বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে
এই পাতাটি অপসারণের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। অপসারণ নীতিমালাটি পড়ে, উইকিভ্রমণ:অপসারণ ভোটাভুটি পাতায় আপনার মতামত দিন। আলোচনাটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত দয়া করে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না। আপনি যদি এই নিবন্ধের লেখক হন তবে মনে রাখবেন, এই মনোনয়নটি আপনার কাজের সমালোচনা নয়, বরং এটি আপনার নিবন্ধের শিরোনাম বা বিষয় উইকিভ্রমণের নিবন্ধের মানদণ্ড পূরণ করতে পারে কিনা তার একটি বিজ্ঞপ্তি।

বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়, কলকাতা হল শহরের এক অবশ্য গন্তব্য শিল্প ও কারিগরি প্রদর্শশালা। যেখানে ভ্রমণ করলে প্রত্যেক মানুষের বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কাছে বিজ্ঞান সম্পর্কে জানার নতুন নতুন জানালা খুলে যাবে। এই সংগ্রহালয় হল ভারতের প্রথম বিজ্ঞান শিক্ষালাভের কেন্দ্র যেখানে নানারকম মডেলের সাহায্যে বিজ্ঞানের নানা দিক উন্মোচিত হয়।

সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত: এই সংগ্রহালয়ের ভূসম্পত্তি ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে মির্জা আবদুল করিমের ছিল। পরবর্তীতে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার এটি ক্রয় করে। রবীন্দ্রনাথের চতুর্থ সন্তান মীরা দেবী শৈশবে এখানে থাকতেন। এরপর ঠাকুর পরিবারের উত্তরসূরি সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছ থেকে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রখ্যাত শিল্পপতি ঘনশ্যামদাস বিড়লা এই সম্পত্তি কিনে নেন। সেই সময় এই জায়গাটা 'বিড়লা পার্ক' নামে পরিচিত ছিল। ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায় জার্মানি ভ্রমণকালে মিউনিখের ডয়েটস মিউজিয়াম দেখে আসার পর এদেশে প্রথম বিজ্ঞান জাদুঘর তৈরির প্রয়োজন অনুভূত হয়। ফলস্বরূপ ভারত সরকারের বিজ্ঞান মন্ত্রণালয়ের অধীনে 'বৈজ্ঞানিক তথা ঔদ্যোগিক অনুসন্ধান পরিষদ' একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এবং ঠিক সেই সময়েই স্বনামধন্য শিল্পপতি ঘনশ্যামদাস বিড়লা তাঁর বিড়লা পার্ক জাতির উদ্দেশ্যে দান করেন। তাঁর নামানুসারেই এই জাদুঘরের নাম হয় 'বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়'।

যাতায়াত

[সম্পাদনা]

নিকটতম রেলস্টেশন

[সম্পাদনা]
  • শিয়ালদহ জংশন এবং হাওড়া জংশন।
  • শিয়ালদহ থেকে ৪৫ ও ২৪০ নম্বর বাস।
  • হাওড়া থেকে ৪১ নম্বর বাস, ১১০ নম্বর মিনিবাস, হাওড়া-কসবা রথতলা মিনিবাস।
  • হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশন থেকে পাতাল রেলে এসপ্ল্যানেড যাওয়া যায়। এসপ্ল্যানেড থেকে ২১৮ নম্বর বাস, হাওড়া-কসবা রথতলা মিনিবাস, ১১০ নম্বর মিনিবাস।

নিকটতম বিমানবন্দর

[সম্পাদনা]
  • নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট
  • বিমানবন্দর থেকে এয়ারপোর্ট-গড়িয়া মিনিবাস, ৪৫ নম্বর বাস।

থাকা-খাওয়া

[সম্পাদনা]
  • অ্যাভিনিউ হোটেলস (থ্রি-স্টার/১,৫৪৪ টাকা)
  • হোটেল নেস্ট ইন্টারন্যাশনাল (টু-স্টার/১,০৩৮ টাকা)
  • দিশারি (৩,০২৪ টাকা)

জরুরি জ্ঞাতব্য বিষয়সমূহ

[সম্পাদনা]

ঠিকানা: ১৯এ, গুরুসদয় রোড, কলকাতা-৭০০ ০১৯

ফোন: +৯১ ৯৪৭৭৩৪৫২৯১, +৯১ ৯৪৭৭৩৪৫২৯২

ই-মেইল: director@bitm.gov.in

ওয়েবসাইট: www.bitm.gov.in

সময়: সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০ পর্যন্ত খোলা থাকে। শনিবার ও রবিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

ভিতরে খাওয়া-দাওয়া: বিআইটিএম-এর ক্যান্টিনে বিভিন্ন ধরনের খাবার পাওয়া যায়।

প্রবেশ মূল্য

[সম্পাদনা]
  • ব্যক্তিগত - ৫০ টাকা
  • ২৫ বা তার বেশি দল - ৪০ টাকা
  • সংগঠিত স্কুল দল - ২০ টাকা
  • সরকারি/পৌর স্কুল দল - ১০ টাকা

থ্রিডি শো

[সম্পাদনা]
  • ব্যক্তিগত - ৩০ টাকা
  • ২৫ বা তার বেশি দল - ২৫ টাকা
  • সংগঠিত স্কুল দল - ২০ টাকা
  • সরকারি/পৌর স্কুল দল - ১৫ টাকা

তারামণ্ডল

[সম্পাদনা]
  • ব্যক্তিগত - ১০ টাকা
  • ২৫ বা তার বেশি দল - ১০ টাকা
  • সংগঠিত স্কুল দল - ১০ টাকা
  • সরকারি/পৌর স্কুল দল - ১০ টাকা

কয়লা খনি

[সম্পাদনা]
  • ব্যক্তিগত - ১৫ টাকা
  • ২৫ বা তার বেশি দল - ১০ টাকা
  • সংগঠিত স্কুল দল - ৫ টাকা
  • সরকারি/পৌর স্কুল দল - ৫ টাকা

বিজ্ঞান প্রদর্শনী

[সম্পাদনা]
  • ব্যক্তিগত - ১০ টাকা
  • ২৫ বা তার বেশি দল - ১০ টাকা
  • সংগঠিত স্কুল দল - ১০ টাকা
  • সরকারি/পৌর স্কুল দল - ৫ টাকা

পার্কিং ফি

[সম্পাদনা]
  • চার চাকা গাড়ির জন্য - ৪০ টাকা
  • দু-চাকা গাড়ির জন্য - ২০ টাকা
  • স্কুল বাসের জন্য কোনো পার্কিং ফি নেই

চিত্রমালা

[সম্পাদনা]
বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়ের ম্যাথ গ্যালারি
বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়ের শিশু গ্যালারি
বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়ের উদ্বোধনী ফলক
বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়ের কৃত্রিম কয়লা খনি
মহাকাশে প্রথম নারী ভ্যালেন্তিনা নিকোলায়েভা তেরেশকোভার উড়ানের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বিড়লা শিল্প ও কারিগরি সংগ্রহালয়ের প্রদর্শনী
বিআইটিএম কমিউনিকেশন গ্যালারিতে টেলিপ্রিন্টার