ভারতের পশ্চিম উপকূলীয় রাজ্য গোয়ার একটি বন্দরনগরী হলো ভাস্কো দা গামা। ভাস্কো গোয়ার সবচেয়ে জনবহুল ও বৃহদায়তন শহর এবং এর সংলগ্ন মর্মুগাঁও বন্দর অত্যন্ত ব্যস্ত, ধূলিময় এবং মূলত বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
জানুন
[সম্পাদনা]শহরটির নামকরণ করা হয়েছে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা-র নামে, যিনি আফ্রিকা ঘুরে কেপ রুট দিয়ে সমুদ্রপথে যাত্রা করা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
মোরমুগাঁও বন্দর ১৮৮৮ সালে নির্মিত হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি ভারতের অন্যতম প্রধান বন্দর। ভারতের আকরিক রপ্তানির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই বন্দর দিয়েই সম্পন্ন হয়। নৌবাহিনী ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর জন্য জাহাজ নির্মাণকারী গোয়া শিপইয়ার্ড লিমিটেড গড়ে তোলা হয় ১৯৫৭ সালে গঠিত ঔপনিবেশিক বার্জ-মেরামত কেন্দ্র এস্তালেইরোস নাভাইস দে গোয়া-র উপর ভিত্তি করে।
মোরমুগাঁও-এ ভারতীয় নৌবাহিনীরও একটি সুস্পষ্ট উপস্থিতি রয়েছে তাদের বিশাল ক্যাম্পাস এবং দাবিকৃত ডাবোলিম বিমানবন্দর এলাকার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে। আইএনএস গোমন্তক হলো গোয়াতে ভারতীয় নৌবাহিনীর সদর দপ্তর এবং এটি সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চার্চ ও জুয়ারি নদীর দৃশ্যপটে একটি পাহাড়ের উপরে অবস্থিত। এর পাশেই রয়েছে নৌবাহিনীর হাসপাতাল আইএনএস জীবন্তী। মোরমুগাঁও বন্দরের দৃশ্য দেখা যায় এমন জায়গায় রয়েছে নৌবাহিনীর হাইড্রোগ্রাফিক বিদ্যালয়। এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নৌ উপস্থিতি হলো আইএনএস হানসা, যার মধ্যে ডাবোলিম বিমানবন্দরটিও অন্তর্ভুক্ত।
২০১১ সালে ভাস্কো শহরের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) জন।
কীভাবে যাবেন
[সম্পাদনা]বিমানে করে
[সম্পাদনা]
- 1 ডাবোলিম বিমানবন্দর (জিওআই আইএটিএ, গোয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) (শহরের উপকণ্ঠে ডাবোলিমে অবস্থিত)। এটি গোয়ার ব্যস্ততম বিমানবন্দর। অভ্যন্তরীণভাবে এয়ার ইন্ডিয়া এবং আন্তর্জাতিকভাবে কাতার এয়ারওয়েজ, কুয়েত এয়ারওয়েজ এবং শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স এখানে পরিষেবা দেয়। ইউরোপ থেকে এখানে ঋতুভিত্তিক চার্টার ফ্লাইট চলাচল করে.
ট্রেনে
[সম্পাদনা]
ট্রেনের তালিকার জন্য গোয়া দেখুন।
দিল্লি, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, পুনে, কলকাতা এবং চেন্নাই পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন যোগাযোগ রয়েছে। ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাদগাঁও জংশন থেকে মুম্বাই ও অন্যান্য স্থানের সঙ্গে সংযোগ পাওয়া যায়।।
- 2 ভাস্কো দা গামা রেলওয়ে স্টেশন।
সড়কপথে
[সম্পাদনা]পানাজি থেকে ভাস্কোর দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরের উদ্দেশ্যে এখান থেকে বাস চলাচল করে। সাধারণত পানাজি এবং অন্যান্য শহরের মধ্যে প্রধান বাস পরিষেবাগুলির সাথে ভাস্কো থেকেও সংযোগ পাওয়া যায়।
সমুদ্রপথে
[সম্পাদনা]মরমুগাঁও বন্দর থেকে নিয়মিত কোনো জাহাজ চলাচল না করলেও মুম্বাই থেকে লাক্ষাদ্বীপের যাওয়ার পথে প্রমোদতরি 'সুপারস্টার লিবরা' এই বন্দরে নোঙর করে।
ঘুরে দেখুন
[সম্পাদনা]গাড়ি, বাস, স্কুটার বা হেঁটে ঘুরে বেড়াতে পারেন। গোয়ার অন্যান্য অঞ্চলের মতো এখানেও দু'চাকার মোটরবাইক ট্যাক্সি পাওয়া যায়। এগুলি সাধারণত হলুদ এবং কালো রঙে রাঙানো থাকে (যা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের যেমন মুম্বাইয়ের ট্যাক্সির রঙও একই রকম) এবং এদের চালকদের স্থানীয়ভাবে পাইলট বলা হয়। আপনি যদি একা ভ্রমণ করে থাকেন এবং সামান্য কষ্ট স্বীকারে আপত্তি না থাকে, তাহলে মোটরসাইকেল ট্যাক্সি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী পরিবহন ব্যবস্থা।
কী দেখবেন
[সম্পাদনা]

সাদাতে পাহাড়ের উপরে “জাপানিজ গার্ডেন” নামে একটি বাগান রয়েছে। এটি সমুদ্রের দিকে মুখ করে একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। ভাস্কো স্টেশন থেকে এই বাগান পর্যন্ত যাওয়ার পথে ডান দিকে আপনি গোয়ার জাহাজ নির্মাণকেন্দ্রে সমুদ্রে ভেসে থাকা জাহাজগুলির সুন্দর দৃশ্য দেখতে পাবেন। এই বাগানটি একটি মনোরম শান্ত পরিবেশে ঘেরা। আপনি চাইলে উপরে বসে সমুদ্র দেখতে পারেন অথবা নিচে নেমে হেঁটে সমুদ্র তীরে থাকা একটি মন্দিরেও যেতে পারেন। কাছেই নৌবাহিনীর অ্যাপার্টমেন্টগুলির দিকে যাওয়ার জন্য একটি হাঁটার পথও আছে। এটি কোনও প্রচলিত পর্যটনকেন্দ্র নয়। দিনের বেলায় জায়গাটি অত্যন্ত নিরিবিলি ও শান্ত থাকে, আর ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো ভোরবেলা কিংবা সন্ধ্যাবেলা।
সমুদ্র সৈকতসমূহ: বিমানবন্দরের পিছনে একটি ছোট সুন্দর সমুদ্র সৈকত হলো বগমালো। তবে এখানে সমুদ্রের পানি অনেক সময় বেশ উত্তাল হয়ে ওঠতে পারে। বিমানবন্দর থেকে সামান্য দূরে ভেলসাও একটি দীর্ঘ ও চমৎকার সমুদ্র সৈকত। তবে এটি বেশিরভাগ সময়ই একেবারে নির্জন থাকে, আশেপাশে কেউ থাকে না! যদিও এটি বিপজ্জনক নয়, তবে একাকী মনে হতে পারে!
- 1 নৌ বিমান চলাচল জাদুঘর।
মঙ্গলবার থেকে রবিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে, সোমবার বন্ধ। এটি একটি দুর্দান্ত জায়গা যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী বিমান দেখতে পাবেন, যেমন: সিল্যান্ডস, ডোভস, অ্যালিজেস, সি-হকস, ভ্যাম্পায়ার্স এবং হিউজ হেলিকপ্টার। এছাড়াও তুলনামূলকভাবে নতুন সি হ্যারিয়ারস এবং একটি সুপার কনস্টেলেশন বিমানও এখানে প্রদর্শিত হয়।
কী করবেন
[সম্পাদনা]- যেহেতু ভাস্কো দা গামা প্রধানত একটি বাণিজ্যিক শহর তাই পর্যটকদের জন্য এখানে তেমন কিছু করার নেই। তবে এখানকার পার্কগুলি এবং আশেপাশের সমুদ্র সৈকতগুলি কয়েক ঘণ্টা নিরিবিলি ও আনন্দময় সময় কাটানোর জন্য একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।
- একটি নতুন আকর্ষণ বাইনা সমুদ্র সৈকতে সি ওয়াক।
- আরেকটি অবশ্যই দেখার মতো স্থান হলো বগমালো সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পথে অবস্থিত নৌ বিমান জাদুঘর।
কেনাকাটা
[সম্পাদনা]খাওয়া-দাওয়া
[সম্পাদনা]- গিন্জা। একটি চীনা রেস্তোরাঁ, যার খাবার সম্পর্কে "ভালো" বলে সুপারিশ করা হয়েছে। ঠিকানা: কার্মা প্লাজার নিচতলায়, ভাস্কো রেলওয়ে স্টেশন থেকে হেঁটে যাওয়ার দূরত্বে অবস্থিত। ফোন: ২৫১৮৯২৮ এক্সটেনশন ৪৮ অথবা ২৫১৩৭৭৬।
- রাঙ্গোলি ভালো মানের খাবার পরিবেশন করে এবং কোনো কোনো সন্ধ্যায় এখানে সরাসরি সঙ্গীতের আয়োজন থাকে। একই ভবনে রয়েছে টেম্পটেশন (ফোন: ২৫১৮৯২৮, এক্সটেনশন ৫০), এটি একটি ২৪ ঘণ্টা খোলা ফাস্ট-ফুড রেস্তোরাঁ এবং তরুণদের আড্ডা দেওয়ার জায়গা। ঠিকানা: বেজমেন্ট, কর্মা প্লাজা, ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ অ্যাভিনিউ। ফোন: ২৫১৮৯২৮ অথবা ২৫১৩৭৭৬।
- লা পাজ প্লেস হলো পুরোনো দিনের আভিজাত্যপূর্ণ একটি জায়গা। এর রেস্তোরাঁগুলি হলো: দ্য রিজেন্সি (ফোন: ২৫১২১২৫, এক্সটেনশন ১৩০; ভারতীয়, মহাদেশীয় এবং গোঁয়া অঞ্চলের খাবার পরিবেশন করে) এবং সুইট এন সাওয়ার (ফোন: ২৫১২১২৫ এক্সটেনশন ১২৫, এই রেস্তোরাঁটি শুধুমাত্র চাইনিজ খাবার পরিবেশন করে) বেশ আকর্ষণীয় খাবার সরবরাহ করে। এছাড়াও নিচতলায় গুডিল্যান্ড (এক্সটেনশন ১৪০) নামে একটি ফাস্ট ফুড জয়েন্ট আছে, যা আপনি দেখে নিতে পারেন। । হারবার বারের এক্সটেনশন হলো ১২৪। ফোন: হোটেল লা পাজ গার্ডেনস, ২৫১২১২১ থেকে ২৫১২১২৫। ঠিকানা: স্বাতন্ত্র্য পথ, মিউনিসিপ্যাল গার্ডেনের কাছে।
- ভাস্কো ইন্ মূলত সামুদ্রিক খাবার, গোয়ান, ভারতীয় এবং চাইনিজ খাবারে বিশেষজ্ঞ। এটি একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেস্তোরাঁ ও বার, যা বিশেষত গোয়ান খাবরের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। এখানে তাদের চিকেন কাফরিয়াল এবং চিকেন বিলদালহো (অথবা ভিন্ডালু) চেখে দেখতে পারেন। এছাড়াও তাদের ঝাকুতি এবং কালদিন পদগুলিও উল্লেখযোগ্য। অবস্থান: এটি মোরমুগাও বন্দর থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে এবং ডাবোলিম বিমানবন্দর থেকে প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ঠিকানা: খালাপ ম্যানশন, আইওসি’র কাছে, ভাস্কো ডা গামা। ফোন: ২৫১৪৭২৫।
- সিটি শ্যাক রেস্তোরাঁটি পৌর বাগানের কাছে অবস্থিত এবং এর পরিবেশ বেশ আকর্ষণীয়। অনন্তাশ্রম সিটি শ্যাকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সংস্করণ, যা পৌর উদ্যানের কাছেই অবস্থিত। উভয় রেস্তোরাঁতেই খাবারের মান ভালো। তাদের হান্ডি বিরিয়ানি এবং মাছের পদগুলো অবশ্যই চেখে দেখতে পারেন।
- অন্নপূর্ণা একটি নিরামিষ রেস্তোরাঁ। বিশেষভাবে সুপারিশ করা পদগুলি: পনীর মাখনওয়ালা, বিরিয়ানি, ফ্রাইড রাইস। ঠিকানা: মিউনিসিপ্যাল মার্কেট-এর কাছে, বাটা শোরুমের বিপরীতে। ফোন: ২৫১৩৭৪৫, ২৫১৩৩৭৫।
- কোকোনাট ক্রিক রেস্তোরাঁটি ভাস্কোর ঠিক বাইরে সৈকতে অবস্থিত। এটি একটি বুটিক রিসোর্টের সঙ্গে যুক্ত রেস্তোরাঁ। বিশেষভাবে সুপারিশ করা পদগুলি: চিকেন কর্ডন ব্লু, বিফ ওয়েলিংটন এবং প্রনস স্টাফড সোল। ঠিকানা: বিমুত ভাদ্দো, বোগমালো। ফোন: ২৫৩৮০৯০ বা ২৫৩৮১০০। অথবা ২৫৫৬১০০ বা ২৫৫৬০৯০ ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
- জোয়েট’স। বোগমালো সৈকতের আরেকটি বিকল্প। ঠিকানা: বোগমালো সৈকত। ফোন: ২৫৩৮০৩৬
- রেনেসাঁ এয়ারপোর্ট প্লাজা রেস্তোরাঁ, ঠিকানা: এয়ারপোর্ট প্লাজা, এয়ারপোর্ট রোড, ডাবোলিম ৪০৩৮০১ ফোন: ২৫৫৫৬৪১, ২৫১৫০৭৬, ২৫১৫০৭৭, ২৫১৫০৭৪
- আপনি যদি কফি এবং কেক খেতে চান, তাহলে রেলওয়ে স্টেশনের কাছে "টেম্পটেশনস" বেছে নিন। এটি একটি তারুণ্যদীপ্ত ও প্রাণবন্ত পরিবেশসম্পন্ন স্থান এবং এটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।
- আপনি যদি দক্ষিণ ভারতীয় খাবার খেতে চান, তাহলে স্টেশন থেকে প্রায় ৫ মিনিটের দূরত্বে "অন্নপূর্ণা" নামে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পারিবারিক কক্ষের জন্য আপনি ওপরতলায় যেতে পারেন।
- আপনি যদি খাঁটি গোয়ান পরিবেশ উপভোগ করতে চান, তবে "অনন্তাশ্রম" বেছে নিন — খড়ের ছাউনি, দেওয়ালে কার্টুন আঁকা এবং একটি বড় পর্দার টেলিভিশনসহ এর পরিবেশ সত্যিই চমৎকার।
- "লিটল শেফ" গোয়ান ফিশ কারি থালির জন্য একটি ভালো জায়গা।
- আপনি যদি স্টেশন থেকে বিমানবন্দরের দিকে যান তবে "ফ্লিন্টস্টোনস"-এ থামতে পারেন—এটি মোড়ের ওপরে অবস্থিত একটি পারিবারিক পরিবেশসম্পন্ন ভালো রেস্তোরাঁ। এখানে পিৎজা বা বার্গার উপভোগ করতে পারেন!
- ফ্লিন্টস্টোনস থেকে আর একটু এগোলেই পাবেন কাবাব, কারি অ্যান্ড ককটেল—খাবার খুবই চমৎকার এবং পরিবেশটি বিলাসবহুল।
- এফ. এল. গোমেজ রোড-এর শেষ প্রান্তে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের উল্টোদিকে হোটেল মহারাজের নিজস্ব চত্বরে দুটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। এগুলি হলো— 'উইন্ডোজ' মাল্টি কুইজিন শীততাপনিয়ন্ত্রিত রেস্তোরাঁ এবং 'দাওয়াত' আউটডোর রেস্তোরাঁ। এখানে শুক্র, শনি ও রবিবার লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা থাকে। বুফে ব্রেকফাস্ট (এবং টেক অ্যাওয়ে): সকাল ৮টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত। তারা সম্প্রতি তাদের চত্বরে একটি "কফি দে এক্সপ্রেস" আউটলেট খুলেছে এবং খুব শীঘ্রই একটি আমূল এক্সক্লুসিভ আউটলেটও খুলবে।
- অভীক্ষা ক্লাসিক শীততাপনিয়ন্ত্রিত রেস্তোরাঁটি মূল কদম্ব বাস স্ট্যান্ডের উল্টোদিকে প্রধান রাস্তার ওপরে অবস্থিত। এখানে সাধারণত বহুবিধ খাবার পাওয়া যায়।
- বোগমালো সৈকতের টনি'স বিচ শ্যাকও ভালো খাবার পরিবেশন করে। তাদের পনির রসুন নান বিশেষ করে সুপারিশ করা হয়।
- বোগমালো সৈকতের রেস্তোরাঁর সারিতে জন সিগাল নামে আরেকটি রেস্তোরাঁ আছে। এটির পরিবেশ বেশ ভালো এবং এটি সবসময় বিদেশিদের ভিড় থাকে... এতে বোঝা যায়, তাদের স্বাদের উপযুক্ত ভালো কিছু খাবার সেখানে তৈরি হয়।
- হোটেল লা পাজের ভাস্কো রেসিডেন্সিতে আরেকটি শাখা রয়েছে, যার নাম লিটল শেফ। এই আউটলেটটি সালগাঁওকরদের মালিকানাধীন ভাস্কোর মূল পুরোনো রেস্তোরাঁটির পুনরুজ্জীবন, যা বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং শাটল বাস স্টপের কাছে অবস্থিত ছিল।
- ভাটস নামে একটি খাবারের দোকান আছে। জায়গাটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য কিছু নয় তবে সেখানে শুধুমাত্র আসল গুজরাটি খাবার পরিবেশন করা হয় এবং তার এখানে বেশ কিছু রুচিশীল নিয়মিত গ্রাহক এবং অবিবাহিত যুবকরা তার খাবারের প্রশংসা করে থাকেন।
- স্বতন্ত্র পথের মিউনিসিপ্যাল মার্কেটের উল্টো দিকে 'আদর্শ' নামে একটি রেস্তোরাঁ আছে যা এক জন মুসলিম পরিচালনা করেন এবং এখানে এমন চমৎকার বিরিয়ানি পরিবেশন করা হয়, যা কেবল মুসলিমরাই তৈরি করতে পারেন। এছাড়াও এখানকার কিছু পার্শ্ব পদের স্বাদ অন্যান্য রেস্তোরাঁর চেয়ে একেবারেই ভিন্ন ধরণের। জায়গাটা পরিবেশ এবং বসার ব্যবস্থার দিক থেকে একটি সাধারণ উদিপি ধরণের খাবারের দোকান। তিনি নিরামিষ ও আমিষ উভয় ধরণের খাবারই পরিবেশন করেন।
- হোটেল রুক্মিণী তাদের নিজস্ব ভবনে শ্রাবণী নামে একটি নতুন উদিপি-শৈলীর নিরামিষ রেস্তোরাঁ' চালু করে (২০০৭ সালের মার্চ মাসে)। পৌর শিশু উদ্যান সংলগ্ন স্বতন্ত্র পথে একটি বাস্কিন রবিন্স আইসক্রিম পার্লার রয়েছে।
- শহরের কেন্দ্রস্থলে এমএমসি ভবনের পাশে 'কর্ম প্লাজায় 'টেম্পটেশনস' নামে একটি ফাস্ট ফুড রেস্তোরাঁ রয়েছে। এখানে রোল, হ্যামবার্গার, পেস্ট্রি, পাফ, শেক, জুস, চা, কফি এবং এই ধরনের খাবার পরিবেশন করে। এর সঙ্গে একটি আইসক্রিম পার্লারও সংযুক্ত আছে। এটি মূলত তরুণ-তরুণীদের আড্ডাস্থল হিসেবে পরিচিত। এটিই শহরের একমাত্র রেস্তোরাঁ যা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। এটি রেলওয়ে স্টেশনেরও খুব কাছে অবস্থিত।
- রয়্যাল (দরবার)।
পানীয়
[সম্পাদনা]- বিভিন্ন ধরনের ওয়াইনের দোকান রয়েছে যেখানে অ্যালকোহল বিক্রি করে এবং সেখান থেকে সহজে অ্যালকোহল কেনা যায়।
- হোটেল লা পাজের হারবার বার এবং অন্যান্য সব হোটেলেই সাধারণত একটি বার থাকে।
রাত্রিযাপন
[সম্পাদনা]- স্বতন্ত্র পথের হোটেল লা পাজ হলো ভাস্কোর সেরা ব্যবসায়িক হোটেল।বিসমার্ক, সিটাডেল এবং কারমার মতো আরও কয়েকটি হোটেল রয়েছে যা ব্যবসায়িক ভ্রমণকারীদের জন্য উপযুক্ত। স্বতন্ত্র পথে নতুন আরও দুটি হোটেল নির্মাণ কাজ চলছে। পর্যটকদের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে বোগমালো সমুদ্রসৈকতের কাছাকাছি কোনো হোটেল খুঁজে নেওয়া, যা ভাস্কো দা গামা থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে।
- যখন রোদ তীব্র এবং গরম বেশি থাকে তখন ঘুমিয়ে নিন। গোয়ায় দুপুরবেলায় সিয়েস্তার (বিকেলে বিশ্রাম) জন্য সব দোকান বন্ধ হয়ে যায়! একটি ঠান্ডা, শান্ত জায়গা খুঁজে নিন এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্রাম করুন!
- 1 দি এইচকিউ হোটেল, ☏ +৯১ ৮৩২ ২৫০ ০০১৫।
যোগাযোগ
[সম্পাদনা]ভাস্কো দা গামার আশেপাশে সাইবার ক্যাফেগুলি
- ন্যাশনাল বেকারি, ২ ৫, দা সিলভা চেম্বার্স, স্বতন্ত্র পথ, হোটেল লা পাজের বিপরীতে
পরবর্তী গন্তব্য
[সম্পাদনা]রাজ্যের বাইরের সঙ্গে সুবিধাজনক যোগাযোগ এবং গোয়ার ছোট আয়তনের কারণে ভাস্কোকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করা বেশ সহজ। আপনি চাইলে ট্যাক্সি ভাড়া নিতে পারেন অথবা পর্যটন বিভাগ পরিচালিত ট্যুর বাসে ঘুরে দেখতে পারেন, যা গোয়া পর্যটন বিভাগ পরিচালিত ট্যুরিস্ট হোস্টেল থেকে ভাড়া নেওয়া যায়।
{{#assessment:শহর|রূপরেখা}}
