এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > রাজশাহী বিভাগ > রাজশাহী জেলা > রাজশাহী > বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর হলো বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর, যা ১৯১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। রাজশাহী অঞ্চলের সনাতন ইতিহাস, ধর্মীয় রীতি, সংস্কৃতি ইত্যাদির বিশাল এক সংগ্রহ আছে এখানে। গবেষক ও পর্যটক উভয় ধরনের মানুষ এখানে ভ্রমণ করেন।

পর্যটন[সম্পাদনা]

জাদুঘরে সহস্র বছরের পুরনো হিন্দু দেব-দেবীর মুর্তি, বৌদ্ধমূর্তি, ইসলামি শিলালিপি, মোগল আমল ও তার পরবর্তী সময়ে ব্যবহৃত পোশাক, অস্ত্র, তৈজস, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত সামগ্রী ইত্যাদি রয়েছে। মূল ফটক পার হলে রাজশাহীর বিখ্যাত ঢোপকল চোখে পড়বে। ঢোপকলের মাধ্যমে শহরের পানীয় জলের সরবরাহ করা হতো, জাদুঘরের মূল ভবনের স্থাপত্যশৈলী পর্যটকার্ষক। এখানে একটি গ্রন্থাগার আছে। যদিও গ্রন্থাগারটি শুধুমাত্র গবেষকদের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়, কারণ এখানে অনেক মূল্যবান পুস্তকাদি রয়েছে।

সংগ্রহ[সম্পাদনা]

  • প্রথম প্রদর্শনকোষ্ঠে নওগাঁর পাহাড়পুর থেকে উদ্ধারকৃত ২৫৬টি ঐতিহাসিক সামগ্রী রয়েছে।
  • দ্বিতীয় প্রদর্শনকোষ্ঠে আছে হিন্দু ও বৌদ্ধদের তৈরী কাঠ ও পাথরের নানা ভাস্কর।
  • তৃতীয় ও চতুর্থ প্রদর্শনকোষ্ঠে রয়েছে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তি।
  • পঞ্চম প্রদর্শনকোষ্ঠে আছে বৌদ্ধ মূর্তি।
  • ষষ্ঠ প্রদর্শনকোষ্ঠে রয়েছে বিভিন্ন ভাষায় লিখিত পাথরের খণ্ড।
  • সপ্তম প্রদর্শনকোষ্ঠে সংরক্ষিত আছে বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিদর্শনসমূহ।

যেভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

রাজশাহী শহরের প্রাণকেন্দ্রে জাদুঘরটি অবস্থিত। তাই জল, স্থল বা আকাশপথে রাজশাহীতে আসার পর শহরের মূল কেন্দ্র জিরো পয়েন্টের কাছেই জাদুঘরটি পাওয়া যাবে। রাজশাহী কলেজের পাশে এটি অবস্থিত। এর পুর্ব দিকে সদর হাসপাতাল, দক্ষিণে প্রমত্তা পদ্মা নদী ও উত্তরে হেতেম খা বড় মসজিদ অবস্থিত।

প্রবেশমূল্য[সম্পাদনা]

জাদুঘরটি দেখার জন্য ১০টাকা প্রবেশমূল্য নির্ধারিত করা হয়েছে।

সময়সূচী[সম্পাদনা]

  • শনিবার ১০:০০–১৭:০০
  • রবিবার ১০:০০–১৭:০০
  • সোমবার ১০:০০–১৭:০০
  • মঙ্গলবার ১০:০০–১৭:০০
  • বুধবার ১০:০০–১৭:০০
  • বৃহষ্পতিবার বন্ধ
  • শুক্রবার বন্ধ

এছাড়া সরকারী ছুটির দিন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষিত ছুটির দিনে এটি বন্ধ থাকে।

থাকা খাওয়া[সম্পাদনা]

জাদুঘর শহরের মূল কেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় এর পাশেই আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও রেস্তোরা ইত্যাদি আছে।