বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

হনুলুলু

পরিচ্ছেদসমূহ

হাওয়াইয়ের রাজধানী এবং এর প্রধান প্রবেশপথ হলো হনুলুলু যেটি এই অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর। ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, এই মহানগর এলাকায় প্রায় ৯,৮০,০০০ মানুষ বসবাস করেন, যা পুরো রাজ্যের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ। ওআহু হলো দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলে অবস্থিত হনলুলু রাজ্যের সরকারি ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম বিমানবন্দর এবং পর্যটকদের সবচেয়ে জনপ্রিয় গন্তব্য—'ওয়াইকিকি বিচ' অবস্থিত।

শহরের বিশালতা এবং পর্যটকদের কাছে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে, যারা কোলাহলমুক্ত বা নির্জনে ছুটি কাটাতে চান এটি তাদের জন্য উপযুক্ত জায়গা নয়। অন্য যেকোনো বড় শহরের মতো হনলুলুও বেশ কর্মব্যস্ত এবং গতিশীল। সেই সাথে এখানে যানজট, অপরাধ ও গৃহহীনতার মতো নাগরিক সমস্যাগুলোও বিদ্যমান। তবে এত কিছুর মাঝেও হনলুলুতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভিন্ন সংস্কৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন লক্ষ্য করা যায়। এখানে রয়েছে হাওয়াইয়ের সেরা কিছু জাদুঘর, পার্ল হারবারের ঐতিহাসিক স্থান, হাওয়াই রাজপরিবারের প্রাচীন রাজপ্রাসাদ, চমৎকার সব সমুদ্রসৈকত এবং চোখ ধাঁধানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য—যা দ্বীপটির ধীরস্থির আবহাওয়া ও ঐতিহ্যের মায়া আজও ধরে রেখেছে।

হনলুলু শহরটি ওআহু দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল থেকে শুরু করে পার্ল হারবারের পূর্ব দিক থেকে মাকাপুর পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। এই শহরের ভেতরে অনেকগুলো পাড়া এবং এলাকা রয়েছে। আপনি প্রায়শই মানুষকে এই এলাকাগুলোকে কেবল তাদের নিজস্ব নামেই—যেমন ওয়াইকিকি, মানোয়া, কাহালা, হাওয়াই কাই ইত্যাদি—ডাকতে শুনবেন। মনে হবে যেন এগুলো একই শহরের অংশ নয় বরং সম্পূর্ণ আলাদা কোনো স্থান।

হনুলুলুর অঞ্চল, রং করা মানচিত্র
 ডাউনটাউন
এটি শহরের ঐতিহাসিক প্রাণকেন্দ্র; যেখানে রাজ্যের প্রধান প্রশাসনিক ভবন (স্টেট ক্যাপিটল), বেশ কিছু জাদুঘর, বন্দর এলাকা এবং হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র অবস্থিত।
 ওয়াইকিকি
এটি হাওয়াইয়ের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র: যেখানে সাদা বালুর সমুদ্রসৈকত, সার্ফিং বা রোদ পোহানো পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় এবং একের পর এক সুউচ্চ সব বিলাসবহুল হোটেল।.