এই নিবন্ধে সংগঠিত অপরাধ সম্পর্কিত পর্যটন গন্তব্যের বর্ণনা রয়েছে। অপরাধের ঝুঁকি এড়াতে করণীয় বিষয়ে পরামর্শের জন্য দেখুন অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য।
সংগঠিত অপরাধ পর্যটন হলো অপরাধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক পর্যটনের একটি বিশেষ শাখা, যেখানে পর্যটকরা বিভিন্ন অপরাধী চক্র ও অপরাধ সিন্ডিকেট-সম্পর্কিত স্থান পরিদর্শন করেন। অবশ্যই, উইকিভ্রমণ এই ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপকে কোনোভাবেই সমর্থন করে না। তবুও বহু পর্যটক আকর্ষণ বোধ করেন, কারণ এসব স্থান তাদের বর্তমান বা অতীতের অপরাধ সংযোগের কারণে পরিচিত। এই নিবন্ধে সেই ধরনের স্থানগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের বিখ্যাত সংগঠিত অপরাধ সিন্ডিকেটের মধ্যে রয়েছে সিসিলীয় ও রাশিয়ান মাফিয়া, জাপানি ইয়াকুজা এবং চীনা ট্রায়াড। যদিও বর্তমানে তাদের কার্যক্রমের বেশিরভাগই সীমাবদ্ধ হংকংয়ে, তাইওয়ানে ও ম্যাকাওয়ে। এসব সিন্ডিকেটকে বহু চলচ্চিত্রে ও টেলিভিশন সিরিজে রোমান্টিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে বটে, তবে অনেক সময় তাদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগও উঠেছে, যা অসংখ্য চলচ্চিত্র ও সিরিজের মূল বিষয়বস্তু হয়েছে।
অনেক অভিবাসী সমাজে, নির্দিষ্ট অভিবাসন সম্প্রদায়কে সুরক্ষিত রাখতে সংগঠিত অপরাধ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল। তাই সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো প্রায়ই ঐ সম্প্রদায়ের ইতিহাসের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত।
গন্তব্যসমূহ
[সম্পাদনা]| “ | যে সাফল্যের ব্যাখ্যা দিতে তুমি অপারগ, তা এক নিখুঁত অপরাধ— যার কোনো প্রমাণ নেই, কারণ তা ধরা পড়েনি কখনোই। | ” |
—অনোরে দ্য বালজাক | ||
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংগঠিত অপরাধের ইতিহাস দেশটির জাতিগত বৈচিত্র্যকে প্রতিফলিত করে। প্রথম প্রভাবশালী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ছিল আয়ারল্যান্ড ভিত্তিক মার্কিন অপরাধী দল এবং ইতালীয়-মার্কিন মাফিয়া। নিষিদ্ধ যুগে (১৯২০–১৯৩৩) তারা গোপন পানশালা বা স্পীকিজি পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে মদ বিক্রি ও পান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শহরের অলিগলিতে বিভিন্ন জাতিগত অপরাধী দল গড়ে ওঠে। শ্বেতাঙ্গ প্রধান এলাকায় গ্রিজার অপরাধী দল এবং অন্যত্র আফ্রিকান-আমেরিকান ও হিস্পানিক অপরাধী দল সক্রিয় হয়। পরে শ্বেতাঙ্গরা শহর ছেড়ে প্রান্তে চলে গেলে গ্রিজার অপরাধী দল দুর্বল হয়ে পড়ে, আর শহরের অভ্যন্তরে আফ্রিকান-আমেরিকান দল, বিশেষত ব্লাডস ও ক্রিপস, প্রভাব বিস্তার করে।
যুদ্ধ-পরবর্তী যুগে বাইকার অপরাধী দলও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো হেলস অ্যাঞ্জেলস। এই দলের প্রচলিত রূপকল্প অনুযায়ী সদস্যরা সাধারণত বর্ণবাদী শ্বেতাঙ্গ পুরুষ, মাথা ন্যাড়া ও লম্বা অগোছালো দাড়িওয়ালা। এছাড়া লাতিন আমেরিকার কুখ্যাত এমএস-১৩-এর অনেক শাখাও যুক্তরাষ্ট্রে কার্যক্রম বিস্তার করেছে।
- শিকাগো — সংগঠিত অপরাধের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বিখ্যাত শহর। ইতালীয়-মার্কিন গ্যাংস্টার আল কেপোনের নাম এখানে ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত। গ্রীন মিল নামের একটি জাজ বারে কেপোন প্রায়ই আসতেন; তার আসন এখনও সংরক্ষিত আছে এবং পর্যাপ্ত আগেভাগে এলে সেখানে বসা যায়। গ্রিন ডোর ট্যাভার্ন প্রকৃত স্পীকিজি, যা আয়ারল্যান্ড বংশদ্ভূত মার্কিন গ্যাংস্টার ডিন ও'বানিয়ন ব্যবহার করতেন। তিনি ছিলেন কেপোনের প্রতিদ্বন্দ্বী।
- লাস ভেগাস — কয়েক দশক ধরে সংগঠিত অপরাধ ও অনৈতিক ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। বিশেষ করে ১৯৩০ সালে হুভার বাঁধ নির্মাণ শুরু হওয়ার পর থেকে। সে সময় এটি পুরুষদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করে, পাশাপাশি শো গার্লদেরও কেন্দ্রবিন্দুতে আনে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ইহুদি গ্যাংস্টার বাগসি সিগেল ও মায়ের ল্যানস্কি ফ্লেমিংগো ক্যাসিনো খোলেন। শিকাগো আউটফিটের সদস্য অ্যালেন ডরফম্যান ও দুর্নীতিগ্রস্ত টিমস্টার নেতা জিমি হোফার সহযোগিতায় ৪০–৫০-এর দশকে বিভিন্ন ক্যাসিনো অর্থায়ন পায়। বর্তমানে শহর পরিবার-বান্ধব ভাবমূর্তি তৈরি করেছে, তবে "পাপ নগরী" উপনাম থেকে পুরোপুরি মুক্তি পায়নি।
- নিউ ইয়র্ক সিটি — সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত শহর সংগঠিত অপরাধের জন্য। ইতালীয়-মার্কিন মাফিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ঘাঁটি ছিল এখানে এবং 'দ্য গডফাদার' চলচ্চিত্রে এর চিত্রায়ন চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।
- হট স্প্রিংস, আর্কানসাস — মধ্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি ছোট শহর, যা বাথহাউসের জন্য পরিচিত। নিষিদ্ধ যুগে এটি গ্যাংস্টারদের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল, বিশেষত শিকাগো থেকে আগতদের কাছে, যারা এখানে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করত।
- আরও দেখুন: নেড কেলি পর্যটন
অস্ট্রেলিয়ায় মার্কিন বাইকার দলের শাখা রয়েছে, যাদের অস্ট্রেলীয় ইংরেজিতে বলা হয় ‘বাইকি অপরাধী দল’, যেমন হেলস অ্যাঞ্জেলস।
- মেলবোর্ন — কুখ্যাত অপরাধী নেড কেলিকে এখানে পুরোনো মেলবোর্ন কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়েছিল। তার ব্যবহৃত লোহার বর্ম ও হেলমেট বর্তমানে স্টেট লাইব্রেরি ভিক্টোরিয়ায় সংরক্ষিত আছে। মেলবোর্নকে অস্ট্রেলিয়ার ইতালীয় মাফিয়ার কেন্দ্র হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়। বিশেষ করে ফিটজরয় উপশহরটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে অপরাধী দলের যুদ্ধ ও আধিপত্যের জন্য কুখ্যাত ছিল।
জাপান সংগঠিত অপরাধ সিন্ডিকেট ‘ইয়াকুজা’-র জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। ইয়াকুজাদের কর্মকাণ্ড বহু স্থানীয় চলচ্চিত্র ও নাটকে রোমান্টিকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
- ওসাকা — জাপানি জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ইয়াকুজার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত শহর। স্থানীয় চলচ্চিত্র ও নাটকে প্রায়শই গ্যাংস্টাররা ওসাকা উপভাষায় কথা বলে। কামাগাসাকি এলাকা জাপানের সবচেয়ে বড় বস্তি, যেখানে বহু দরিদ্র মানুষ বাস করেন। এখানকার পতিতালয় ও অবৈধ কার্যক্রম ইয়াকুজাদের নিয়ন্ত্রণে চলে।
হংকংয়ের সবচেয়ে পরিচিত অপরাধী দল হলো ‘ট্রায়াডস’, চীনা অপরাধী সংগঠন যারা কঠোর আচরণবিধি অনুসরণ করে এবং সুসংগঠিতভাবে পরিচালিত হয়। ট্রায়াডদের প্রভাব হংকংয়ের চলচ্চিত্র জগতে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৬ সালে অস্কারজয়ী দ্য ডিপার্টেড আসলে হংকংয়ের বিখ্যাত ইনফার্নাল অ্যাফেয়ার্স চলচ্চিত্র-ত্রয়ীর আমেরিকান সংস্করণ। ওয়ান চাই এলাকা ঐতিহাসিকভাবে ট্রায়াডদের ঘাঁটি ছিল। ইন্দোচীন যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এখানে অসংখ্য পতিতালয় ছিল, যা মার্কিন সেনাদের অবকাশ যাপনকালে সেবা দিত। প্রাক্তন কাউলুন ওয়ালড সিটি ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত ট্রায়াডদের আস্তানা ছিল। পরে এটি ভেঙে ফেলে বর্তমান কাউলুন প্রাচীরনগরী উদ্যান গড়ে তোলা হয়। সেখানে সংরক্ষিত প্রাক্তন ইয়ামেন ভবনে বর্তমানে ফটোগ্রাফ প্রদর্শনী মাধ্যমে ঐতিহাসিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
২০শ শতকের শেষভাগ থেকে ২১শ শতকের শুরু পর্যন্ত কলম্বিয়ার মাদক কার্টেলগুলো তাদের নৃশংসতা ও ভয়াবহ অপরাধের জন্য বিশ্বব্যাপী কুখ্যাত ছিল। এরা মূলত মেডেলিনে ও কালি শহরে কেন্দ্র গড়ে তুলেছিল। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ 'নারকোস'-এ এই কার্টেলগুলোর উত্থান ও প্রভাব দেখানো হয়েছে। প্রথম দুই মৌসুম মেডেলিন কার্টেলের আধিপত্য নিয়ে নির্মিত। মার্কিন মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সহায়তায় কলম্বিয়ার সরকার তাদের দমন করার চেষ্টা করলেও, কার্টেলগুলো ব্যবহার করত ভয়ঙ্কর ‘প্লাতা ও প্লোমো’ কৌশল—যেখানে হয় ঘুষ নিতে হতো, না হয় প্রাণ দিতে হতো।
মেডেলিনে কার্টেল সম্পর্কিত স্থান পরিদর্শনকে ‘মাদক পর্যটন’ বলা হয়। তবে স্থানীয়রা এ ধরনের পর্যটকদের ভালোভাবে গ্রহণ করে না, কারণ এসব স্মৃতি তাদের জন্য বেদনাদায়ক। ভদ্রতা বজায় রাখলে স্থানীয় ট্যাক্সিচালকরা পর্যটকদের প্যাবলো এস্কবার ও মেডেলিন কার্টেল সম্পর্কিত স্থানে নিয়ে যায়।
প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- জারদিনেস মন্টেসাক্রো — প্যাবলো এস্কবারের সমাধি। এখানে দর্শনার্থীরা নীরবে শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
- লোরেনা — এই এলাকায় ছাদে পলায়নকালে পুলিশ ও ডিইএ-র গুলিতে এস্কবার নিহত হন। এই দৃশ্য ফার্নান্দো বোতেরোর চিত্রকর্মেও অমর হয়ে আছে।
- বারিও প্যাবলো এস্কবার — স্থানীয়রা তাকে রবিন হুডের মতো মনে করত, কারণ তিনি গরিবদের সহায়তা, খেলার মাঠ ও স্কুল নির্মাণ করেছিলেন।
- হাসিয়েন্ডা নাপোলেস — মেডেলিন শহরের বাইরে অবস্থিত এস্কবারের প্রাসাদ। এখানে বিমানবন্দর, ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা ও বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধা ছিল। বর্তমানে এটি একটি জনপ্রিয় জল উদ্যান।
- এল ক্যাথেড্রাল — এস্কবার নির্মিত ব্যক্তিগত জেল, যেখানে সব ধরনের বিলাসিতা ছিল। বর্তমানে এটি একটি মঠে রূপান্তরিত হয়েছে।
বোগোটায় পর্যটকরা হোটেল টেকুয়েনডামি-তে থাকতে পারেন, যেখানে একসময় এস্কবার গৃহবন্দী ছিলেন। হোটেলকর্মীরা তার ব্যবহৃত কক্ষ প্রকাশ করে না। টুলুম, মেক্সিকোতে কাসা মালকা রয়েছে, যা ছিল এস্কবারের ব্যক্তিগত সমুদ্রতীরবর্তী অবকাশকেন্দ্র।
কালি কার্টেলের পতনের পর কলম্বিয়ার কার্টেলগুলো তুলনামূলকভাবে কম সহিংস হলেও এখনও সক্রিয়। নর্টে দেল ভালে কার্টেল (কাউকা উপত্যকা ভিত্তিক) ও নর্থ কোস্ট কার্টেল (বারাঙ্কিলা ভিত্তিক) উল্লেখযোগ্য। তবে এসব এলাকায় মাদক পর্যটন তেমন জনপ্রিয় নয়।
কলম্বিয়ার প্রভাব কমে গেলে মেক্সিকোর কার্টেলগুলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অপরাধচক্রে পরিণত হয়। এদের নিয়ে বহু চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মিত হয়েছে, বিশেষত নেটফ্লিক্স সিরিজ 'নারকোস মেক্সিকো'। সবচেয়ে প্রকাশ্য মাদক পর্যটন দেখা যায় সিনালোয়া রাজ্যে, বিশেষ করে মাজাটলান ও কুলিয়াকানে।
মাজাটলানে কয়েকটি গলফ-কার ট্যাক্সি রয়েছে, যেগুলো পর্যটকদের সিনালোয়া কার্টেলের কুখ্যাত নেতা এল চাপোর সঙ্গে সম্পর্কিত স্থানে নিয়ে যায়। একটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান হলো টলুকার আলতিপ্লানো উচ্চ-নিরাপত্তা কারাগার। এখান থেকে এক মাইল দীর্ঘ সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এল চাপোকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়েছিল। সুড়ঙ্গটি আলো ও বাতানুকূল ব্যবস্থা সম্বলিত ছিল এবং দ্রুত যাতায়াতের জন্য একটি মোটরসাইকেল রাখা হয়েছিল।
কুলিয়াকানে দর্শনযোগ্য স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিলা দে জেসুস মালভার্দে, যিনি মাদক ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষক সন্ত হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও আছে জারদিনেস দে হুমায়া সমাধিক্ষেত্র, যেখানে কার্টেল সদস্যদের জন্য বিলাসবহুল কবর তৈরি করা হয়েছে। এসব সমাধিতে বাতানুকূল যন্ত্র ও কেবল টেলিভিশন পর্যন্ত রয়েছে।
২০২০-এর দশকে সবচেয়ে কুখ্যাত অপরাধী সংগঠন ছিল গাল্ফ কার্টেল ও জেটাস, যারা তামাউলিপাসে মার্কিন সীমান্তের কাছে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এদের কার্যক্রম সম্পর্কিত স্থানে ছবি তোলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
হংকংয়ের মতো তাইওয়ানও ট্রায়াডদের জন্য পরিচিত, যারা স্থানীয় চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাইপেই শহরের পুরোনো তাইপেই জেলার ওয়ানহুয়া এলাকা ট্রায়াডদের ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত, বিশেষত ২০১০ সালের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র 'মঙ্গা'-এর কারণে। ওয়ানহুয়ার হুয়াক্সি স্ট্রিট একসময় কুখ্যাত লালবাতি এলাকা ছিল, যেখানে পতিতালয়, অশ্লীল ব্যবসা ও সাপের মাংসের রেস্তোরাঁ চালু ছিল। এসবের অনেকটাই ট্রায়াডের সঙ্গে যুক্ত ছিল। বর্তমানে এলাকা সংস্কার করা হয়েছে এবং পারিবারিক-বান্ধব নাইট মার্কেট হিসেবে পরিচিত, যেখানে জনপ্রিয় তাইওয়ানি খাবার পাওয়া যায়। ট্রায়াডরা তাদের প্রবীণ সদস্যদের জন্য জাঁকজমকপূর্ণ ভোজের আয়োজন করে, যেখানে বিলাসবহুল গাড়ি ও অভিজাত অতিথিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]- রবিন হুড পর্যটন — মধ্যযুগীয় লোকনায়ক রবিন হুড, যিনি আধুনিক অনেক অপরাধীর কাছে রোল মডেল হিসেবে পরিচিত।
{{#assessment:প্রসঙ্গ|রূপরেখা}}