বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে
ফ্লিক্সবাস

ইউরোপের অধিকাংশ দেশে দীর্ঘ দূরত্বের বাস চলাচল ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আন্তঃনগর বাস ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত জার্মানিতে কার্যত ছিল না। এরপর দ্রুত পরিবর্তন আসে। এখন আন্তঃনগর বাস জার্মানির বহু শহর ও কিছু আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাওয়ার অপেক্ষাকৃত সস্তা উপায়ে পরিণত হয়েছে।

দীর্ঘ দূরত্বের বাসসেবা রেলপথের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করত। এসব ১৯৩৪ সাল থেকে জার্মানিতে নিষিদ্ধ ছিল যতক্ষণ না ২০১৩ সালে বাজার উন্মুক্ত করা হয়। প্রধান ব্যতিক্রম ছিল বার্লিন ও বার্লিনের উদ্দেশ্যে চলাচলকারী বাস ও আন্তর্জাতিক লাইনে যেখানে জার্মানিতে কম সংখ্যক বিরতি থাকত, মূলত মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দিকে।

মূল্য সাধারণত রেল ভ্রমণের তুলনায় কম। কারণ তীব্র প্রতিযোগিতা এবং বাসের জন্য রাস্তা ব্যবহারের কোনো ফি দিতে হয় না অথচ ট্রেন (রাষ্ট্রায়ত্ত ডয়েচে বান পরিচালিত হলেও) লাইন ব্যবহারের জন্য অর্থ দিতে হয়।

বাস সংযোগটি সরাসরি নেই জন্য আঞ্চলিক ট্রেনের চেয়েও ধীর। এর তিনটি প্রধান কারণ রয়েছে:

  • জার্মান ফেডারেল আইনে বাসের সর্বোচ্চ গতিসীমা ১০০ কিমি/ঘ (৬২ মা/ঘ)। যেখানে "ধীরগতির" ট্রেন ১৬০ কিমি/ঘ (৯৯ মা/ঘ) পর্যন্ত যেতে পারে এবং প্রায়ই কাত হওয়া প্রযুক্তি ও আধুনিক রেললাইনের কারণে তা অর্জন করে। উচ্চ গতির ট্রেন (যা জার্মানির প্রায় সব দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেন) সাধারণত ২৫০ থেকে ৩০০ কিমি/ঘণ্টা বেগে চলে এবং দীর্ঘ পথে খুব কমই ২০০ কিমি/ঘণ্টার নিচে নামে।
  • বাসকে শহরে ঢুকতে এবং বের হতে প্রায়ই যানজট থাকে। অন্যদিকে ট্রেন কোন ধীর ছাড়া নিজস্ব লাইনে দ্রুত চলে যায়।
  • আইনে চালকদের নিয়মিত বিরতি নিতে হয় (প্রতি চার ঘণ্টা ত্রিশ মিনিটের জন্য সাধারণত ৩০ মিনিট)। তাই যদি বাস দেরি করে (যেমন যানজটের কারণে) তখন চালক আইনত বাধ্য হতে পারেন একটি (অনিয়োজিত) বিরতি নিতে।

বাস পরিবর্তনের মাধ্যমে সংযোগ পাওয়া সম্ভব হলেও বেশিরভাগ কোম্পানি তা নিশ্চয়তা দেয় না। ছুটির সময় এবং সপ্তাহান্তে যানজটজনিত বিলম্ব বিশেষভাবে সাধারণ।

যেমন অনেক অবকাঠামোর ক্ষেত্রে,জার্মানির পশ্চিম অংশে বাস সেবা পূর্বের তুলনায় ভালো কোম্পানিগুলো মূলত বার্লিন এবং বাল্টিক সাগরের উপকূল এলাকাগুলোর দিকে মনোনিবেশ করে আর মাঝারি শহরগুলোতে সংযোগ খুব কম বা নেই। অন্যদিকে বার্লিন – ড্রেসডেন রুট বাজারের অন্যতম সেরা সেবা প্রাপ্ত রুট। যেখানে প্রবল প্রতিযোগিতার কারণে দাম কমেছে৷ কারণ এটি বার্লিন – প্রাগ রুটের অংশ, যা আন্তর্জাতিক অপারেটরদের জন্য মূল বাজার।

বাস কোম্পানিগুলো (মূলত ফ্লিক্সবাস) নিজেদের মধ্যে নয় বরং ট্রেন ও ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে।

বাসের ভিতরে

[সম্পাদনা]

সাধারণভাবে বাসগুলো যথেষ্ট নতুন ও নিরাপদ। তবে লম্বা মানুষদের জন্য বসার জায়গা প্রায়ই অস্বস্তিকর। বেশিরভাগ কোম্পানি বাসে খাবার ও পানীয় বিক্রি করে (বা থামে এমন জায়গায় যেখানে কেনা যায়)। তবে সীমিত হওয়ায় নিজের খাবার নিয়ে যাওয়াই ভালো। যদিও প্রায়শই ওয়াইফাই দেওয়ার প্রতিশ্রুতি থাকলেও সব বাসে তা থাকে না। ইন্টারনেট সাধারণ মোবাইল সিগনালের মাধ্যমে দেওয়া হয়। তাই বিশেষত পূর্ণ বাসে গতি ও সংযোগ সীমিত হতে পারে।

সাইকেল বহন

[সম্পাদনা]

বেশিরভাগ কোম্পানি ফি নিয়ে সাইকেল পরিবহন করে।তবে সাধারণত প্রতি বাসে তিন-চারটির বেশি নেওয়া হয় না। বাসে ভাঁজ করা সাইকেল বা ব্যাগে সাইকেল নিয়ে স্বাভাবিক লাগেজ হিসেবে ঘোষণা করা ট্রেনের তুলনায় কম কার্যকর। কারণ বাস ও লাগেজ রাখার জায়গা সীমিত এবং অতিরিক্ত লাগেজে অবশ্যই বাড়তি ফি দিতে হয়। অনেক সময় আন্তঃনগর বা আঞ্চলিক ট্রেনে নেওয়া সস্তা ও আরামদায়ক হতে পারে (অধিকাংশ উচ্চ গতির ট্রেন সাইকেল নেয় না, কেবল লাগেজ হিসেবে নিলে নেয়)।

মূল্য

[সম্পাদনা]
ড্রেসডেন-এ ফ্লিক্সবাস টিকেট অফিস

জার্মানির দীর্ঘ দূরত্বের ট্রেন ও বিমানের মতো বাসের টিকিট অনলাইনে কিনলে সবচেয়ে সস্তা হয়। কিছু কোম্পানি নিজস্ব টিকেট অফিস চালায় (কখনো সংবাদপত্রের দোকান ইত্যাদির মধ্যে)। তবে এগুলো সাধারণত প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানির টিকিট বিক্রি করে না। ফলে অনলাইনের তুলনায় দাম বেশি পড়তে পারে।

চালকের কাছ থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যায়। তবে বিজ্ঞাপিত সর্বনিম্ন ভাড়ার তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি দিতে হতে পারে। এছাড়া সব আসন ভর্তি থাকলে দাঁড়িয়ে যাত্রা করা আইনত নিষিদ্ধ।

অনেক কোম্পানি ভ্রমণ এজেন্টের মাধ্যমেও টিকিট বিক্রি করে৷ তবে বিক্রেতার ফি বা ব্যক্তিগত সেবার কারণে দাম বেশি হয়।

ট্রেনের মতো নিয়মিত ভ্রমণকারীদের জন্য কোনো ছাড় নেই। বিমানের মতোও সংযোগযুক্ত টিকিট কখনোই আলাদা আলাদা অংশের তুলনায় সস্তা হয় না।

২০১৮ সালে ফ্লিক্সবাস প্রায় ৯০% দেশীয় বাজার দখল করে। দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে। প্রতিযোগিতা বেশি থাকা রুটে এখনও কিছু সস্তা টিকিট পাওয়া যায়। তবুও একই দিনে কেনা টিকিটে, ট্রেনের ছাড় না থাকলে বাস সাধারণত সস্তা হয়। ২০১৯ সালে ব্লাব্লাবাস সস্তা দামে ফ্লিক্সবাসের একচেটিয়াত্ব ভাঙতে আসে এবং পিঙ্কবাস নির্দিষ্ট ভাড়ার ব্যবস্থা চালু করে।

ডয়েচে বান বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে বিশেষ অফার চালু করেছে। কিছু টিকেট সংকলনকারী ওয়েবসাইটেও ডয়েচে বানকে দেখানো হয় ফলে কেনার আগে যাচাই করা ভালো। অনেক ওয়েবসাইট বানকার্ড ছাড় গণনা করে না। ডিবির ওয়েবসাইটে "শুধু স্থানীয় পরিবহন" অপশন চালু করলেও তা ধীর কিন্তু সস্তা আঞ্চলিক ট্রেনগুলোতে দেখা যায়। যা অনেক সময় বাস ওয়েবসাইটে খুঁজে পাওয়া সহজ।

বাতিলকরণ

[সম্পাদনা]

সাধারণভাবে, বাস ছাড়ার আগে বাতিলকরণ সহজে সম্ভব।

কোম্পানিসমূহ

[সম্পাদনা]

উদারীকরণের কারণে বাজারে যে পরিবর্তন এসেছিল তা প্রথমে দেশীয় বাজারকে প্রভাবিত করেছিল। তবে পরে কিছু পুরনো আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে বাজার থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছিল।

প্রধানত দেশীয়

[সম্পাদনা]

২০১৬ সালের শেষ দিকে ফ্লিক্সবাস যখন প্রায় সব দেশীয় প্রতিযোগিতাকে অধিগ্রহণ করে নেয় তখন দেশীয় পরিষেবার বাজার ব্যাপকভাবে একীভূত হয়। পাশাপাশি অন্য কিছু প্রতিষ্ঠানও বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ভাড়া ধীরে ধীরে বাড়লেও তা তুলনামূলকভাবে ট্রেন ও বিমানের চেয়ে কম। বাসগুলো এখনও সড়ক টোল দেয় না। তবে কিছু শহর বাসস্টেশন সুবিধা ব্যবহারের জন্য ফি নিতে শুরু করেছে। অতীতে কিছু কোম্পানি শুধুমাত্র এমন স্টেশন ব্যবহার করত যেখানে কোনো ফি ছিল না বা কম ছিল। ফ্লিক্সবাসের একচেটিয়া আধিপত্য ২০১৯ সালে ব্লাব্লাবাস দ্বারা গুরুত্বের সাথে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। তবে ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারী আবারও বাজারকে ওলট-পালট করে দেয়।

  • ফ্লিক্সবাস জার্মানিতে সবচেয়ে বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। এর বাসগুলো সাধারণত সবুজ রঙের হয়। কোম্পানির পার্শ্ববর্তী ইউরোপীয় দেশগুলোতেও রুট রয়েছে, যা লন্ডন পর্যন্ত সংযোগ যুক্ত। নিয়ন্ত্রক জটিলতার কারণে ফ্লিক্সবাসের নিজস্ব মালিকানাধীন বাস একটি। প্রায় সব পরিষেবাই সাবকন্ট্রাক্টরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর মানে হলো আপনি যে বাস পাবেন তা পুরনো, ওয়াই-ফাই বা বৈদ্যুতিক সকেট নাই কিংবা অন্য সমস্যা থাকতে পারে। ফ্লিক্সবাস যে বিনোদন পোর্টাল চালু করছে তা অনবোর্ড ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে অ্যাক্সেসযোগ্য। তবে বর্তমানে এটি "শুধু কিছু নির্বাচিত বাসে" পাওয়া যাবে। "ফ্লিক্সবাস ইন্টারফ্লিক্স"[অকার্যকর বহিঃসংযোগ] – একটি টিকিট, যা ইন্টাররেল পাসের মতো। ৩ মাসের মধ্যে ৫টি একমুখী যাত্রার জন্য বৈধ এবং খরচ €৯৯। ফ্লিক্সবাস কিছু বাসস্টেশনকে বিভ্রান্তিকর নাম দেওয়ার জন্যও পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, তারা তাদের কর্নভেস্টহাইম স্টপকে "স্টুটগার্ট" বলে ডাকে, যেন এটি আসল স্টুটগার্টের কাছাকাছি। ফ্লিক্সবাস €১.৫০ থেকে আসন সংরক্ষণের সুযোগ দেয়। তবে "প্রিমিয়াম" আসনের জন্য বেশি দাম নেওয়া হয় – যেমন দুইতলা বাসের উপরের ডেকের প্রথম সারি বা টেবিলসহ আসন।
  • ব্লাব্লাকার বাস রাইডশেয়ার কোম্পানি ব্লাব্লাকার-এর মালিকানাধীন ও কো-ব্র্যান্ডেড, যা ২০১৯ সালে চালু হয় এবং ফ্লিক্সবাসের কার্যত একচেটিয়া বাজার ভাঙার প্রথম চেষ্টা। ফ্লিক্সবাসের মতো, ব্লাব্লাকার বাসও নিজস্ব বাসের মালিক নয়। এরাও পরিষেবা সাবকন্ট্রাক্টরদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। একটি বিশেষ সুবিধা হলো: আপনি একটি টিকিট কিনতে পারেন যাতে বাস ভাড়া এবং আপনার চূড়ান্ত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একটি রাইডশেয়ার যাত্রা অন্তর্ভুক্ত থাকে।

প্রধানত আন্তর্জাতিক

[সম্পাদনা]
  • রেজিওজেট (কখনও ছাত্র সংস্থা নামেও পরিচিত) একটি চেক কোম্পানি। যার ইউরোপ এবং কিছু জার্মান দেশীয় রুটও রয়েছে। যদিও তারা জার্মানির অনেক স্থানে সেবা দেয় না। তবে তাদের দাম ও পরিষেবা (বিনামূল্যে গরম পানীয়, প্রতিটি আসনে ভিডিও স্ক্রিন) রুটগুলোতে ভ্রমণের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলে। তারা শুধুমাত্র চেক প্রজাতন্ত্রের ভেতরেই ওয়াই-ফাই প্রদান করে।
  • সিন্দবাদ একটি পোলিশ কোম্পানি। যা জার্মানি এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশে কয়েকটি গন্তব্যে সেবা প্রদান করে। তারা জার্মানির পূর্ব অংশে মাত্র কয়েকটি স্টপে সেবা দিলেও পশ্চিম অংশে অনেক বেশি সেবা দেয়।
  • ইকোলিন মূলত জার্মানি এবং মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সেবা প্রদান করে।

স্টেশনসমূহ

[সম্পাদনা]
মিউনিখের বাসস্টেশন ("জোব")

বেশিরভাগ বাস নির্দিষ্ট বাসস্টেশন থেকে চলাচল করে না। এর পরিবর্তে এগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় (ট্রেন) স্টেশনের কাছাকাছি থামে। কিছু শহরে কেন্দ্রীয় বাসস্টেশন থাকে, যাকে জোব (জেন্ট্রালার অমনিবাস বাহনহফ) বলা হয়। এগুলোর প্রায়শই শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত। আপনি বাসস্টপ না জানলে আপনার টিকিট চেক করুন। সাধারণত সেখানে ঠিকানা ও একটি ছোট মানচিত্র দেওয়া থাকে।

কিছু কোম্পানি একটি শহরের একাধিক স্টেশনে সেবা দেয়। বিশেষত যদি শহরটি খুব বড় (যেমন বার্লিন) একাধিক প্রধান রেলস্টেশন (যেমন ড্রেসডেন) অথবা একটি বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থাকে (যেমন ফ্রাঙ্কফুর্ট)। নিশ্চিত হোন যে আপনি সঠিক স্টেশনে গিয়েছেন কিনা। সংযোগ সেবার ক্ষেত্রে চেক করুন আপনার যাত্রা শেষ প্রান্তে থেকেই পরবর্তীতে কোন বাস ছাড়বে কিনা। তা না হলে তবে পরবর্তী স্টেশনে কীভাবে এবং কত সময় লাগবে তা আগে জেনে নিন। লাইট রেল, সাবওয়ে বা ট্রাম ছাড়া অন্য পরিবহন ব্যবহার করলে যানজটের কথা মাথায় রেখে অতিরিক্ত সময় পরিকল্পনা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

অনেক শহরেই বাস ভ্রমণ স্থায়ী হওয়া স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার পর বাসস্টেশন নির্মাণের কথা আলোচনা হয়েছিল। তবে খরচের কারণে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তেমন কিছু নির্মিত হয়নি। বাসস্টেশনগুলোতে সাধারণত কেনাকাটার খুব বেশি সুযোগ থাকে না আর থাকলেও সেগুলোর দাম গ্যাস স্টেশনের সুবিধাজনক দোকানের মতোই অতিরিক্ত। কিছু বাসস্টেশন স্থানান্তরিত হয়েছে বাস অপারেটর ও শহর কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্বের কারণে। যা প্রায়শই যানজটের ফলাফল ছিল। আবার,কিছু স্টেশন শহরের কেন্দ্রের চেয়ে বিমানবন্দরের কাছাকাছি অবস্থিত। তাই আপনার বাস কোথায় থামে তা ভালোভাবে যাচাই করুন। শহরের কেন্দ্রে পৌঁছাতে হলে অন্য পরিবহন ব্যবহার করতে হতে পারে। যা দীর্ঘ (এবং কখনও কখনও ব্যয়বহুল) যাত্রা হতে পারে।

আরও দেখো

[সম্পাদনা]

ফ্রান্সে আন্তঃনগর বাস – জার্মান মডেলের ওপর ভিত্তি করে এবং কিছু কোম্পানি উভয় বাজারেই সক্রিয়।

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন

This TYPE জার্মানিতে আন্তঃনগর বাস has ব্যবহারযোগ্য অবস্থা TEXT1 TEXT2

{{#assessment:প্রসঙ্গ|ব্যবহারযোগ্য}}