বিষয়বস্তুতে চলুন

2277
উইকিভ্রমণ থেকে

এই পৃষ্ঠায় ভারতের শত শত (না হলে হাজারেরও বেশি) দুর্গ ও প্রাসাদের একটি ছোট নমুনা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।তবে এটি কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকা নয় – এখানে কেবলমাত্র কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দুর্গ ও প্রাসাদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বৈচিত্র্যময় এই নমুনাগুলো ভারতের সমৃদ্ধ ও দীর্ঘ ইতিহাসেকে প্রতিনিধিত্ব করে। হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য শক্তিশালী ফটকসহ এই নকশা গুলো তৈরি হয়েছিল অত্যন্ত পুরু পাথর বা ইটের দেয়াল দিয়ে। অন্যগুলো ছিল আরও সূক্ষ্ম নকশায় নির্মিত। আর পরবর্তী আধুনিক দুর্গগুলোতে স্পষ্টভাবে ইউরোপীয় ধাঁচের প্রভাব দেখা যায়। দুর্গকে কেন্দ্র করেই প্রাচীন নগরী ও শহরগুলো বিকশিত লাভ করে।

কিছু প্রাসাদ দুর্গ হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। আবার অনেক প্রাসাদ (এবং ধর্মীয় মন্দির) দুর্গের দেয়ালের ভেতরে তৈরি হয়েছিল। কিছু প্রাসাদ আজও টিকে আছে কেবলমাত্র ঐতিহ্যবাহী হোটেল হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ার কারণে। এসব স্থানে সাধারণত জাদুঘর থাকে বা কাছাকাছি পাওয়া যায়।

এই চিহ্নযুক্ত এন্ট্রিগুলো বোঝায় যে সাইটটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

মানচিত্র
ভারতের দুর্গ ও প্রাসাদের মানচিত্র

ভারতের দুর্গসমূহ

[সম্পাদনা]
আগ্রা দুর্গ
আম্বর দুর্গ
ভাটিন্ডা দুর্গ
বীদর দুর্গ
গাগরোন দুর্গ
জয়সালমের দুর্গ
বীকানের দুর্গ
লক্ষ্মণগড় দুর্গ
মদান মহল দুর্গ, জবলপুর
মান্ডাওয়া দুর্গ
মুরুদ-জঞ্জিরা দুর্গ
নাহারগড় দুর্গ
পুরানা কিলা
লাল কিলা
শ্রীরঙ্গপট্টনম দুর্গ

বিহার

[সম্পাদনা]
  • 1 রোহতাসগড় দুর্গ, সাসারাম, বিহার এর কাছে সাসারাম এর কাছে কৈমূর পাহাড়ের উপর এই বিশাল দুর্গটি অবস্থিত। এর নাম এসেছে রাজা হরিশচন্দ্রের পুত্র পৌরাণিক চরিত্র রোহিতেশ্বর থেকে। শের শাহ এই দুর্গ দখল করার পর এর গুরুত্ব বাড়ে। পরে আকবরের সেনাপতি রাজা মান সিং এখানে অনেক স্থাপনা নির্মাণ করেন। বর্তমানে দুর্গটি ধ্বংসাবশেষে পরিণত হলেও এটি বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে। (Q11946159)
  • 2 শেরগড় দুর্গ, সাসারাম, বিহার এর কাছে (Q99558289)

দিল্লি

[সম্পাদনা]
  • 3 লাল কেল্লা, দিল্লি এটি সম্রাট শাহজাহান কর্তৃক নির্মিত লাল বেলেপাথরের দুর্গ ও শাহী প্রাসাদ। তিনি তাজমহল নির্মাণের জন্যও বিখ্যাত। (Q45957)
  • 4 পুরানা কিলা, দিল্লি সম্রাট হুমায়ুন ও আফগান শাসক শের শাহ সূরির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রাচীন দুর্গ। হুমায়ুন এখানে বহু পরিবর্তন করেছিলেন। পরে এটি গ্রাম ও স্মৃতিস্তম্ভে পরিণত হয়। (Q1151529)
  • 5 তুঘলকাবাদ দুর্গ, দিল্লি গিয়াসউদ্দিন তুঘলক কর্তৃক নির্মিত দিল্লির তৃতীয় নগরী। সুফি সাধক হযরত নিজামুদ্দিনের অভিশাপের কারণে এটি পরিত্যক্ত হয়। বর্তমানে এখানে কেবল ভগ্নাবশেষ টিকে আছে — বিশাল প্রাচীর, বেষ্টনী, সুড়ঙ্গপথ ও পাথরের কুয়ো। দুর্গটি তিন ভাগে বিভক্ত ছিল—রাজপ্রাসাদ, বসবাসের স্থান ও মূল দুর্গ। পশ্চিমে রাজপ্রাসাদে একটি বড় বাওলা (সিঁড়িঘাট কুয়ো) রয়েছে। উত্তরে আবাসিক অংশ ধ্বংসপ্রায় ও বেশিরভাগই অপ্রবেশযোগ্য। প্রধান আকর্ষন হলো উঁচু প্রাচীর ও টাওয়ারঘেরা দুর্গ। এখানে একটি ছোট মসজিদ ও দরবার হলও রয়েছে। আজ দুর্গের অধিকাংশ অংশ কাঁটাঝোপে ঢাকা। ফলে প্রহরীরা দর্শনার্থীদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যায়। (Q2511605)
  • 6 আদিলাবাদ দুর্গ, দিল্লি দিল্লির মহরৌলি-বদরপুর সড়কের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। এটি মুহাম্মদ বিন তুঘলক নির্মাণ করেছিলেন। আকারে ছোট এই দুর্গটি তুঘলকাবাদের অনুকরণে তৈরি। বর্তমানে কেবল প্রাচীর ও টাওয়ারগুলো অবশিষ্ট আছে। ভেতরের অংশ বাগান ও হাঁটার পথ দিয়ে সাজানো হয়েছে। (Q41651989)
  • 7 নাই কা কোট, দিল্লি “নাই” অর্থ নাপিত। এই দুর্গটি এক রাজকীয় নাপিতকে উৎসর্গ করা হয়েছিল। তবে তার পরিচয় জানা যায় না। দুর্গটি আদিলাবাদ দুর্গের পূর্বদিকে অবস্থিত। বর্তমানে সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত এই দুর্গটি স্থানীয় লোকেরা উন্মুক্ত শৌচাগার হিসেবে ব্যবহার করে।
  • 8 ফিরোজ শাহ কোটলা, দিল্লি দিল্লির পঞ্চম নগরী। ফিরোজ শাহ তুঘলক কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশে অবস্থিত। এখানে অশোক স্তম্ভ, ধাপ কুয়ো, জামি মসজিদসহ বহু স্থাপনা রয়েছে। স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানে “জ্বিন” বাস করে। এখানে প্রতি বৃহস্পতিবার মানুষ আশীর্বাদের জন্য আসে। (Q1187568)

গোয়া

[সম্পাদনা]
  • 9 আগুয়াদা দুর্গ, বারদেজ তালুকা, গোয়া পর্তুগিজরা ডাচ ও মারাঠাদের আক্রমণ ঠেকানোর জন্য এটি নির্মাণ করেছিল। এটি মন্ডোভী নদীর তীরে অবস্থিত এক গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় দুর্গ। (Q4991900)

হিমাচল প্রদেশ

[সম্পাদনা]
  • 10 কাংড়া নাগরকোট দুর্গ (কাংড়া দুর্গ), কাংড়া রাজপুত রাজবংশ কর্তৃক নির্মিত এই দুর্গটি হিমালয়ের বৃহত্তম দুর্গ। এটি অত্যন্ত মনোরম স্থানে অবস্থিত। (Q6362859)

জম্মু ও কাশ্মীর

[সম্পাদনা]
  • 11 হরিপর্বত দুর্গ (শ্রীনগর এর কাছে)। হরিপর্বত হলো শ্রীনগর শহরের দাল হ্রদের কাছে শরিকা পাহাড়ের উপর অবস্থিত এক মুঘল দুর্গ। (Q104643303)
  • 12 বাহু দুর্গ, জম্মু তাওয়ী নদীর তীরে পাথরের উপর নির্মিত। দুর্গটির চারপাশে “বাগ-এ-বাহু” নামে পরিচিত উদ্যান রয়েছে। (Q4492015)

কর্ণাটক

[সম্পাদনা]
  • 13 বীদর দুর্গ, বীদর দাক্ষিণাত্যের মালভূমিতে অবস্থিত এই দুর্গটি বহু বছর অবহেলায় থেকেও আজও দৃঢ়ভাবে টিকে আছে। (Q3814353)
ফতেপুর সিক্রি দুর্গ
  • 14 শ্রীরঙ্গপট্টনম দুর্গ, শ্রীরঙ্গপট্টনম শ্রীরঙ্গপট্টনমে অবস্থিত এই দুর্গটি ঐতিহাসিক রাজধানী। টিপু সুলতানের সময়ে এটি বহিঃশত্রুর বিরুদ্ধে প্রধান প্রতিরক্ষা কেন্দ্র ছিল। (Q24032111)
  • 15 গুলবর্গা দুর্গ (Q5617266)

মধ্য প্রদেশ

[সম্পাদনা]

1 মাদন মহল দুর্গ, জবলপুর জবলপুর এর এই ছোট দুর্গে রয়েছে আস্তাবল, কুয়ো, কক্ষ ও প্রাচীর। এর কাছে অবস্থিত প্রাকৃতিক বিস্ময় “ব্যালান্সিং রক”।

মহারাষ্ট্র

[সম্পাদনা]
  • 18 বিসাপুর দুর্গ (বিসাপুর গ্রাম সংলগ্ন)। বিসাপুর দুর্গের ইতিহাস লোহগড় দুর্গের ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বিসাপুর দুর্গে আজ তেমন কিছু অবশিষ্ট নেই। তবে লোহগড় দুর্গ এখনো অটল দাঁড়িয়ে আছে। (Q14238582)
  • 19 সিন্ধুদুর্গ দুর্গ, মালভান সিন্ধুদুর্গ দুর্গ (সমুদ্র দুর্গ) সমুদ্রের মাঝখানে এক দ্বীপের উপর শিবাজি মহারাজ নির্মাণ করেছিলেন। (Q13413791)
  • 20 শনিবার ওয়াড়া দুর্গ, পুনে এই প্রাসাদ-দুর্গ পেশোয়ারা নির্মাণ করেছিলেন। এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাসাদের ভিতরের অংশ ধ্বংস হয়ে গেলেও বাইরের প্রাচীর এখনো অক্ষত। পিতলের দরজা এবং পদ্মাকৃতির পুকুর আজও দেখা যায়। দুর্গটি পুনের সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত। (Q1351060)
  • 21 লোহগড় দুর্গ, মহারাষ্ট্র (পুনে শহর থেকে ৩৪ কিমি দূরে লোনাভালা পাহাড়ি অঞ্চলে)। মহারাষ্ট্রের বহু পাহাড়ি দুর্গের একটি। লোহগড় দুর্গ বর্তমানে সংরক্ষিত প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিস্তম্ভ। (Q6667935)
  • 22 দৌলতাবাদ দুর্গ, ঔরঙ্গাবাদ দৌলতাবাদ দুর্গ (১২শ শতাব্দী) একটি পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত হয়েছিল। দুর্গের শক্ত প্রাচীর ও প্রাকার এখনো অটল। কাছেই বাদুড়ের গুহা রয়েছে। (Q88667786)
  • 23 মুরুদ-জঞ্জিরা দুর্গ, মুরুদ মুরুদ গ্রামের উপকূলে একটি দ্বীপের উপর অবস্থিত হয়েছে এই দুর্গ। এটি মহারাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত সমুদ্র দুর্গ। (Q301996)
  • 24 পানহালা দুর্গ, কোলহাপুর পানহালা দুর্গ দাক্ষিণাত্যের দুর্গগুলির মধ্যে বৃহত্তম। এখানে অবস্থিত অম্বাবাই মন্দিরে শিবাজি অভিযানের আগে আশীর্বাদ নিয়েছিলেন। (Q7131008)
  • 25 ডোংরি দুর্গ, মুম্বাই বসাই খাঁড়ির মুখে অবস্থিত একটি দুর্গ। এখন ভগ্নাবশেষ ছাড়া তেমন কিছু নেই। দুর্গের একটি অংশ শিশু পার্কে রূপান্তরিত হয়েছে। (Q5296013)
  • 26 বাসাই দুর্গ, মুম্বাইয়ের উত্তরাংশে পর্তুগিজরা এই দুর্গটি নির্মাণ করে। পরে এটি মারাঠাদের হাতে গেলে ইংরেজদের দখলে চলে আসে। বিশাল প্রাচীর, বুরুজ ও প্রহরী টাওয়ার এখনো দাঁড়িয়ে আছে। ভেতরের প্রার্থনালয়ও অক্ষত। আজও বলিউডের শুটিংয়ে এটি ব্যবহৃত হয়। (Q3230299)
  • 27 ঘোড়াবন্দর দুর্গ, মুম্বাই বসাই খাঁড়ির দক্ষিণে অবস্থিত এই দুর্গটি ১৬শ শতকে পর্তুগিজরা নির্মাণ করেছিল। এখানে আরবদের সঙ্গে ঘোড়া বাণিজ্য হতো। পরবর্তীতে ইংরেজরা দুর্গটি দখল করে নেয়। আজ দুর্গ ধ্বংসপ্রায় হলেও কিছু স্থাপনা এখনো টিকে আছে। (Q2724028)
  • 28 মাধ দুর্গ, মুম্বাই মুম্বাইয়ের উত্তর প্রান্তে মালাড খাঁড়ির মুখে ছোট এই দুর্গটি অবস্থিত। পর্তুগিজরা নির্মাণ করলেও পরে মারাঠা ও ইংরেজদের হাতে চলে যায়। বর্তমানে ভারতীয় বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং প্রবেশ নিষিদ্ধ। (Q1883317)
  • 29 বান্দ্রা দুর্গ, মুম্বাই বান্দ্রা দুর্গ, স্থানীয়ভাবে ক্যাস্টেলা দে আগুয়াদা নামে পরিচিত। ১৬৪০ সালে পর্তুগিজরা দুর্গটি নির্মাণ করেছিল। পরে ইংরেজরা দখল করে কিছু অংশ ভেঙে দেয়। এখনো বহু প্রাচীর ও ফটক অক্ষত রয়েছে। এটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ। (Q5049681)
  • 30 কেলভা পানকোট দুর্গ, থানে জেলা, মুম্বাইর উত্তরে কেলভা পানকোট একটি দ্বীপ দুর্গ। যা দান্ডা খাঁড়ির মুখে অবস্থিত। পর্তুগিজরা নৌকা-আকৃতির এই দুর্গটি নির্মাণ করে। ভাটা চলাকালীন সময়ে হেঁটে এবং জোয়ারের সময় নৌকায় যেতে হয়।

ওডিশা

[সম্পাদনা]
  • 31 শিশুপালগড়, ভুবনেশ্বর সংলগ্ন শিশুপালগড়ের নাম মহাভারতের চরিত্র শিশুপাল থেকে নেওয়া। প্রত্নখননে পাওয়া এই দুর্গনগরী খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ৪র্থ শতক পর্যন্ত বসতিপূর্ণ ছিল। এখানে ছিল সুবিন্যস্ত নগর পরিকল্পনা, প্রহরী কক্ষ, রাস্তা ও ফটক। বর্তমানে কেবল উত্তর-পশ্চিম ফটক ও কিছু স্তম্ভ টিকে আছে। (Q3485360)
  • 32 বারাবতী দুর্গ, কটক উইকিপিডিয়ায় Barabati fort (Q3635691)

পাঞ্জাব

[সম্পাদনা]
  • 33 বঠিন্ডা দুর্গ (কিলা মুবারক), বঠিন্ডা কিলা মুবারক একসময় মহারাজার সরকারি বাসভবন ছিল। এখানে কিলা অন্দরুন, প্রধান প্রবেশদ্বার, শীশ মহল, রাণ বাস ও দরবার হল সহ বহু স্থাপনা রয়েছে। (Q3926492)
  • 34 প্রাচীন দুর্গ, রাজপুরা রাজপুরা (পুরাতন শহর) এই দুর্গের চারপাশ থেকে গড়ে উঠেছিল।

রাজস্থান

[সম্পাদনা]
  • 35 আমের দুর্গ, জয়পুর আমের দুর্গ জয়পুর সংলগ্ন আমেরে অবস্থিত। এটি হিন্দু-মুসলিম স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত বৃহৎ দুর্গ-প্রাসাদ। যা রাজা মান সিং-এর সময়ের এবং 'কাছওয়াহাস' রাজবাড়ির প্রাচীন প্রাসাদ। দুর্গের ভিতরে রয়েছে 'শীশ মহল', যেখানে দেয়াল ও ছাদের হাজার হাজার আয়না টালি রয়েছে। (Q456817)

  • 36 চিত্তরগড় দুর্গ, চিত্তরগড় চিত্তরগড় দুর্গ চিত্তরগড়ে অবস্থিত। এখানে বিশাল পাথরের ফটক, চাঁদানো প্রাচীর ও সুদৃঢ় ধাতব দরজা রয়েছে (হাতি ও توپ থেকে রক্ষা করতে)। দুর্গের ভিতরে বৃত্তাকার রাস্তা দিয়ে ফটক, বহু প্রাসাদ ও মন্দিরের ধ্বংসাবশেষে পৌঁছানো যায়। (Q3695769)
  • 37 গাগ্রন দুর্গ, ঝালাওয়ার গাগ্রন দুর্গ ঝালাওয়ারে পাহাড়ি ও জল দুর্গের উদাহরণ। এটি কালি সিন্ধ ও আহু নদী দুর্গের তিন পাশ ঘিরে রেখেছে। এটি রাজা বিজলদেব (পারমারা সাম্রাজ্য) কর্তৃক নির্মিত। স্থানীয়ভাবে গালকাঙ্গিরি নামেও পরিচিত। (Q16891508)

  • 38 জাইগড় দুর্গ, জয়পুর জাইগড় দুর্গ অঞ্চলটির তিনটি দুর্গের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী মনে করা হত। এখানে বিশ্বের বৃহত্তম 'জয়বাণা' রয়েছে। দুর্গে সুন্দর উদ্যান, আমের দুর্গ ও আশেপাশের দৃশ্য দেখার সুবিধা রয়েছে। (Q2722759)

  • 39 জয়সালমের দুর্গ, জয়সালমের জয়সালমের দুর্গ (“সোনার কিলা”) জয়সালমেরে অবস্থিত। এটি একটি কার্যকর দুর্গ। যেখানে নাগরিকরা বসবাস ও কাজ করে। দুর্গের বিভিন্ন স্থানে থেকে শহর ও মরুভূমির চমৎকার দৃশ্য দেখা যায়। (Q3634368)

  • 40 জুনাগড় দুর্গ, বিকানার রাজা রাই সিং কর্তৃক নির্মিত এই দুর্গটি বিকানারের রাজপরিবারের দুর্গ। এর ইতিহাস এখনও সমৃদ্ধ। এখানে অস্ত্র, অলঙ্কার ও প্রাচীন সামগ্রী প্রদর্শিত। এটি ভারতের প্রাচীনতম দুর্গগুলির মধ্যে একটি।
  • 41 কুম্ভালগড় দুর্গ, কুম্ভালগড় কুম্ভালগড় দুর্গ কুম্ভালগড়ে অবস্থিত। এটি সাতটি প্রাচীরযুক্ত প্রধান ফটক দ্বারা সংরক্ষিত। ভিতরে 'বাদল মহল' প্রাসাদ রয়েছে। দীর্ঘ এবং বক্রাকার এই দুর্গটি প্রতিরক্ষার জন্য তৈরী করা হয়। বহু কাহিনী ও গল্পের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত। (Q1246283)

  • 2 তারাগড় দুর্গ (স্টার ফোর্ট), বুন্দী রাজস্থানের সবচেয়ে বিখ্যাত দুর্গগুলির একটি। জটিল কাঠামো ও খ্যাতনামা চিত্রশালার জন্য পরিচিত।
  • 3 রতনগড় দুর্গ (জুয়েল ফোর্ট), রতনগড়, রাজস্থান রতনগড় দুর্গকে পাহাড়ি দুর্গগুলির রত্ন হিসেবে ধরা হয়।
  • 4 রানথম্বোর দুর্গ, রানথম্বোর রানথম্বোর দুর্গ রানথম্বোর জাতীয় উদ্যানে অবস্থিত সাওয়াই মাধোপুর শহরের কাছে। প্রাথমিকভাবে 'রনাথ ভাওয়ার গড়' নামে পরিচিত ছিল। সাওয়াই মাধোপুরের ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু এই দুর্গ।
  • 5 লক্ষ্মণগড় দুর্গ, লক্ষ্মণগড়, রাজস্থান লক্ষ্মণগড় দুর্গ রাজা সিকার কর্তৃক নির্মিত। দুর্গের স্থাপত্যে পাথরের ব্যবহার এটিকে অনন্য করে তুলেছে।
  • 6 লোহাগড় দুর্গ (লোহা দুর্গ), ভারতপুর লোহাগড় দুর্গ ভারতের অন্যতম শক্তিশালী দুর্গ। ভিতরে রয়েছে বহু স্মৃতিস্তম্ভ ও টাওয়ার (বিশেষত বিজয় টাওয়ার 'ফতেহ বুর্জ')।
  • 7 মান্ডাওয়া দুর্গ, মান্ডাওয়া, রাজস্থান মান্ডাওয়া দুর্গ ও প্রাসাদ 'ঠাকুর নওয়াল সিং' কর্তৃক নির্মিত। প্রাচীন চিত্রশালা ও ফ্রেস্কো দ্বারা সজ্জিত। 'দরবার হল'-এ প্রাচীন সামগ্রী ও চিত্র প্রদর্শিত। বর্তমানে এটি হেরিটেজ হোটেলে রূপান্তরিত হয়েছে।
  • 8 মেহরানগড় দুর্গ, যোধপুর মেহরানগড় দুর্গ যোধপুরের উপর দিয়ে শহরকে নজর রাখে। এটি রাও জোধার নতুন রাজধানীর স্থল। শহরটি এই দুর্গের চারপাশে গড়ে উঠেছে। বৃহৎ প্রাচীর, প্রাসাদ, জাদুঘর এবং সংরক্ষিত ('কিলকিলা') রয়েছে।
  • 42 নাগৌর দুর্গ, নাগৌর নাগৌর দুর্গ। উত্তর ভারতের প্রাচীন মুসলিম দুর্গ। এখানে বহু সংস্কারকৃত ফোয়ারা, উদ্যান ও ভবন রয়েছে।
  • 9 নাহারগড় দুর্গ, জয়পুর জয়পুরের ছোট দুর্গ। দুর্গটি মান সাগর লেক ও শহরের দৃশ্য দেয়। মহারাজা সাওয়াই জয় সিং দ্বিতীয় নির্মাণ করেছিলেন। দুর্গের ভিতরে 'মাধবেন্দ্র ভবন' প্রাসাদ রয়েছে।

তামিলনাড়ু

[সম্পাদনা]
  • 43 ডান্সবর্গ দুর্গ, ট্রানক্বেবার ১৭শ শতাব্দীর একটি ড্যানিশ দুর্গ। যা বঙ্গোপসাগরের দিকে মুখ করে রয়েছে। (Q11964733)
  • 44 গেলদারিয়া দুর্গ, পুলিক্যাট ১৭শ শতাব্দীর একটি ডাচ দুর্গ, যা পুলিক্যাট হ্রদের উপরে অবস্থিত। দুর্গের মধ্যে একটি সমাধিস্থলও রয়েছে।
  • 45 ভট্টাকোত্তাই দুর্গ, কানিয়াকুমারি ভট্টাকোত্তাই দুর্গ (পর্তুগিজ দুর্গ), কানিয়াকুমারির থেকে প্রায় ৬ কিমি দূরে (ব্যক্তিগত যানবাহন প্রয়োজন)। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরে নির্মিত ১৬শ শতাব্দীর দুর্গ। দুর্গ থেকে সমুদ্র এবং তটরেখার দৃশ্য চমৎকার। এখানে একটি ছোট বাগান রয়েছে। দুর্গে প্রবেশ ফি নেই। প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সময় কাটানো যায়। (Q7917189)
  • 46 ভেল্লোর দুর্গ, ভেল্লোর ভেল্লোর শহরের কেন্দ্রে একটি বৃহৎ ১৬শ শতাব্দীর দুর্গ। (Q3390913)
  • 47 জিঙ্গি দুর্গ, জিঙ্গি (Q3536493)

তেলঙ্গানা

[সম্পাদনা]
  • 48 গোলকুন্ডা দুর্গ, হায়দ্রাবাদ গোলকুন্ডা দুর্গ কুতুব শাহি রাজবংশের রাজধানী ছিল। (Q4141623)
  • 49 ওরাঙ্গাবাদ দুর্গ, ওরাঙ্গাবাদ এই দুর্গে চারটি প্রধান ফটক (ওরাঙ্গাবাদ ফটক) রয়েছে। যা প্রাথমিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিব মন্দিরের অংশ ছিল। বহিরঙ্গনে অনেক প্রাচীরের পাথর ও প্যানেল প্রদর্শিত হয়। যা অবশিষ্ট আছে তা 'জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিস্তম্ভ' হিসেবে তালিকাভুক্ত। (Q7968796)

উত্তর প্রদেশ

[সম্পাদনা]
  • 50 আগ্রা দুর্গ, আগ্রা এই দুর্গ প্রধানত লাল বালুকাপাথর দিয়ে নির্মিত হয়েছিল। দুর্গটি ঢাকার লাল দুর্গের নকশার অনুরূপ। এখান থেকে তাজ মহল দেখা যায়। (Q171857)

Wikipedia=আগ্রা দুর্গ

  • 51 আলাহাবাদ দুর্গ, প্রয়াগরাজ গঙ্গা, যমুনা এবং পৌরাণিক সরস্বতীর সংযোগস্থলে অবস্থিত। দুর্গটি ১৫৮৩ সালে মুঘল সম্রাট আকবর দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এটি আকবরের দুর্গগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল। প্রাথমিক কাঠামো অনেক পরিবর্তিত হলেও জেনানা প্রাসাদ এখনও রয়ে গেছে। এটি একটি সুন্দর প্যাভিলিয়ন। যার কেন্দ্রীয় হল ৬৪টি স্তম্ভ দ্বারা সমর্থিত এবং চারপাশে দ্বিগুণ স্তম্ভযুক্ত বারান্দা রয়েছে। ২০২৫ সালের পরিস্থিতি অনুযায়ী, ভারতীয় সেনাবাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এই দুর্গটি কিছু অংশ দর্শনার্থীদের জন্য খোলা রয়েছে। (Q771105)
  • 52 ফতেহপুর সিক্রি দুর্গ (আগ্রার নিকটে)। মুঘল সম্রাট আকবর দ্বারা নির্মিত।নএটি এক সময় মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল। তবে পরে স্থানীয় পানীয় জলের অভাব ও উত্তরের রাজপুতানা অঞ্চলের কাছাকাছি হওয়ায় পরিত্যক্ত হয়ে যায়। (Q179046)

  • 53 ঝাঁসি দুর্গ, ঝাঁসি, মাঞ্জেশ্বর শঙ্করগড় শহরের উপরে মারাঠা রাজাদের একটি পাহাড়ে দুর্গটি নির্মিত হয়। এই বৃহৎ দুর্গ আজও ভালো অবস্থায় রয়েছে। (Q12429726)

পশ্চিমবঙ্গ

[সম্পাদনা]
  • 54 ফোর্ট উইলিয়াম, কলকাতা ফোর্ট উইলিয়াম (উইলিয়াম তৃতীয় এর নামে) ইট ও সিমেন্ট দিয়ে অনিয়মিত অষ্টভুজাকৃতি স্টার আকারে নির্মিত। ছয়টি ফটক বিশিষ্ট এই দুর্গটি ঐ সময়ের অন্যান্য দুর্গের মতো (থালাসেরি দুর্গ) অনুরূপ। প্রবেশ সীমিত হতে পারে কারণ এখানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর। ভিতরে একটি সুন্দর জাদুঘর রয়েছে। সেন্ট পিটারস চার্চকে এখন একটি লাইব্রেরিতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। (Q2750027)

প্রাসাদ

[সম্পাদনা]

গুজরাট

[সম্পাদনা]
  • 10 নাউলাখা প্রাসাদ, গোন্ডাল, গুজরাট দরবারগড় দুর্গের মধ্যে একটি খুব পুরনো প্রাসাদ। এতে রয়েছে খোদাই করা স্থাপত্য এবং একটি ব্যক্তিগত জাদুঘর।
  • 11 প্রাগমালজি প্রাসাদ (প্রাগ মহল), ভুজ, গুজরাট কুচ অঞ্চলের শাসকদের বিখ্যাত প্রাসাদ। এটি গোথিক (ইন্দো-গোথিক) শৈলীতে নির্মিত।

জম্মু ও কাশ্মীর

[সম্পাদনা]
  • 12 অমর মহল প্রাসাদ, জম্মু বর্তমানে একটি জনপ্রিয় জাদুঘর। এই জাদুঘর লাল বালুকাপাথরের অমর মহল প্রাসাদ জম্মুর চিত্তাকর্ষক অঞ্চলে অবস্থিত। (Q4740023)

কর্ণাটক

[সম্পাদনা]
  • 13 মাইসোর প্রাসাদ (মহারাজার প্রাসাদ), মাইসোর এই রাজকীয় প্রাসাদে রয়েছে খোদাই করা দরজা, হস্তী দাঁত নকশা, চিত্রকলা এবং মার্বেলের ভাস্কর্য। এখানে রাজপরিবারের অনেক ব্যক্তিগত জিনিসপত্র প্রদর্শিত হয়। (Q4740023)

লাদাখ

[সম্পাদনা]
  • 14 লে প্রাসাদ, লে (Q3043543)
  • 15 স্রোক প্রাসাদ, লে শহরের সীমানা (Q1582929)

রাজস্থান

[সম্পাদনা]
  • 16 সিটি প্রাসাদ, জয়পুর এই বৃহৎ প্রাসাদ কমপ্লেক্সটি মহারাজা জয় সিংহ দ্বিতীয় কর্তৃক রাজপুত এবং মুঘল শৈলীর সংমিশ্রণে নির্মিত। এতে রয়েছে অনেক ভবন, প্রাসাদ প্রাঙ্গণ ও বাগান ।
  • 17 দীগ প্রাসাদ (জল মহল), ভারতপুর দীগ প্রাসাদ ভারতপুর শাসকদের গ্রীষ্মকালীন অবকাশের জন্য নির্মিত।
  • 18 গাজনার প্রাসাদ, বিকানির এই প্রাসাদটি বিকানির হ্রদের তীরে মহারাজা স্যার গঙ্গা সিংজি কর্তৃক নির্মিত। এটি গাজনার বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে অবস্থিত। ব্রিটিশ ও ভারতীয় অভিজাতরা এখানে শিকার উপভোগ করতেন। প্রাসাদটি বর্তমানে হেরিটেজ হোটেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • 19 গড় প্রাসাদ (বুন্দি প্রাসাদ), বুন্দি এই প্রাসাদটি ত্রারগড় দুর্গের পাশে একটি পাহাড়ে নির্মিত। এতে অনেক ফ্রেস্কো এবং মুরাল রয়েছে।
  • 20 হাওয়া মহল (বাতাসের প্রাসাদ), জয়পুর সিটি প্রাসাদের নারীদের (জেনানা) চেম্বারের সম্প্রসারণ হিসেবে লাল বালুকাপাথরে নির্মিত হয়েছিল। এতে অনেক তলা ও জানালা থাকায় সহজেই বাতাস চলাচল করে। (Q836531)
  • 21 জগমন্দির (জগমন্দির ও লেক গার্ডেন প্রাসাদ), পিচোলা হ্রদ, উদয়পুর জগমন্দির একটি দ্বীপে নির্মিত। এটি পিচোলা হ্রদের প্রধান প্রাসাদ। এখানে আরও ছোট প্রাসাদ ও বাগান রয়েছে। প্রাসাদটি হোটেলে রূপান্তরিত হয়েছে।
  • 22 রামবাগ প্রাসাদ, জয়পুর এই প্রাসাদটি ১৮০০ সালের দিকে বাগান বাড়ি হিসেবে শুরু হয়। পরে রাজকীয় বাগান এবং স্যুইটসহ বৃদ্ধি করা হয়। প্রাসাদটি হোটেলে রূপান্তরিত হয়েছে।
  • 23 উদয়পুর সিটি প্রাসাদ (উদয় বিলাস প্রাসাদ), উদয়পুর প্রকৃতপক্ষে এই প্রাসাদটিতে(বড় ও ছোট) জাদুঘর এবং চমৎকার বাগানের সমষ্টি রয়েছে। এখান থেকে পিচোলা হ্রদের দৃশ্যও দেখা যায়। মজবুত মোজাইক, মুরাল, ইনলেইসও পাওয়া যায়।
  • 24 উমাই ভবন প্রাসাদ (উমাইদ ভবন প্রাসাদ), জোধপুর একটি বৃহৎ ব্যক্তিগত প্রাসাদ চিত্তর প্রাসাদ। যেখানে একটি জাদুঘর ও কিছু অংশ হোটেল হিসেবে ব্যবস্থাপিত।
  • 25 বিনয় বিলাস মহল, আলওয়ার এই প্রাসাদ কমপ্লেক্স বালা কিল্লা দুর্গের নিচে অবস্থিত। একটি সুন্দর বাগান ও অনেক মুরাল রয়েছে। প্রাসাদের কিছু অংশ সরকারি অফিসে রূপান্তরিত হয়েছে। নিকটবর্তী শহরের জাদুঘরে ক্ষুদ্র চিত্রকলা ও পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
  • 26 জল মহল (পানি প্রাসাদ), জয়পুর ম্যান সাগর হ্রদে অম্বর রাজা চমৎকার জল মহল নির্মাণ করেছিলেন।
  • 27 জুনা মহল, ডুংগরপুর, রাজস্থান একসময় আয়না ও কাঁচের নকশা, মুরাল এবং ফ্রেস্কো দিয়ে সজ্জিত, এই রাজকীয় আবাস থার মরুভূমির নিকটে অবস্থিত। এখন অবনতি ও ভাঙচুর হয়েছে।
  • 28 লালগড় প্রাসাদ, বিকানির এই প্রাসাদটি নির্মিত হয়েছিল কারণ নিকটবর্তী জুনাগড় প্রাসাদ আধুনিক সম্রাটের মান পূরণ করছিল না। এতে জটিল ও সূক্ষ্ম কাজকর্ম রয়েছে। প্রাসাদের কিছু অংশ হোটেলে রূপান্তরিত হয়েছে।
  • 29 লেক প্রাসাদ, পিচোলা হ্রদ, উদয়পুর হ্রদের উপর নির্মিত এই প্রাসাদে অনেক প্রাঙ্গণ, জলাশয় এবং ধাপে ধাপে বাগান রয়েছে। (Q2187746)
  • 30 মনসুন প্রাসাদ (সাজ্জন গড় প্রাসাদ), উদয়পুর বন বিভাগ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। এই প্রাসাদটি আশেপাশের এলাকার চমকপ্রদ দৃশ্য প্রদান করে। সাধারণত রাতে আলোকিত হয় এবং দর্শনীয় স্থানও বটে।
  • 31 পাদ্মিনী প্রাসাদ (রানী প্রাসাদ), চিত্তোরগড় চিত্তোরগড় দুর্গে পুনর্নির্মিত একটি প্রাসাদ। ইতিহাস এবং অনেক কাহিনী (কিন্তু কিংবদন্তি) এই জল-প্রাচীরযুক্ত প্রাসাদের সাথে জড়িত।

উত্তর প্রদেশ

[সম্পাদনা]
  • 32 জাহাঙ্গীরী প্রাসাদ (জাহাঙ্গীরী মহল), আগ্রা এই প্রাসাদটি মুঘল সম্রাট আকবর কর্তৃক তার পরিবারের নারীদের জন্য নির্মিত। এটি বিখ্যাত আগ্রা দুর্গে অবস্থিত। (Q3612475)

পশ্চিমবঙ্গ

[সম্পাদনা]
  • 33 কুচবিহার প্রাসাদ (ভিক্টর জুবিলি প্রাসাদ), কুচবিহার এটি একটি দ্বি-তলা প্রাসাদ (বাকিংহাম প্রাসাদ অনুযায়ী পরিকল্পনা)। প্রাসাদটি মহারাজা নৃপেন্দ্র নারায়ণ সময়ে নির্মিত। প্রাসাদে থাকা অধিকাংশ মূল্যবান সামগ্রী হারানো বা সরানো হয়েছে। (Q5166812)
  • 34 রাজ ভবন (সরকারি ভবন), কলকাতা ১৮০৩ সালে নির্মিত হয়েছিল। লর্ড কার্জনের বাড়ি ও কেডলেস্টন হল ইংল্যান্ডের মডেল অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে। এটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের গভর্নরের সরকারি আবাস্থল। এখানে অনেক বিরল শিল্পকর্ম এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় জিনিস রয়েছে। (Q3349690)

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন

This TYPE ভারতের দুর্গ ও প্রাসাদ has রূপরেখা অবস্থা TEXT1 TEXT2

{{#assessment:প্রসঙ্গ|রূপরেখা}}