
পুরাতন গোয়া পানাজি শহরের পূর্বদিকে ৯ কিলোমিটার দূরে, গোয়া রাজ্যে, ভারত দেশে অবস্থিত।
জানুন
[সম্পাদনা]পুরাতন গোয়া ছিল আগেকার ঔপনিবেশিক রাজধানী। ইতিহাসে ভরপুর এই জায়গায় বেশ কিছু সুন্দর গির্জা আর আশ্রম রয়েছে, যেগুলো ভালোভাবে সংরক্ষিত এবং ঘুরে দেখার মতো। জায়গাটিকে ঠিকভাবে জানতে আর উপভোগ করতে হলে অন্তত অর্ধেক দিন সময় হাতে রাখা দরকার। এই স্থানটির দেখভাল করছে ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ দপ্তর, আর এটি ইউনেস্কোর স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান।
প্রবেশ
[সম্পাদনা]গোয়া রাজ্যের রাজধানী পানাজি এখান থেকে মাত্র ৯ কিলোমিটার দূরে। তাই পানাজি থেকে পুরাতন গোয়া পর্যন্ত বাসে আসা খুব সহজ। ব্যক্তিগত গাড়িও চলে, তবে গোয়ায় ট্যাক্সি সাধারণত ভাড়া বেশি নেয়।
ঘুরে দেখুন
[সম্পাদনা]এই জায়গায় হেঁটেই ঘোরা সবচেয়ে ভালো, কারণ এখানে ইতিহাসের অনেক কিছুই চোখে পড়বে আর বোঝা যাবে। স্থানীয় পথপ্রদর্শক পাওয়া যায়, যাদের মধ্যে কিছুজনকে গোয়া পর্যটন দপ্তর অনুমোদন করেছে।
দেখুন
[সম্পাদনা]

- 2 বম যিশুর গির্জা। এখানেই সেন্ট ফ্রান্সিস জেভিয়ারের সমাধি রয়েছে।
- 3 সেন্ট কাজেতান গির্জা।
- 4 সেন্ট ক্যাথরিন চ্যাপেল।
- 5 সেন্ট ফ্রান্সিস গির্জা ও আশ্রম।
- 6 লেডি অফ রোজারি গির্জা।
- 7 সেন্ট অগাস্টিন গির্জা।
- 8 খ্রিস্টান শিল্পকলা জাদুঘর।
- 9 পিলার সেমিনারি জাদুঘর।
- 10 সে ক্যাথেড্রাল গির্জা।
- শব্দ ও আলো গ্যালারি জাদুঘর। এখানে খ্রিস্টধর্মভিত্তিক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়। শিল্পসম্মতভাবে সাজানো।
কি করবেন
[সম্পাদনা]পুরাতন গোয়ার বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশে হেঁটে সময় কাটান এবং দেখুন কীভাবে এই জায়গা বিশ্ব ইতিহাসের অংশ হয়েছে আর শতাব্দী আগে নানা সংস্কৃতির মিলনস্থল হিসেবে দাঁড়িয়েছিল।
কেনাকাটা
[সম্পাদনা]এখানে কিছু উপহার সামগ্রী আর ছোটখাটো জিনিসের দোকান আছে, তবে কাছাকাছি পানাজিতে আরও ভালো পছন্দের সুযোগ মিলবে। খ্রিস্টান শিল্পকলা জাদুঘরের দোকানটিতে ঘুরে আসতে পারেন, যা সান্তা মনিকা আশ্রমের পাশে অবস্থিত। জায়গাটি দেখার মতো, আর দামও যথেষ্ট সাশ্রয়ী।
আহার
[সম্পাদনা]পুরাতন গোয়ায় খাবার ও পানীয়ের বিকল্প খুব বেশি নেই। এলাকায় কয়েকটি রেস্তোরাঁ আছে, আর যে বড় রাস্তা এখানে দিয়ে গেছে, তার ধারে আরও কিছু রেস্তোরাঁও পাওয়া যায়।
পানীয়
[সম্পাদনা]উপরের অংশে যা বলা হয়েছে, তাই প্রযোজ্য।
রাত্রিযাপন
[সম্পাদনা]পুরাতন গোয়ায় খুব বেশি থাকার ব্যবস্থা নেই। তাই পানাজি বা গোয়ার অন্য কোনো জায়গায় থাকা ভালো হতে পারে, কারণ এই ছোট এলাকায় ভ্রমণ সহজ—even যদিও পর্যটনের কারণে কিছু জায়গায় ট্রাফিক জ্যাম বাড়ছে।
- 1 পুরাতন গোয়া হোটেল, ☏ +৯১ ৮৩২ ২২৮ ৫৩২৭।
- 2 শুভঙ্কর হেরিটেজ হোটেল, ☏ +৯১ ৮৩২ ২২৮ ৪৬১৯। রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত একটি সাশ্রয়ী হোটেল।
- 3 ফার্ন কাদম্ব , ☏ +৯১ ৮৩২ ২৪৪ ২২১১। কাছাকাছি একমাত্র উচ্চমানের হোটেল।
- 4 ডাবলট্রি হোটেল - পানাজি , মন্দোভি নদী, কাদম্বা প্ল্যাটু, বাইপাস রোড, ☏ +৯১-৮৩২-৬৭১৯২৩৪। ৫-তারকা হোটেল, বিশ্রাম ও আরামকেন্দ্র, ব্যায়ামকক্ষ, দুটি রেস্তোরাঁ এবং আরামদায়ক বসার জায়গা।
পরবর্তী যাত্রা
[সম্পাদনা]সাধারণত বাসে যাত্রা করা হয়। কাছাকাছি কনকন রেলওয়ের একটি স্টেশন রয়েছে, যা কারমালি গ্রাম নামে পরিচিত।
{{#assessment:শহর|রূপরেখা}}
