বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে
ভ্রমণ প্রসঙ্গ > সাংস্কৃতিক আকর্ষণ > সরকার ও রাজনীতি পর্যটন > সরকারি বাসস্থান

সরকারি বাসস্থান

পরিচ্ছেদসমূহ

বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেরই রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের জন্য একটি বা একাধিক সরকারি বাসভবন রয়েছে, যদিও এসব ভবনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আসলে বসবাস করেন কি না, তা দেশভেদে ভিন্ন হতে পারে। এই ভবনগুলো সাধারণত দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা, যেগুলো দর্শনার্থীরা বাইরে থেকে দেখতে চাইতে পারেন, এমনকি যদি সেগুলো সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত না-ও হয়।

মানচিত্র
সরকারি বাসস্থানের মানচিত্র

বর্তমান বাসভবনসমূহ

[সম্পাদনা]

আফ্রিকা

[সম্পাদনা]

এশিয়া

[সম্পাদনা]

ব্রুনাই

[সম্পাদনা]
  • 1 ইস্তানা নুরুল ইমান, বান্দার সেরি বেগাওয়ান ব্রুনাইয়ের সুলতানের সরকারি বাসভবন। বিপুল তেলসম্পদের কারণে সুলতান বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি, যা প্রাসাদের বিশালতা ও জাঁকজমকের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রতিবছর হারি রায়া আইদিলফিতরি (ঈদুল ফিতর)-এর দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ দিন পর্যন্ত তিন দিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। এ সময় পুরুষেরা সুলতানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারেন এবং নারীরা সুলতানের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সাধারণ মানুষের জন্য বিনা মূল্যে দুপুরের খাবারেরও ব্যবস্থা থাকে। (Q1323932)

কম্বোডিয়া

[সম্পাদনা]
ফনম পেনের রয়্যাল প্যালেসের সিংহাসন কক্ষ
  • 2 রয়্যাল প্যালেস (প্রোহ্ বরম রাজ্যোঙ্ঙ্), ফনম পেন কম্বোডিয়ার রাজার সরকারি বাসভবন। অধিকাংশ ভবন, বিশেষত সিংহাসন কক্ষ, ঐতিহ্যবাহী খমের স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। তবে নেপোলিয়ন তৃতীয় প্যাভিলিয়ন ফরাসি ঔপনিবেশিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। প্রাসাদ প্রাঙ্গণে রয়েছে সিলভার প্যাগোডা, যা সমগ্র কম্বোডিয়ার পবিত্রতম বৌদ্ধ মন্দির এবং বৌদ্ধদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। যদিও বেশিরভাগ ভবন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবু নির্দিষ্ট সময়ে দর্শনার্থীরা প্রাসাদের অংশবিশেষে প্রবেশ করতে পারেন এবং বাইরে থেকে সিংহাসন কক্ষ দেখতে পারেন। (Q420618)
  • 3 গভর্নমেন্ট হাউস (লেই বিন ফু), সেন্ট্রাল মূলত ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে হংকংয়ের গভর্নরের সরকারি বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়। চীনে ফেরত যাওয়ার পর এটি হংকংয়ের প্রধান নির্বাহীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিবছর দুই দিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে— বসন্তকালে বাগানের ফুল ফোটার সময় এবং শরৎকালে। (Q838415)
  • 4 রাষ্ট্রপতি ভবন (রাষ্ট্রপতি ভবন (राष्ट्रपति भवन)), নতুন দিল্লি ভারতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা মূলত ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতের ভাইসরয়ের বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। এখানে একটি মুঘল-শৈলীর বাগান রয়েছে, যার নাম অমৃত উদ্যান, অর্থাৎ “অমৃতের বাগান”। জনসাধারণের জন্য নির্দিষ্ট ট্যুরের ব্যবস্থা রয়েছে, যা সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত হয়, তবে আগেই বুকিং করতে হয়। (Q677555)
  • 5 প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস, ভিয়েনতিয়েন লাওসের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। এটি মেকং নদীর তীরে লাওসের রাজাদের প্রাক্তন রাজপ্রাসাদের স্থানে নির্মিত আধুনিক ২১শ শতকের একটি ভবন, যেখানে ফরাসি ঔপনিবেশিক ও ঐতিহ্যবাহী লাও শৈলীর সমন্বয় দেখা যায়। ভবনটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে বাইরের ফটক থেকে সম্মুখভাগ দেখা যায়। কাছেই রয়েছে হোর ফ্রা কেও, যা রাজপ্রাসাদকালে রাজকীয় মন্দির ছিল, বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। (Q15268539)

মালয়েশিয়া

[সম্পাদনা]
  • 6 ইস্তানা নেগারা, পশ্চিমাঞ্চল, কুয়ালালামপুর মালয়েশিয়ার রাজা (ইয়াং দি-পারতুয়ান আগং)-এর সরকারি বাসভবন। রাজত্ব প্রতি পাঁচ বছর অন্তর দেশের নয়টি রাজ্যের রাজাদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ঘুরে আসে। এটি একটি আধুনিক স্থাপনা, যেখানে ঐতিহ্যবাহী ইসলামি স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব রয়েছে। সাধারণত দর্শনার্থীরা শুধু প্রধান ফটকের সামনে ছবি তুলতে পারেন। তবে প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের প্রথম দিনে প্রাসাদের চত্বর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং সেখানে বিনা মূল্যে দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়। (Q6088543)
  • 7 সেরি পেরদানা, পুত্রজায়া মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী-এর সরকারি বাসভবন। আবাসিক অংশ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে পূর্বনির্ধারিত ট্যুরের মাধ্যমে প্রোটোকল ব্লক ও ভোজসভা ব্লক দর্শন করা যায়, যদি এগুলোতে রাষ্ট্রীয় অতিথি আপ্যায়নের অনুষ্ঠান না থাকে। (Q2649073)

জাপান

[সম্পাদনা]
টোকিও ইম্পেরিয়াল প্যালেসে জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন জাপানের সম্রাট
  • 8 টোকিও ইম্পেরিয়াল প্যালেস (কোক্যো), চিয়োদা, টোকিও এডো যুগে টোকুগাওয়া শোগুনদের প্রধান বাসভবন ছিল। বর্তমানে এটি জাপানের সম্রাটের সরকারি বাসভবন। ভবনগুলো জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। তবে প্রতিবছর দুটি দিনে— নতুন বছরের দ্বিতীয় দিনে এবং সম্রাটের জন্মদিনে— প্রাসাদের প্রাঙ্গণ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, যখন সম্রাট প্রধান অভ্যর্থনা হলে উপস্থিত হয়ে জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। (Q2151874)

ফিলিপাইন

[সম্পাদনা]
  • 9 মালাকানিয়াং প্যালেস (পালাস্যো ঙ্ মালাকানিয়াং), ইউনিভার্সিটি বেল্ট, ম্যানিলা ফিলিপাইনের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। মূল ভবন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। তবে প্রাসাদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত একটি জাদুঘর দর্শন করা যায়। (Q942688)

কাতার

[সম্পাদনা]
  • 10 আমিরি দিওয়ান (আদ-দিওয়ান আল-আমিরি), দোহা কাতারের আমিরের সরকারি বাসভবন। দর্শনার্থী কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রাসাদ প্রাঙ্গণের ট্যুর বুক করা যায়। (Q19406958)

সিঙ্গাপুর

[সম্পাদনা]
  • 11 ইস্তানা, অর্চার্ড রোড সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, একটি সুন্দর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ভবন যা ঐতিহ্যবাহী মালয় ও ভারতীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রভাব বহন করে। এর প্রাঙ্গণে রয়েছে নয়-হোলের গলফ কোর্স। বছরে পাঁচ দিনে এটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে: চীনা নববর্ষ, হরিরায়া পুয়াসা (ঈদুল ফিতর), দীপাবলি, শ্রমিক দিবস ও জাতীয় দিবস। ইস্তানার প্রাঙ্গণে আরও রয়েছে শ্রী তেমাসেক, যা সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, যদিও কোনো প্রধানমন্ত্রী সেখানে বসবাস করেননি এবং এটি কেবল কর্মস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। (Q843531)

তাইওয়ান

[সম্পাদনা]
  • 12 প্রেসিডেন্সিয়াল অফিস ভবন (চোংতংফু), ঝংঝেং জেলা, তাইপেই তাইওয়ানের প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির প্রধান কর্মস্থল। এটি মূলত জাপানের গভর্নর-জেনারেলের বাসভবন হিসেবে ঔপনিবেশিক যুগে নির্মিত হয়েছিল, যেখানে বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের ইউরোপীয় প্রভাবিত জাপানি স্থাপত্যশৈলী ব্যবহার করা হয়। প্রতিবছর কয়েকদিন এটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। অন্যান্য অনেক দেশের রাষ্ট্রপতির বাসভবনের মতো নয়, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্সিয়াল অফিস ভবনে কোনো আবাসিক কক্ষ নেই। রাষ্ট্রপতির বাসভবন আলাদা স্থানে অবস্থিত, যা সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। (Q55601)

থাইল্যান্ড

[সম্পাদনা]
  • 13 গ্র্যান্ড প্যালেস (ফ্‌রাবরোম্‌ মহারাটচাও্যাং), রত্তানাকোসিন, ব্যাংকক থাইল্যান্ডের রাজার সরকারি বাসভবন, যদিও রাজা এখানে বসবাস করেন না। প্রাসাদের প্রাঙ্গণে রয়েছে এমারেল্ড বুদ্ধের মন্দির, যা থাইল্যান্ডের সবচেয়ে পবিত্র বৌদ্ধ মন্দির এবং থাই বৌদ্ধদের জন্য একটি জনপ্রিয় তীর্থস্থান। দর্শনার্থীরা সাধারণত প্রাসাদের প্রাঙ্গণের কিছু অংশ ঘুরে দেখতে পারেন, তবে ভবনগুলিতে প্রবেশের অনুমতি নেই। প্রাসাদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো চাক্রি মহা প্রসাত হল, যা উনবিংশ শতাব্দীর বিভিন্ন ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত হলেও এর উপর রয়েছে ঐতিহ্যবাহী থাই ছাদ। (Q873769)

সংযুক্ত আরব আমিরাত

[সম্পাদনা]
  • 14 কাসর আল-ওয়াতান (কাসর আল-ওয়াতান), আবু ধাবি সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা সাধারণত আবু ধাবির শেখের কাছে থাকে। এটি রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা না থাকলে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে আগে থেকে টিকিট বুক করতে হয়। (Q61973220)

ভিয়েতনাম

[সম্পাদনা]
  • 15 প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস (ফু চু তিচ), হ্যানয় ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, একটি চমৎকার ফরাসি ঔপনিবেশিক প্রাসাদ, যা মূলত ফরাসি ইন্দোচীনের গভর্নর-জেনারেলের বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। ভবনটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে দর্শনার্থীরা প্রাঙ্গণের কিছু অংশে হাঁটতে পারেন। সরকারি বর্ণনা অনুযায়ী, হো চি মিন প্রতীকী কারণে প্রাসাদে বসবাস করতে অস্বীকার করেছিলেন এবং প্রাসাদের প্রাঙ্গণে একটি সাধারণ ভিয়েতনামি ঐতিহ্যবাহী খুঁটির ঘর নির্মাণের নির্দেশ দেন, যা তার বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বর্তমানে সেই খুঁটির ঘরটি একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে যেখানে পর্যটকরা ভ্রমণ করতে পারেন। (Q864758)

ইউরোপ

[সম্পাদনা]

অস্ট্রিয়া

[সম্পাদনা]
  • 16 হফবুর্গ, ইনারে শ্টাড, ভিয়েনা একসময় হ্যাবসবার্গ সম্রাটদের প্রধান বাসভবন ছিল এটি। ১৯৪৬ সাল থেকে এটি অস্ট্রিয়ার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। প্রাসাদের বেশিরভাগ অংশ, যার মধ্যে রয়েছে ইম্পেরিয়াল অ্যাপার্টমেন্টস, প্রতিদিন সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। তবে বর্তমান রাষ্ট্রপতির কার্যালয় সাধারণের জন্য নিষিদ্ধ। (Q46242)
  • 17 ফেডারেল চ্যান্সেলরি (বুন্ডেস্কানজলারআম্ট), ইনারে শ্টাড, ভিয়েনা বালহাউসপ্লাত্‌জে অবস্থিত এই ভবনটি অস্ট্রিয়ার সরকারের প্রধান, চ্যান্সেলরের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়। (Q668916)

চেক প্রজাতন্ত্র

[সম্পাদনা]
  • 18 প্রাগ ক্যাসেল (প্রাজস্কি হ্রাদ), ক্যাসেল, প্রাগ মূলত বোহেমিয়ার রাজাদের আসন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল এবং এখনো এখানে রাজমুকুটের গহনা সংরক্ষিত রয়েছে। বর্তমানে এটি চেক প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। প্রায় সারা বছর এটি ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে রাজমুকুটের গহনা প্রতি পাঁচ বছর অন্তর মাত্র একবার প্রদর্শন করা হয়। (Q193369)


ডেনমার্ক

[সম্পাদনা]
  • 19 আমালিয়েনবর্গ, ইন্দ্রে বাই, কোপেনহেগেন ডেনমার্কের রাজার সরকারি বাসভবন। এটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে বাইরে থেকে দেখা যায়। আমালিয়েনবর্গের প্রাঙ্গণে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান অষ্টম-এর প্রাসাদে রয়েছে রয়্যাল মিউজিয়াম, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারে। (Q211053)

ফিনল্যান্ড

[সম্পাদনা]
প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস, ফিনল্যান্ড
  • 20 কেসারান্তা (ভিলা বিয়েলবো) (মেইলাহতি, হেলসিঙ্কি)। ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। ১৮৭৩ সালে সমুদ্রতীরে নির্মিত একটি ভিলা, যা মূলত স্থপতি এফ. এল. ক্যালোনিয়াসের গ্রীষ্মকালীন বাসভবন ছিল। ১৯০৪ সালে এটি গভর্নর জেনারেলের বাসভবন হয়। স্বাধীনতার পর ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীরা এটি গ্রীষ্মকালীন বাসভবন হিসেবে ব্যবহার করতেন এবং ১৯৫২ সালে এটি আনুষ্ঠানিক বাসভবনে রূপান্তরিত হয়। তবে কেবলমাত্র কিছু প্রধানমন্ত্রী এখানে বসবাস করেছেন। (Q3068796)
  • 21 কুলতারান্তা (গুলরান্ডা) (নান্তালি, দক্ষিণ-পশ্চিম ফিনল্যান্ড)। রাষ্ট্রপতির গ্রীষ্মকালীন বাসভবন। এখানে উদ্যানের গাইডেড ট্যুর উপলব্ধ রয়েছে। (Q1746455)
  • 22 মান্তিনিয়েমি (তাল্লুদ্দেন) (মেইলাহতি, হেলসিঙ্কি)। বাগানের মাঝে অবস্থিত এই বৃহৎ সমুদ্রতীরবর্তী ভিলা ফিনিশ প্রকৃতির প্রতীকী রূপ বহন করে। ১৯৯৩ সাল থেকে এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। কেবলমাত্র রাস্তা থেকে আংশিক দেখা যায়। (Q957236)
  • 23 প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস (প্রেসিডেন্টিনলিন্না) (কেন্দ্রীয় হেলসিঙ্কি)। মূলত একজন বণিকের বাসভবন হিসেবে নির্মিত এই ভবনটি পরবর্তীতে রাশিয়ার সম্রাটদের (ফিনল্যান্ডের গ্র্যান্ড ডিউক হিসেবে) বাসভবন হয়। ১৯১৮ সালে ফিনল্যান্ডের স্বাধীনতা লাভ ও গৃহযুদ্ধের পর একসময় এখানে রাজপ্রাসাদ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরে সাংবিধানিক কাঠামো অনুমোদিত হলে ১৯২১ সালে এটি রাষ্ট্রপতির প্রাসাদে রূপান্তরিত হয়। ১৯৯৩ সালের পর থেকে সব রাষ্ট্রপতি মান্তিনিয়েমিতে বসবাস করছেন, আর প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস কেবল প্রশাসনিক ও আনুষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত হয়। মাঝে মাঝে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারেন। (Q608346)

ফ্রান্স

[সম্পাদনা]
  • 24 এলিসি প্রাসাদ (পালে দ্য লেলিসে), ৮ম আ্যারঁদিসমঁ, প্যারিস মূলত এক ফরাসি সামরিক কর্মকর্তা ও অভিজাত ব্যক্তির বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। প্রতি বছর সেপ্টেম্বরে ইউরোপীয় ঐতিহ্য দিবস উপলক্ষে তৃতীয় সপ্তাহান্তে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত হয়। (Q188190)

জার্মানি

[সম্পাদনা]
  • 25 বেলভিউ প্রাসাদ (শ্লস বেলভ্যু), বার্লিন মূলত প্রুশিয়ার এক রাজপুত্রের বাসভবন হিসেবে নির্মিত এই প্রাসাদ ঠান্ডা যুদ্ধের সময় পশ্চিম জার্মানির রাষ্ট্রপতির বার্লিনের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হত। জার্মানির একীকরণের পর থেকে এটি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। এটি বছরে মাত্র একদিন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে সারা বছর বাইরে থেকে দেখা যায়। (Q317091)
  • 26 ফেডারেল চ্যান্সেলরি (বুন্ডেস্কানজলারআম্ট), বার্লিন জার্মানির সরকারের প্রধান চ্যান্সেলরের সরকারি বাসভবন। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে ২০০১ সালে নির্মিত হয়। সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়, তবে বাইরে থেকে দেখা যায়। (Q317027)

ইতালি

[সম্পাদনা]
  • 27 কুইরিনাল প্রাসাদ (পালাজ্জো দেল কুইরিনালে), আধুনিক কেন্দ্র, রোম মূলত পাপাল স্টেটস আমলে পোপদের গ্রীষ্মকালীন বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি ইতালির রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। দর্শনার্থীরা অন্তত ৫ দিন আগে প্রাসাদ ভ্রমণের জন্য বুকিং করতে পারেন। (Q223079)
  • 28 চিগি প্রাসাদ (পালাজ্জো চিগি), আধুনিক কেন্দ্র, রোম রেনেসাঁ ও বারোক যুগের এই প্রাসাদ পিয়াজা কলোনায় অবস্থিত। এটি একাধিক মালিকানার হাতবদলের পর ১৯১৬ সালে ইতালীয় রাষ্ট্র কিনে নেয়। বর্তমানে এটি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। চিগি পরিবার, যারা সিয়েনার এক অভিজাত পরিবার, সপ্তদশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে এটি মালিকানাধীন করেছিল। আগে থেকে গাইডেড ট্যুর বুক করলে সাধারণ মানুষ ভ্রমণ করতে পারেন। (Q2047548)

নেদারল্যান্ডস

[সম্পাদনা]
  • 29 রয়্যাল প্রাসাদ (কোনিঙ্কলিজক প্যালেইস), বিনেনস্টাড, আমস্টারডাম ডাচ স্বর্ণযুগে নির্মিত নেদারল্যান্ডসের রাজার তিনটি সরকারি বাসভবনের মধ্যে সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ। তবে রাজা এখানে বসবাস করেন না। বর্তমানে এটি কেবল আনুষ্ঠানিক কাজ, যেমন রাজকীয় বিবাহ ও রাষ্ট্রীয় সফরে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের আতিথ্য জানানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। আনুষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত না হলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারে, তবে আগে থেকে টিকিট বুক করতে হয়। (Q1056152)
  • 30 নূর্ডেইন্দে প্রাসাদ (পালেইস নূর্ডেইন্দে), দ্য হেগ নেদারল্যান্ডসের রাজার তিনটি সরকারি বাসভবনের একটি এবং এটি তার প্রধান কর্মস্থল। ভবনটি নিজে খুব কম বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হয়। তবে দর্শনার্থীরা প্রাসাদের বাগানে হাঁটতে পারেন এবং বাইরে থেকে দেখতে পারেন। নতুন নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতেরা এখানে রাজাকে তাদের বিশ্বাসপত্র প্রদান করেন। (Q1889721)
  • 31 হুইস টেন বশ, দ্য হেগ নেদারল্যান্ডসের রাজার সরকারি বাসভবন। সপ্তদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ফ্রেডরিক হেনরি অব অরেঞ্জ এটি নির্মাণ করেন। প্রথমে এটি গ্রীষ্মকালীন আবাসন ছিল, তবে অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে উইলিয়াম চতুর্থ-এর সময় এটি প্রাসাদে উন্নীত হয়। বর্তমানে এটি রয়্যাল পরিবারের প্রধান বাসভবন। ২০১৯ সালে মূল আবাসস্থল হওয়ার পর থেকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত নয়। (Q1072284)

পর্তুগাল

[সম্পাদনা]
  • 32 বেলেম প্রাসাদ (পালাসিও দে বেলেম), আধুনিক কেন্দ্র, লিসবন পর্তুগালের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, যা আগে রাজাদের বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হত। মানারিস্ট ও বারোক স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত। শনিবারে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে আগে থেকে বুক করতে হয়। (Q1144592)

রাশিয়া

[সম্পাদনা]
  • 33 গ্র্যান্ড ক্রেমলিন প্রাসাদ (বলশয় ক্রেমলেভস্কি দভোরেৎস), ক্রেমলিন, মস্কো মূলত রাশিয়ার জারদের মস্কোর বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। অনুমোদিত ট্যুর কোম্পানির মাধ্যমে আগে থেকে বুক করলে সীমিত ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। (Q1370087)


স্পেন

[সম্পাদনা]
  • 34 পালাসিও রেয়াল, কেন্দ্র, মাদ্রিদ স্পেনের রাজার সরকারি বাসভবন, যদিও রাজা এখানে থাকেন না এবং বর্তমানে এটি প্রধানত রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য ব্যবহৃত হয়। আনুষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত না হলে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। (Q171517)

সুইডেন

[সম্পাদনা]
  • 35 রয়্যাল প্যালেস (কুংলিগা স্লত্তেত) (স্টকহোম/গামলা স্তান)। স্টকহোম প্রাসাদ এখনো সুইডেনের রাজার সরকারি বাসভবন হিসেবে রয়ে গেছে, তবে ১৯৭৩ সাল থেকে সিংহাসনে থাকা রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফ একিরো পৌরসভার দ্রোত্তনিংহলম প্রাসাদে বসবাস করেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত না হলে প্রাসাদের অধিকাংশ অংশ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত। প্রবেশ টিকিটের মধ্যে থাকে দ্য রয়্যাল অ্যাপার্টমেন্টস, ত্রে ক্রোনোর জাদুঘর, ট্রেজারি এবং গুস্তাভ তৃতীয়ের প্রাচীন সামগ্রীর জাদুঘর। ২০১১ সাল থেকে প্রাসাদের বাহ্যিক অংশের সংস্কার কাজ চলছে, যা ২০৩০-এর দশকে শেষ হওয়ার কথা। অন্যান্য রাজপ্রাসাদ ও বাসভবনের জন্য দেখুন নর্ডিক রাজতন্ত্রসমূহ (Q750444)
  • 36 দ্রোত্তনিংহলম প্রাসাদ (দ্রোত্তনিংহলম্‌স স্লত্ত) (একিরো)। রয়্যাল পরিবার দ্রোত্তনিংহলম প্রাসাদে থাকেন, যা লোভোন দ্বীপে মেলারেন হ্রদের ওপর অবস্থিত। অষ্টাদশ শতকের এই মনোরম প্রাসাদের বড় অংশই সাধারণের জন্য উন্মুক্ত। চারপাশের পরিবেশও হাঁটাহাঁটির জন্য দারুণ। (Q208559)
  • 37 সেগের হাউস (সাগেরস্কা হুসেত), স্ত্রোমগাতান ১৮ সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। ১৯০০ সালের নব্য-রেনেসাঁ শৈলীর এই প্রাসাদটি ছিল স্টকহোমের কেন্দ্রস্থলে ব্যক্তিগত বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত শেষ প্রাসাদ—শেষ বাসিন্দা, বিধবা ভেরা সাগের, ১৯৮৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৮৬ সালে ওলোফ পাল্‌মে হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজন দেখা দেয় এবং ১৯৯৫ সাল থেকে এটি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন। এখানে অল্প কিছু ভিআইপি অনুষ্ঠান হয়; সংবাদ সম্মেলন ও সংবর্ধনা হয় কাছের মন্ত্রিপরিষদভবন রোসেনবাদে। প্রেক্ষাপটের জন্য দেখুন স্টকহোম কুই প্যালেস ট্যুর (Q1886105)

সুইজারল্যান্ড

[সম্পাদনা]
  • 38 ফেডারেল প্যালেস, বার্ন সুইজারল্যান্ডের নির্বাহী সংস্থা ফেডারেল কাউন্সিল-এর কার্যালয়। অধিকাংশ দেশের মতো এখানে একক কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান নেই; পুরো ফেডারেল কাউন্সিলই সম্মিলিতভাবে উভয় ভূমিকা পালন করে। সাতজন কাউন্সিলরের মধ্যে থেকে প্রতি বছর পালাক্রমে সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন; ওই বছরের ভাইস-প্রেসিডেন্ট পরের বছরের প্রেসিডেন্ট হন। ফেডারেল কাউন্সিলের বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতিত্ব করা ছাড়া প্রেসিডেন্ট প্রাইমাস ইন্টার পারেস—অন্য ছয়জনের ওপর বাড়তি কোনো ক্ষমতা নেই। (Q30911)

যুক্তরাজ্য

[সম্পাদনা]
আরও দেখুন: যুক্তরাজ্যের রাজতন্ত্র
বাকিংহাম প্যালেস-সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত বর্তমান শাসকের বাসভবন
  • 39 বাকিংহাম প্যালেস, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন যুক্তরাজ্যের রাজার প্রধান লন্ডন বাসভবন। গ্রীষ্মে প্রায় ১০ সপ্তাহ এবং শীত-봄ে নির্বাচিত কিছু দিনে সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। (Q42182)
  • 40 ১০ ডাউনিং স্ট্রিট, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন ব্রিটিশ সরকারের প্রধান, অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন। রাসাটি সাধারণের জন্য বন্ধ; তবে ফটকের বাইরে থেকে বিখ্যাত সামনের দরজাটি এক নজর দেখা যায়। (Q169101)
  • 41 সেন্ট জেমস্‌স প্যালেস, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন সম্রাটের রাজদরবারের আনুষ্ঠানিক আসন এবং ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। সাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়; তবে বাইরে থেকে ‘চেঞ্জিং অব দ্য গার্ড’ দেখা যায় এবং এটি পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়। (Q272162)
  • 42 উইন্ডসর ক্যাসেল, উইন্ডসর ও ইটন, ইমেইল: গ্রামীণ সরকারি বাসভবন এবং রানি এলিজাবেথ দ্বিতীয়ের জীবদ্দশায় প্রধান সাপ্তাহিক ছুটির বাসভবন। বিশ্বের প্রাচীনতম অবিচ্ছিন্নভাবে বসতিপূর্ণ দুর্গগুলোর একটি। রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত না হলে স্টেট রুমসমূহ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে সম্রাটের ব্যক্তিগত অংশে প্রবেশ নিষিদ্ধ। (Q42646)
  • 43 হোলিরুড প্যালেস, এডিনবরো স্কটল্যান্ডে সম্রাটের সরকারি বাসভবন। (Q505950)
  • 44 হিল্সবরো ক্যাসেল, বেলফাস্ট উত্তর আয়ারল্যান্ডে সম্রাটের সরকারি বাসভবন। (Q1275686)

ওশেনিয়া

[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়া

[সম্পাদনা]
অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর-জেনারেলের সরকারি বাসভবন-গভর্নমেন্ট হাউস-ক্যানবেরার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবাস
  • 45 গভর্নমেন্ট হাউস, দক্ষিণ ক্যানবেরা, ক্যানবেরা অস্ট্রেলিয়ার রাজা হিসেবে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সরকারি বাসভবন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর-জেনারেলের সরকারি বাসভবন। বছরে ২ দিন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে—গ্রীষ্মে ১ দিন ও শরতের এক দিন। তবে সারা বছর খোলা একটি দর্শনমঞ্চ রয়েছে। (Q1464941)
  • 46 অ্যাডমিরালটি হাউস, কিরিবিলি, সিডনি অস্ট্রেলিয়ায় রাজার দ্বিতীয় সরকারি বাসভবন, ফেডারেশন স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। বছরে শরতের ১ দিন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে। (Q3383090)
  • 47 দ্য লজ, ক্যানবেরা অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সরকারি বাসভবন। মাঝে মাঝে ‘ওপেন হাউস’ আয়োজন হয়, যখন এর প্রাঙ্গণটি সাধারণের জন্য খোলা থাকে। (Q493955)

নিউজিল্যান্ড

[সম্পাদনা]
  • 48 গভর্নমেন্ট হাউস, ওয়েলিংটন নিউজিল্যান্ডের রাজা হিসেবে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সরকারি বাসভবন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে নিউজিল্যান্ডের গভর্নর-জেনারেলের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত। যা টিউডর রিভাইভাল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। আগে থেকে বুকিং দিলে জনসাধারণের জন্য ভ্রমণ গাইডের সেবা পাওয়া যায়। (Q5588893)

উত্তর আমেরিকা

[সম্পাদনা]

কানাডা

[সম্পাদনা]
  • 49 রিডো হল, অটোয়া কানাডার রাজা হিসেবে রাজা চার্লস তৃতীয়ের সরকারি বাসভবন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে কানাডার গভর্নর-জেনারেলের প্রধান সরকারি বাসভবন। (Q2151874)
  • 50 সিতাদেল দ্য কেবেক, ক্যুবেক সিটি কানাডায় রাজার দ্বিতীয় সরকারি বাসভবন, প্রাচীন শহর কেবেকের প্রাচীরঘেরা অংশে একটি সক্রিয় সামরিক ঘাঁটির ভেতরে অবস্থিত। বাসভবনে প্রবেশ করা না গেলেও সিতাদেল গাইডেড ট্যুরে দেখা যায়—বাইর থেকে বাসভবনটিও দেখা যায়—এবং গ্রীষ্মে ‘চেঞ্জিং অব দ্য গার্ড’ অনুষ্ঠান দেখা যায়। (Q1093313)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

[সম্পাদনা]
আরও দেখুন: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিগণ
হোয়াইট হাউস-সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত বাসভবন
  • 51 হোয়াইট হাউস, ১৬০০ পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউ এনডব্লিউ, ওয়াশিংটন, ডি.সি. (ওয়েস্ট এন্ড)। সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত বাসভবন—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আবাস, যিনি অনেকের মতে পৃথিবী নামক গ্রহের সবচেয়ে ক্ষমতাবান ব্যক্তি। দর্শনার্থীরা সামনের ফটকের বাইরে থেকে বাহিরাংশ দেখতে পারেন। আপনি যদি মার্কিন নাগরিক হন, তাহলে আপনার সিনেটর বা প্রতিনিধি সদস্যের মাধ্যমে ট্যুর বুক করা যায়। বিদেশিদের ক্ষেত্রে তত্ত্বগতভাবে নিজ নিজ দূতাবাসের মাধ্যমে বুকিং করা সম্ভব হলেও, বাস্তবে সাধারণ মানুষের পক্ষে তা প্রায় অসম্ভব—কারণ দূতাবাস-আয়োজিত ট্যুরে অংশ নিতে হলে একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিককে সঙ্গে থাকতে হয়। (Q35525)

দক্ষিণ আমেরিকা

[সম্পাদনা]

আর্জেন্টিনা

[সম্পাদনা]
  • 52 কিন্তা দে অলিভোস, বুয়েন্স আয়ার্স ১৯৫৫ সাল থেকে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন। এর আগে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতিরা নিজেদের ব্যক্তিগত বাসভবনেই থাকতেন। কিন্তা দে অলিভোস কেবল আবাস; রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক কার্যক্রম চলে কাসা রোসাদা ভবনে। (Q168757)
  • 53 কাসা রোসাদা (পালাসিও দে গোবিয়েরনো), বুয়েন্স আয়ার্স আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক প্রাসাদ। এখানেই রাষ্ট্রপতির সরকারি কাজকর্ম হয় এবং বিদেশি বিশিষ্ট অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ও তাঁর পরিবার বাস্তবে কিন্তা দে অলিভোসে বসবাস করেন। (Q478926)

ব্রাজিল

[সম্পাদনা]
  • 54 পালাসিও দা আলভোরাদা, ব্রাসিলিয়া অস্কার নিয়েমেয়ারের নকশা করা আধুনিকতাবাদী প্রাসাদ। ১৯৫৮ সালে নতুন রাজধানীতে সম্পন্ন হওয়া প্রথম সরকারি ভবন এটিই। (Q838415)


সান্তিয়াগোর পালাসিও দে লা মোনেদা
  • 55 পালাসিও দে লা মোনেদা, সান্তিয়াগো চিলির প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। ভবনটি মূলত দেশটির টাকশাল ছিল—১৯২৯ সাল পর্যন্ত এখানে মুদ্রা তৈরি হতো (সেই থেকেই নাম ‘মোনেদা’)। এরপর থেকে এটি প্রেসিডেন্সির সরকারি আসন। প্রেসিডেন্টের একটি গ্রীষ্মকালীন কান্ট্রি হাউসও আছে—পালাসিও দে সেরো কাস্তিয়ো (Q1146881)

কলম্বিয়া

[সম্পাদনা]
  • 56 কাসা দে নারিনো, বোগোটা/লা কানদেলারিয়া ১৯০৮ সাল থেকে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। উত্তর পাশে প্লাজা দে আরমাস রয়েছে, যেখানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ও রাষ্ট্র অতিথি অভ্যর্থনা হয়। (Q2940775)
  • 57 পালাসিও দে গোবিয়ের্নো (পিজারোর বাড়ি), লিমা পেরুর ক্ষমতার সরকারি আসন ঐতিহাসিক কাসা দে পিসারো—১৫৩৫ সালে নির্মিত। ১৯৩৭ সালে নব্য-বারোক শৈলীতে বড় সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ হয় এবং এরপর থেকে সরকারিভাবে ‘গভর্নমেন্ট প্যালেস’ নামে পরিচিত (যদিও অনেকে পুরনো নামই ব্যবহার করেন)। (Q385938)

ভেনেজুয়েলা

[সম্পাদনা]
  • 58 মিরাফ্লোরেস প্রাসাদ, কারাকাস ১৮৯৭ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। (Q607224)

প্রাক্তন বাসভবন

[সম্পাদনা]
  • 1 চানকায়া ম্যানশন, আঙ্কারা তুরস্কের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি-আবাস—দেরি অটোমান আমলের ভবন, পরে পশ্চিমা ও তুর্কি শৈলীর সংযোজনে সম্প্রসারিত। ২০১৮ সাল থেকে এটি একটি জাদুঘর। ওই বছর রাষ্ট্রপতির বাসভবন ‘আক প্রাসাদ’-এখানে স্থানান্তরিত হয়। এটি বুখারেস্টের সংসদ ভবনের মতোই এক হাজারের বেশি কক্ষবিশিষ্ট বিশাল স্থাপনা। (Q8077521)
  • 2 কাতেতে প্রাসাদ (রিপুবলিকা মিউজিয়াম), রিও দে জেনেইরো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন সরকারি বাসভবন—১৯৬০ সালে রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় সরানোর আগ পর্যন্ত। (Q1142766)
লস পিনোস
  • 3 লস পিনোস, কাসা মিগুয়েল আলেমান, পিবি, কর্নেল সান মিগুয়েল চ্যাপুল্টেপেক, সিডিএমএক্স, মেক্সিকো (চাপুলতেপেক পার্ক সেকশন I–এর দক্ষিণ প্রান্ত), +৫২ ৫৫ ৪১৫৫ ০২০০ ১৯৩৫–২০১৮ সালে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেস ওব্রাদোর প্রেসিডেন্টের দপ্তর ও আবাস পালাসিও নাসিওনালে স্থানান্তর করেন এবং লস পিনোস জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেন। (Q2418266)
নানজিংয়ের প্রজাতন্ত্রীকালের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের আইকনিক আর্ট ডেকো গেট
  • 4 প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস, নানজিং চীন প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন সরকারি বাসভবন—১৯৪৯ সাল পর্যন্ত; ওই বছর চীনা গৃহযুদ্ধে জাতীয়তাবাদীরা পরাজিত হয়ে তাইওয়ানে সরে যায়। এখানেই ১৯১১ সালে চিন রাজবংশ পতনের পর সান ইয়াত-সেন চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। প্রাসাদের সামনের গেটটি আর্ট ডেকো শৈলীর; কমপ্লেক্সের ভবনগুলো ইউরোপীয় ও ঐতিহ্যবাহী চীনা শৈলীর মিশ্রণ। মেইনল্যান্ড চীনে অতি বিরল স্থানগুলোর একটি, যেখানে এখনো চীন প্রজাতন্ত্রের পতাকা ওড়ে। (Q1065016)
  • 5 রয়্যাল প্যালেস (হাও খাম), লুয়াং প্রাবাং লাওসের রাজার প্রাক্তন সরকারি বাসভবন—বিজয়ী কমিউনিস্টরা রাজতন্ত্র উৎখাত করে লাওসের গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এটি জাদুঘরে রূপান্তর করে। প্রাসাদ প্রাঙ্গণেই আছে হাও ফা ব্যাং—প্রাক্তন রাজকীয় মন্দির—যেখানে লাওসের সবচেয়ে পবিত্র বুদ্ধমূর্তি রক্ষিত। (Q3361219)
  • 6 রয়্যাল মিউজিয়াম (মুজিয়াম দিরাজা), জালান ইস্তানা, কুয়ালালামপুর ১৯৫৭–২০১১ সালে মালয়েশিয়ার রাজার সরকারি বাসভবন। রাজা নতুন প্রাসাদে চলে যাওয়ার পর এটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়; এখানে রাজপরিবারের পূর্বে ব্যবহৃত আবাসিক ও কর্মক্ষেত্রগুলো দেখা যায়। (Q1674837)
  • 7 স্বাধীনতা প্রাসাদ (দিন দক্ লাপ), হো চি মিন সিটি দক্ষিণ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের প্রাক্তন সরকারি বাসভবন; ১৯৬০-এর দশকের আমেরিকান-প্রভাবিত স্থাপত্যের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। সাইগন পতনের পর বিজয়ী কমিউনিস্টরা এটিকে জাদুঘরে রূপান্তর করে এবং এখন এটি বড় পর্যটন আকর্ষণ। দর্শনার্থীরা স্টেট রিসেপশন রুম, আবাসিক অংশ এবং বেজমেন্টে ভিয়েতনাম যুদ্ধ–পর্বের ফেলে যাওয়া মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম দেখতে পান। (Q933384)
  • 8 তাম্মিনিয়েমি (একুদ্দেন) (মেইলাহতি, পশ্চিম হেলসিঙ্কি)। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট উরহো কেকোনেন ১৯৮১ সালে পদত্যাগের পরও এই প্রেসিডেন্সিয়াল আবাসে থাকার সুযোগ পান; পরে এটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। (Q2459334)
  • 9 নারায়ণহিতি প্রাসাদ (কেন্দ্রীয় কাঠমান্ডু)। নেপালের রাজার প্রাক্তন বাসভবন—২০০৮ সালে রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পর জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়; ওই বছরের গণভোটে কমিউনিস্টদের গণজোয়ারের প্রেক্ষাপটে এই পরিবর্তন আসে। (Q1050042)
  • 10 ব্লু হাউস (চেওং ওয়া দাই), জংনো, সিউল ১৯৪৮–২০২২ সাল পর্যন্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন—ঐতিহ্যবাহী কোরিয়ান স্থাপত্য অনুরণিত শৈলীতে, তবে আধুনিক উপকরণে নির্মিত; নীল ছাদের জন্য নাম। ২০২২ সালের মে মাসে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইউন সোক-ইওল এটি থেকে প্রেসিডেন্টের দপ্তর ও আবাস সরিয়ে দেন এবং প্রাঙ্গণ জনসাধারণের জন্য পার্ক হিসেবে উন্মুক্ত করা হয়। তবে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক দর্শনার্থী ঢুকতে পারে; তাই আগাম বুকিং জরুরি। (Q494577)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন

This TYPE সরকারি বাসস্থান has ব্যবহারযোগ্য অবস্থা TEXT1 TEXT2

{{#assessment:প্রসঙ্গ|ব্যবহারযোগ্য}}