এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন
এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > চট্টগ্রাম বিভাগ > কক্সবাজার জেলা > কক্সবাজার

কক্সবাজার

উইকিভ্রমণ থেকে
Jump to navigation Jump to search
কক্সবাজার পরিদৃশ্য

কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি উল্লেখযোগ্য শহর।

অনুধাবন[সম্পাদনা]

কক্সবাজার ১২০ কিলোমিটার (৭৫ মাইল) দীর্ঘ, যা পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

কক্সবাজার বিমানবন্দর, ২০১৬ সালে

স্থল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল ও বিমান সকল পথেই কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ৪৪০ কি.মি.। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে কক্সবাজার রুটের বাসগুলো ছেড়ে যায়। তবে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, কমলাপুর, মতিঝিল ও আরামবাগ থেকে অধিকাংশ বাস ছেড়ে যায়।

এই রুটে এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের বাস রয়েছে। এই রুটে চলাচলকারী উল্লেখযোগ্য পরিবহনগুলোর মধ্যে রয়েছে – গ্রীন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী এন্টারপ্রাইজ, সোহাগ পরিবহন, সৌদিয়া, এস.আলম. পরিবহন, মডার্ন লাইন, শাহ বাহাদুর, সেন্টমার্টিন প্রভৃতি।

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের সাথে এখনো কোনো রেল যোগাযোগ গড়ে ওঠেনি। রেলে করে কক্সবাজার যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে হবে। চট্টগ্রাম শহর থেকে বিভিন্ন পরিবহনের অসংখ্য বাস রয়েছে সরাসরি কক্সবাজারে যাওয়ার। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দূরত্ব ১৬০ কি.মি.।

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের সাথে বিমান যোগাযোগ রয়েছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইট প্রতিদিন ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচল করে।

জল পথে[সম্পাদনা]

দেখুন[সম্পাদনা]

কক্সবাজারের প্রধান আকর্ষন হচ্ছে সমুদ্র সৈকত। সবচেয়ে জাঁকজমক হচ্ছে লাবনী সমুদ্র সৈকত। পরিস্কার ঝকঝকে পরিবেশ আর নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এখানে। সমুদ্র সৈকতের তীর ঘেষে রয়েছে ইজি চেয়ারে শোবার ব্যাবস্থা। চা-কফি-ডাব-মুড়ি-বাদাম সবই পাওয়া যায়। এছাড়া স্পীডবোট, বিচকার, ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্হা এসব তো রয়েছেই।

এছাড়া একটু দূরে ইনানী সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্যও অবশ্যই প্রশংসনীয়। এখানে পানির মধ্যে রয়েছে বড় বড় সব পাথর। ইনানী যাবার পথে দীর্ঘ সি-ড্রাইভ অবশ্যই মুগ্ধ করবে আপনাকে। রাস্তার একদিকে পাহাড় আর অন্যদিকে সুদীর্ঘ সমুদ্র সৈকত পুরোটা পথ সঙ্গ দিবে আপনাকে।

ইনানী সমুদ্র সৈকতে যাবার পথেই দেখা মেলে হিমছড়ির, এখানে রয়েছে মনোমুগ্ধকর এক ঝর্না। সিড়ি বেয়ে অনেক উঁচু পাহাড়ে উঠে কক্সবাজারের দৃশ্য দেখার সুযোগ রয়েছে । এছাড়াও এখানে ছোট মার্কেট ও সুন্দর করে সাজানো সমুদ্র সৈকত রয়েছে যা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষন।

এই পথেই রয়েছে সামুদ্রিক জীব-জন্তুর জাদুঘর। বেশ কিছু জানা-অজানা জীবিত-মৃত প্রানী রয়েছে তাদের সংরক্ষণে। টিকিট জনপ্রতি ৩০০/-টাকা।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

রাত্রি যাপন[সম্পাদনা]

দ্দদ্দদ্দদ্দদ্দ (্দদ্দদ্দদ্দদ্দদ্দ), দ্দদ্দদ্দদ্দদ্দদ্দ (দ্দদ্দদ্দদ্দদ্দদ্দ), দ্দদ্দদ্দদ্দদ্দদ, ইমেইল: Linecons banknote.svg দ্দদ্দদ্দদ্দদ্দদ