বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

বিদার (কন্নড়: ಬೀದರ, উর্দু: بیدار) ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একটি পুরাতন শহর। একসময় বাহামনী এবং বারিদ শাহী সাম্রাজ্যের দুর্গ ছিল। বিদারে এখনও একটি বিশাল দুর্গের ধ্বংসাবশেষ এবং কয়েকটি সমাধি কমপ্লেক্স রয়েছে। যা ২০১৪ সালে ইউনেস্কো হেরিটেজ এই দূর্গটিকে অন্তর্ভুক্ত করায় বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বকৃীতি পেয়েছে।

জানুন

[সম্পাদনা]
বিদার ফোর্ট

কীভাবে যাবেন

[সম্পাদনা]
মানচিত্র
বিদারের মানচিত্র

বিমান পথ

[সম্পাদনা]
  • 1 বিদার বিমানবন্দর (IXX  আইএটিএ)। (Q619672)

রেলওয়ে পথ

[সম্পাদনা]
  • 2 বিদার রেলওয়ে স্টেশন (Q17018298)
  • 3 বিদার সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড বিদার থেকে হায়দ্রাবাদ (১৬৩ কিমি) খুব সহজেই পৌঁছানো যায়।

দর্শনীয় স্থানসমূহ

[সম্পাদনা]
বারিদ শাহী সমাধি
বিদার মাহমুদ গাওয়ান মাদ্রাসা
বিদার ফোর্টের প্রধান প্রবেশদ্বার

বিদারের দর্শনীয় স্থানগুলি দেখার জন্য হাঁটাপথ এবং অটোর সাহায্যে সবচেয়ে ভালোভাবে অন্বেষণ করা যায়। এখানে প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলি হল: গুরু নানক ঝিরা গুরুদুয়ারা, যেখানে গুরু নানককের পায়ের আঙুল দিয়ে একটি পাথর স্পর্শ করে পানীয় জলের ঝর্ণা তৈরি করেছিলেন। আরেকটি সুপরিচিত স্থান হল হযরত শামসুদ্দিন কাদরী মাজার যা মুলতানি বাদশা নামে পরিচিত। আরেকটি সুপরিচিত দর্শনীয় স্থান হল চৌখান্ডি। জনপ্রিয় বারিদ শাহী সমাধি এবং স্বাধীনতার আগে ব্রিটিশদের দ্বারা তৈরি একটি কারাগার। নরসিংহ জর্না (ভগবান নরসিংহ মন্দির), পাপনাশ (শিব মন্দির), বিদারের বিদার দুর্গ, মহঃমদ গাওয়ানের মাদ্রাসা (বিশ্ববিদ্যালয়), বিদারের চৌবারা (ওয়াচ টাওয়ার), স্থানীয় ইসলামী সাধকদের বেশ কয়েকটি দরগা (সমাধি), বাসভেশ্বর মন্দির, বারিদ শাহী বাগান, মেহমুদ গাওয়ানের সমাধি, কল্যাণী শরিফ, দ্বাদশ শতাব্দীর গুহা, কল্যাণ শরিফ, কল্যাণ দুর্গ, কল্যাণ শরিফ, পুরাতন শহরে বারিদ শিল্প সামগ্রী।

  • 1 বিদার দুর্গ ১৪২৭ সালে নির্মিত যখন "বাহমানি রাজবংশের" সুলতান আল্লা-উদ্দিন বাহমান তার রাজধানী গুলবার্গা থেকে বিদারে স্থানান্তরিত করেন। দুর্গের ভিতরে ৩০টিরও বেশি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। দুর্গটি ভারতের বৃহত্তম এবং শক্তিশালী দুর্গগুলির মধ্যে একটি ছিল। এটি ১৫ শতকে নির্মিত হয়েছিল। (Q3814353)
  • 2 মাহমুদ গাওয়ান মাদ্রাসা ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দের দিকে "বাহমানি সাম্রাজ্য" কর্তৃক নির্মিত একটি প্রাচীন "মাদ্রাসা" (ইসলামিক কলেজ)। এটি মাহমুদ গাওয়ানের পাণ্ডিত্যপূর্ণ প্রতিভার সাক্ষ্য বহন করে, যিনি প্রথম ইরানের গিলান থেকে একজন পারস্য ব্যবসায়ী হিসেবে দিল্লিতে এসেছিলেন এবং ১৪৫৩ সালে বিদারে চলে আসেন। মাদ্রাসাটি ইন্দো-ইসলামিক স্থাপত্যের একটি প্রধান উদাহরণ এবং ভারত সরকার এটিকে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করেছে। (Q19893532)
  • 3 বারিদ শাহী সমাধি (Q66363295)
    • 4 কাশিম বারিদ সমাধি
    • 5 কাশিম বারিদ-II সমাধি
    • 6 আমীর বারিদ সমাধি (অসমাপ্ত)
    • 7 চন্দ সুলতান সমাধি
  • 8 বারিদ শাহী পার্ক
    • 9 আলী বারিদ সমাধি
    • 10 ইব্রাহিম বারিদ সমাধি
  • 11 বাহামনি সমাধি (Q85744926)
    • 12 আহমেদ শাহ আল ওয়ালি সমাধি
    • 13 আলাউদ্দিন শাহ -II সমাধি
    • 14 হুমায়ুন জালিম শাহের সমাধি
    • 15 নিজাম শাহের সমাধি
    • 16 তৃতীয় মুহাম্মদ শাহের সমাধি
    • 17 দ্বিতীয় মাহমুদ শাহ বাহমানীর সমাধি
    • 18 ওয়ালিউল্লাহ শাহ বাহমানীর সমাধি
    • 19 কালিমুল্লাহ শাহ বাহমানীর সমাধি
    • 20 দ্বিতীয় আহমেদ শাহ বাহমানীর সমাধি
    • 21 মালিকা ই জাহান বিদা সমাধি
    • 22 অজ্ঞাত সমাধি
    • 23 এক অজ্ঞাত রানীর সমাধি
  • 24 দরগাহ হযরত খলিল উল্লাহ কিরমানী
  • 25 চৌবারা (ঘড়ি টাওয়ার)। (Q97097598)
  • 26 পাপনাশ মন্দির (ಪಾಪನಾಶ ಮಹಾದೇವ್ ಗುಡಿ)। বিশ্বাস করা হয় যে, রাবণকে পরাজিত করার পর লঙ্কা থেকে অযোধ্যা যাওয়ার পথে ভগবান শ্রীরাম এই স্থানটি পরিদর্শন করেছিলেন এবং এর ফলেই এই মন্দিরটি নির্মিত হয়, শিবভক্ত রাবণকে হত্যা করার পর শ্রীরাম পাপ থেকে মুক্তি পায়।
  • 27 নরসিংহ ঝর্ণা এই মন্দিরটি কার্যত একটি গুহার ভেতরের জলাশয়ের মধ্যে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের অন্যতম অনন্য মন্দির। গুহার ভেতরের জল তীর্থযাত্রীদের মূর্তির কাছে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। (Q61064206)
  • 28 গুরুদুয়ারা নানক ঝিরা সাহেব এটি একটি শিখ ঐতিহাসিক তীর্থস্থান। এটি সমগ্র ভারতের শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে দক্ষিণ ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহাসিক গুরুদুয়ারা।
  • মানিক প্রভু মন্দির বিদার শহর থেকে ৫৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মানিক প্রভু মন্দিরটি একটি অনন্য স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন এবং একটি প্রধান আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র। মানিক প্রভু মন্দিরটি সাধু শ্রী সদগুরু মানিক প্রভু মহারাজের সঞ্জীবনী সমাধির উপর নির্মিত এবং তাঁর আধ্যাত্মিক মর্যাদা ও পবিত্র উপস্থিতি এখনও তাঁর ষষ্ঠ উত্তরাধিকারী শ্রী সদগুরু জ্ঞানরাজ মানিক প্রভু মহারাজ এই মন্দিরের প্রশাসন দ্বারা পরিচালিত হয়। এই মন্দিরটি হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের ভক্তদের আকর্ষণ করে। গত ১৪০ বছর ধরে বেশ কয়েকটি সামাজিক ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে।
  • প্রবেশদ্বার: দুর্গটিতে একাধিক প্রবেশদ্বার রয়েছে।
    • 29 দুলহান দরওয়াজা
    • 30 ফতেহ দরওয়াজা
    • 31 চন্দা শাহ কামান
    • 32 শাহ গঞ্জ দরওয়াজা

খাবার

[সম্পাদনা]

ঘানদা উন্ডে একটি বিদারি মিষ্টি, আখের রস, গুড়, চীনাবাদাম, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম ইত্যাদি দিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর লাড্ডু তৈরি করা হয়।