এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > বরিশাল বিভাগ > পিরোজপুর জেলা > পিরোজপুর সদর উপজেলা

পিরোজপুর সদর উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


পিরোজপুর সদর উপজেলা বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ১৬৪.৬৪ বর্গ কিমি আয়তনের এই উপজেলাটি ২২°২৯´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২২°৪১´ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৯°৫৩´ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৯০°০২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত, যার উত্তরে নাজিরপুরনেছারাবাদ উপজেলা; দক্ষিণে ইন্দুরকানিভান্ডারিয়া উপজেলা; পূর্বে নেছারাবাদ, কাউখালীভান্ডারিয়া উপজেলা এবং পশ্চিমে মোড়েলগঞ্জকচুয়া উপজেলা

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে পিরোজপুর সদরের দূরত্ব সড়ক পথে ১৮৫ কিলোমিটার ও জলপথে ২৫৯ কিলোমিটার আর বিভাগীয় শহর বরিশাল থেকে ৫০ কিলোমিটার। এই জেলাটি একটি উপকূলী ও নদীবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানকার যেকোনো স্থানে আসার জন্য নৌপথ সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিবহণ ব্যবস্থা। তবে, সড়ক পথেও এখানে আসা সম্ভব; সেক্ষেত্রে ফেরী পারাপার হতে হবে। পিরোজপুরে রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়কপথে ঢাকা থেকে পিরোজপুর যাওয়ার পথে মাঝপথে বৃহত্তর পদ্মা নদীর অবস্থান হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে সরাসরি পিরোজপুরের কোনো বাস যোগাযোগ নেই। ফেরি পারাপার সার্ভিসের পাশাপাশি লঞ্চ বা স্পিডবোটের মাধ্যমে নদী পারাপারের মাধ্যমে পিরোজপুর যাওয়া যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ ও গাবতলী উভয় বাস টার্মিনাল থেকেই ঢাকা-পিরোজপুর রুটের ফেরি পারাপার গাড়ি রয়েছে। সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর যাতায়াত করে। আর গাবতলী থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো পাটুরিয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে পিরোজপুর রুটে চলাচল করে।

  • ঢাকা-মংলা জাতীয় মহাসড়ক পথে মাওয়া (মুন্সিগঞ্জ) ফেরী পার হয়ে শিবচর (মাদারীপুর) হয়ে গোপালগঞ্জ থেকে খুলনা বরিশাল মহাসড়ক পথে বাগেরহাট হয়ে (প্রায় ২০ কিঃমিঃ) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ।
  • খুলনা থেকে খুলনা বরিশাল মহাসড়ক পথে বাগেরহাট হয়ে (প্রায় ২০ কিঃমিঃ) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ।
  • বরিশাল থেকে খুলনা বরিশাল মহাসড়ক পথে ঝালকাঠী হয়ে (প্রায় ৩০ কিঃমিঃ) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদ।

জল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন একাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যায়। সড়কপথের তুলনায় নদীপথে লঞ্চে যাতায়াত আরামদায়ক। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ টা থেকে শুরু করে রাত ৮:৩০ টা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। পরদিন সকাল ৮:০০ টা থেকে ১০:০০ টার মধ্যে লঞ্চগুলো পিরোজপুর গিয়ে পৌছায়। পিরোজপুর হুলারহাট নামক ঘাটে নেমে ঘাট থেকে রিক্সা (ভাড়া ৩০-৫০ টাকা), ভ্যান (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) ও টেম্পুযোগে (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) পিরোজপুর শহরে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন লঞ্চের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ-র রকেটও ঢাকা-পিরোজপুর রুটে চলাচল করে। লঞ্চের তুলনায় রকেটে যাতায়াত কিছুটা আরামদায়ক। সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত সপ্তাহের ৫ দিন রকেট চলাচল করে। রকেটগুলো প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:৩০টায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে গিয়ে পরদিন সকাল ৮:০০টা থেকে ১০:০০টার মধ্যে পিরোজপুরের হুলারহাট ঘাটে গিয়ে পৌছায়।

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. রায়েরকাঠি জমিদার বাড়ি ও কালীমন্দির। ;
  2. মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ - বলেশ্বরী খেয়াঘাট;
  3. পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় (১৯০৯);
  4. কদমতলা জর্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯১২);
  5. কবি আহসান হাবিব এর বাড়ী;
  6. আজিম ফরাজীর মাজার।

খাওয়া - দাওয়া[সম্পাদনা]

থাকা ও রাত্রী যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

  • জুজখোলা রেস্ট হাউজ - মল্লিক বাজার, সদর।
  • দৃর্গাপুর রেষ্ট হাউজ - দুর্গাপুর, সদর।

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

  • ওসি, পিরোজপুর সদরঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৬।