয়ের থেকে হজের উদ্দেশ্যে মক্কার পথে যাত্রা করেন। সেই যাত্রাই তাঁকে দীর্ঘ ভ্রমণজীবনে প্রবেশ করায়। এরপর প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি ভ্রমণ অব্যাহত রাখেন—প্রধানত ইসলামী বিশ্ব, ভারত ও চীনে

তাঁর ভ্রমণকাহিনী সংকলিত হয়েছে আর-রিহলা নামে। আরবি রিহলা শব্দের অর্থ ভ্রমণকাহিনী। তবে ইতিহাসবিদদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে—তিনি সত্যিই সর্বত্র ভ্রমণ করেছিলেন, নাকি কিছু অংশ অন্যদের বর্ণনা থেকে গ্রহণ করেছেন, কিংবা ঘটনাক্রমে পরিবর্তন এসেছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলে একটি অনলাইন সংকলন প্রকাশ করেছে, যা এই বিবরণের মূল উৎস।

গন্তব্যসমূহ

[সম্পাদনা]

উত্তর আফ্রিকা

[সম্পাদনা]

কায়রো থেকে মক্কা

[সম্পাদনা]

তিনি গাজা, হেব্রন, জেরুজালেমদামেস্ক হয়ে মদিনা যান। অবশেষে মক্কায় পৌঁছে প্রায় এক বছর ধর্মশাস্ত্র অধ্যয়নে কাটান।

মেসোপটেমিয়া ও পারস্য

[সম্পাদনা]

পূর্ব আফ্রিকা

[সম্পাদনা]

আনাতোলিয়া (তুরস্ক)

[সম্পাদনা]

মঙ্গোল শাসিত অঞ্চল

[সম্পাদনা]

মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা

[সম্পাদনা]
  • মালে — কিছু সময় প্রধান বিচারক ছিলেন।
  • আদমস পিক (শ্রীলঙ্কা) — বহুধর্মীয় তীর্থস্থান।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

[সম্পাদনা]

ফেরার পথে

[সম্পাদনা]

আইবেরিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকা

[সম্পাদনা]

আর-রিহলা

[সম্পাদনা]

পশ্চিম আফ্রিকার ভ্রমণ শেষে তিনি তাঞ্জিয়েরে স্থায়ীভাবে ফিরে আসেন। জীবনের বাকিটা সময় তিনি বিচারক হিসেবে কাজ করেন এবং তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী আর-রিহলা রচনা করেন। এটি ইসলামী বিশ্বে সমাদৃত হলেও ইউরোপে পরিচিতি পায় উনিশ শতকে।

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন

This TYPE ইবনে বতুতার পথে has রূপরেখা অবস্থা TEXT1 TEXT2

{{#assessment:প্রসঙ্গ|রূপরেখা}}