বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

জেমস জয়েসের ডাবলিন

আইরিশ লেখক জেমস জয়েস তার অধিকাংশ রচনা করেছিলেন ডাবলিন শহরকে কেন্দ্র করে। তার আধুনিকতাবাদী লেখার ধাঁচের কারণে ঘটনাস্থলের সূক্ষ্ম বর্ণনা পাওয়া যায়। পাঠকরা প্রায়ই তার চরিত্রদের মানচিত্রে অনুসরণ করতে পারেন। পাশাপাশি তারা বিশ শতকের শুরুর দিকের সেই ডাবলিনের স্থানগুলো খুঁজে বের করতে পারেন, যা আজও টিকে আছে।

জানুন

[সম্পাদনা]

সম্ভবত জয়েসের সবচেয়ে বিখ্যাত রচনা ছিল ইউলিসিস। ডাবলিন শহরের এক দিনের ঘটনাবলি যা ১৬ জুন ১৯০৪ সালকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। পরবর্তীতে সেই দিনটি পরিচিত হয় ব্লুমসডে নামে। সেটা বইয়ের এক চরিত্রের নাম অনুসারে। প্রতি বছর এই দিনে জয়েস ভক্তরা ডাবলিনের (এবং অন্যান্য স্থানেও) বিভিন্ন জায়গায় একত্রিত হয়ে বইয়ের ঘটনাগুলো ও জয়েসের সাহিত্যকীর্তি উদযাপন করেন। ধারণা করা হয়, জয়েস সেই তারিখটি বেছে নিয়েছিলেন কারণ সেই দিনই ছিল তার হবু স্ত্রী এবং প্রেরণা নোরা বার্নাকলের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের দিন।

যদিও জয়েস পরে ডাবলিন ত্যাগ করে ইউরোপের অন্যান্য প্রধান শহরে বসবাস করেছিলেন এবং পরবর্তীতে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে সমাহিত হন। তবুও তিনি ডাবলিনকে কেন্দ্র করেই রচনা চালিয়ে যান। তার একটি ছোটগল্প সংকলনের নামও ছিল ডাবলিনার্স

দেখুন

[সম্পাদনা]
মানচিত্র
জেমস জয়েসের ডাবলিনের মানচিত্র
  • 1 জেমস জয়েসের জন্মস্থান, ৪১ ব্রাইটন স্কোয়ার, রাথগার
  • 2 জেমস জয়েসের মূর্তি, ২ নর্থ আর্ল স্ট্রিট
  • 3 সেন্ট স্টিফেন’স গ্রিন শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি জনসাধারণের উদ্যান। যেখানে জয়েসের একটি আবক্ষ ভাস্কর্য তার পুরনো বিশ্ববিদ্যালয় নিউম্যান হাউসের দিকে মুখ করে আছে। উইকিপিডিয়ায় St Stephen's Green (Q1432605)
  • 4 জেমস জয়েস টাওয়ার ও জাদুঘর, স্যান্ডিকোভ পয়েন্ট, ডান লিয়ারি, A96 FX33 সকাল ১০টা–সন্ধ্যা ৬টা (শীতে সকাল ১০টা–বিকেল ৪টা) ১৯০৪ সালে জয়েস এই টাওয়ারে ছয় রাত কাটিয়েছিলেন। ইউলিসিস উপন্যাসের সূচনাংশ এখানেই ঘটেছে। এখানে একটি জাদুঘর রয়েছে। এই জাদুঘরে তার ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র এবং বই-সংক্রান্ত নিদর্শন প্রদর্শন করে (যেমন ‘‘প্লামট্রিস পটেড মিটের’’ খালি কৌটা)। বাসস্থানটি ১৯০৪ সালের মতো করে সাজানো হয়েছে। ১৯৬২ সালের ১৬ জুন এটি জাদুঘর হিসেবে খোলা হয়। ব্লুমসডেতে জয়েস ভক্তদের জন্য এটি একটি তীর্থস্থান। উইকিপিডিয়ায় James Joyce Tower and Museum (Q2062702)
  • 1 ক্লনগোজ উড কলেজ, রিচার্ডস্টাউন, কাউন্টি কিলডেয়ার, ৮৮৬৮+৯J (৩৮ কিমি পশ্চিমে)। জয়েস এই রাজকীয় ছেলেদের আবাসিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। যা ১৮১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস অ্যা পোর্ট্রেট অব দ্য আর্টিস্ট অ্যাজ আ ইয়াং ম্যানে এই বিদ্যালয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উইকিপিডিয়ায় Clongowes Wood College (Q2294995)
  • 2 আন্না লিভিয়া ভাস্কর্য (জাকুজির ফ্লুজি)। ১৯৮৮ সালে নির্মিত ভাস্কর্যটি ২০০১ সালে স্থানান্তরিত হয়। যা ফিনেগানস ওয়েকের আন্না লিভিয়া প্লুরাবেলকে স্বীকৃতি জানায়। একটি ছোট পুকুরের উপর বসানো ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য। উইকিপিডিয়ায় Anna Livia (monument) (Q4767232)
  • 3 জেমস জয়েস সেতু ২০০৩ সালে নির্মিত এই সেতুটি লিফি নদীর উপর অবস্থিত। ‘‘দ্য ডেড’’ গল্পটি ১৫ আসারস আইল্যান্ডে ঘটেছে, যা এই সেতুর সামনে অবস্থিত। উইকিপিডিয়ায় James Joyce Bridge (Q945154)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]
This TYPE জেমস জয়েসের ডাবলিন has রূপরেখা অবস্থা TEXT1 TEXT2

{{#assessment:প্রসঙ্গ|রূপরেখা}}

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন