কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকতের অপার সৌন্দর্য
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত হল বাংলাদেশের কক্সবাজার শহরে অবস্থিত বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার। পাহাড়, সমুদ্র এবং বালির এই অনন্য সমন্বয় এটিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে।
বুঝুন
[সম্পাদনা]ইতিহাস
[সম্পাদনা]কক্সবাজারের নামকরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্যাপ্টেন হিরাম কক্সের নামানুসারে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে তিনি এ অঞ্চলের একজন ব্রিটিশ প্রশাসক ছিলেন। তবে এর প্রাচীন নাম ছিল পালংকি।
ভূগোল
[সম্পাদনা]এই সৈকতটি একটি নাতিদীর্ঘ ঢালু বালুকাময় এলাকা নিয়ে গঠিত, যার পেছনে রয়েছে সবুজ পাহাড়। জোয়ার-ভাটার প্রভাব এখানে তুলনামূলকভাবে কম।
যাওয়া
[সম্পাদনা]বিমানে
[সম্পাদনা]কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের বিভিন্ন শহরের সাথে কানেকটেড। ঢাকা থেকে সরাসরি নিয়মিত ফ্লাইট রয়েছে। বিমানবন্দর থেকে শহর বা সৈকত এলাকায় ট্যাক্সি বা অটোরিকশা নেওয়া যায়।
সড়কপথে
[সম্পাদনা]ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে বাস সার্ভিস আছে। ঢাকা থেকে যাত্রার সময় ৮-১০ ঘন্টা। চট্টগ্রাম থেকে ৪-৫ ঘন্টা।
দেখুন
[সম্পাদনা]- সমুদ্র সৈকত: দীর্ঘ বালুকাবেলা, সূর্যোদয়
- হিমছড়ি: কক্সবাজার থেকে ১২ কিলোমিটার দক্ষিণে একটি সুন্দর জায়গা যেখানে জলপ্রপাত এবং পাহাড় রয়েছে।
- ইনানী বীচ: কক্সবাজার থেকে ৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে, কোরাল ।
- সেন্ট মার্টিন্ দ্বীপ: একটি দর্শনীয় কোরাল দীপ , কক্সবাজার থেকে স্পীডবোট বা জাহাজে যাওয়া যায় ।
- 'বৌদ্ধ বিহার
করা
[সম্পাদনা]- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা: সমুদ্রে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য চমৎকার।
- ঘোড়ায় চড়া: দ্বীপ-এ ঘোড়ায় চড়া
- বোট রাইড: বঙ্গোপসাগরে স্পীডবোট ভ্রমন করতে পারেন।
- স্থানীয় বাজার-এ হাঁটা,কেনা কাটা করতে পারেন।
কেনা
[সম্পাদনা]- স্থানীয় হস্তশিল্প:
- সুভেনির:
- শুকনো খাবার
খাওয়া
[সম্পাদনা]সামুদ্রিক খাবার এখানকার প্রধান আকর্ষণ।
সমুদ্রের তাজা মাছ , কাঁকরা ইত্যাদি।
জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট
[সম্পাদনা]- জামালের রেস্টুরেন্ট: -এর জন্য বিখ্যাত।
- মুন লাইট রেস্টুরেন্ট:
- প্রিন্স হোটেল: পরিবেশন করে।
রাত্রিযাপন
[সম্পাদনা]কক্সবাজারে যেকোনো হোটেল বা আবাসিক হোটেল এ থাকতে পারেন যেমন-
- লং বিচ হোটেল:
- সী প্যালেস রিসোর্ট:
- হোটেল শৈবাল:
এপ্রিল ২০২৪ অবস্থা
[সম্পাদনা]আমি ২০২৪-এর ১-৪ এপ্রিল পর্যন্ত কক্সবাজারে ছিলাম ।
হিমছড়ি জলপ্রপাতের পথটি সম্পূর্ণ খোলা ছিল।
ইনানী বিচে জনসমাগম খুব বেশি ছিল।
সেন্ট মার্টিনের নৌকার ভাড়া ছিল ১০০০ টাকা।
==নিরাপদ থাকুন
- সমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় , ঘোরাঘরি এর সময়