বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে
বোটানিক গার্ডেন থেকে সেন্ট্রাল বেন্ডিগোর দৃশ্য

বেন্ডিগো হলো অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি আঞ্চলিক শহর। প্রায় ৯২,০০০ জনসংখ্যা বিশিষ্ট এই শহরটি রাজ্যের চতুর্থ বৃহত্তম শহর। বেন্ডিগো মেলবোর্ন থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার (১০৫ মাইল বা দেড় ঘণ্টার পথ) উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। শহরটি ১৯শ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে স্বর্ণ উত্তোলনের সময় নির্মিত তার চমৎকার ভিক্টোরিয়ান স্থাপত্যের জন্য পরিচিত।

পরিচিতি

[সম্পাদনা]

১৮৫১ সালে এই অঞ্চলে স্বর্ণ আবিষ্কৃত হওয়ার পর বেন্ডিগো একটি জনাকীর্ণ শহরে পরিণত হয়। সেই সময়ের সমৃদ্ধির ফলে শহরের কেন্দ্রে অনেক চমৎকার সরকারি ও বাণিজ্যিক ভবন এবং আশেপাশের আবাসিক এলাকায় ব্যক্তিগত বাড়িঘর নির্মিত হয়েছিল। ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, বৃহত্তর বেন্ডিগো পৌরসভার (যার মধ্যে অনেক গ্রামীণ এলাকা এবং নিকটবর্তী হিথকোট ও এলমোর শহর অন্তর্ভুক্ত) জনসংখ্যা ১,১০,০০০-এর বেশি। তা সত্ত্বেও শহরটি তার বন্ধুত্বপূর্ণ গ্রামীণ পরিবেশ ধরে রেখেছে।

ভেড়া, গবাদি পশু, ফল, মদ (ওয়াইন) এবং শস্যজাতীয় ফসল এই এলাকার সবচেয়ে সাধারণ পণ্য। বর্তমানে নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে পুরনো খনিগুলোর আরও গভীরে আবার বিপুল পরিমাণে স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

ইউরোপীয় বসতি স্থাপনের আগে এই অঞ্চলটি জা জা উরুং জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন গোত্র দ্বারা অধিকৃত ছিল। অন্যান্য উপজাতিরা তাদেরকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে গণ্য করত, কেবল তাদের সমৃদ্ধ শিকার ভূমির জন্যই নয় বরং তাদের এলাকা থেকে পাথরের কুড়ালের জন্য প্রয়োজনীয় গ্রিনস্টোন শিলা পাওয়া যেত বলে। শুরুর দিকের ইউরোপীয়রা জা জা উরুংদের শক্তিশালী এবং শারীরিকভাবে সুগঠিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যারা খুব একটা যুদ্ধবাজ ছিল না। তবুও, মাউন্ট আলেকজান্ডার এলাকায় ইউরোপীয় বসতি স্থাপনের প্রথম বছরগুলো বহিরাগত এবং উচ্ছেদকৃত আদিবাসীদের মধ্যে অনেক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সাক্ষী হয়ে আছে।

১৮৩৬ সালে মেজর মিচেল এই এলাকা অতিক্রম করেন। তার এই আবিষ্কারের পর, ১৮৪০ সালে প্রথম বসতি স্থাপনকারীরা বিশাল এলাকায় ভেড়ার খামার স্থাপনের জন্য এখানে আসেন। বেন্ডিগো ক্রিক তখন মাউন্ট আলেকজান্ডার বা রেভেনসউড ভেড়ার খামারের অংশ ছিল।

সাধারণভাবে এটি স্বীকৃত যে, রেভেনসউড খামারের কর্মীদের স্ত্রী মিসেস জন কেনেডি এবং মিসেস প্যাট্রিক ফারেল দ্য রক্স নামক স্থানে স্বর্ণ খুঁজে পেয়েছিলেন। বেন্ডিগো ক্রিক এবং ম্যাপল স্ট্রিটের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই স্থানটি বর্তমানে একটি চিহ্নিত এলাকা হিসেবে দর্শনার্থীরা ভ্রমণ করতে পারেন।

১৮৫১ সালের নভেম্বরে প্রথম 'গোল্ড রাশ' বা স্বর্ণ উত্তোলনের হিড়িক শুরু হয় যখন ক্যাসেলমেইন (ফরেস্ট ক্রিক)-এর খনি শ্রমিকরা নতুন এই আবিষ্কারের খবর পায়। প্রথম যেখানে স্বর্ণ আবিষ্কৃত হয়েছিল (বর্তমান গোল্ডেন স্কয়ার) সেখানে পলিমাটির স্বর্ণ পাওয়া যায়। এরপর খনি শ্রমিকরা স্বর্ণের খোঁজে ছোট নদী বা ক্রিক ধরে নিচের দিকে বর্তমান এপসম এবং উপরের দিকে বর্তমান ক্যাঙ্গারু ফ্ল্যাট শহরতলি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। শীঘ্রই ঈগলহক এবং ডায়মন্ড হিলের উপনদীগুলোতে আরও স্বর্ণের সন্ধান পাওয়া যায়।

এই বিপুল সংখ্যক মানুষের আগমনের ফলে গোল্ড কমিশনারের কার্যালয়, পুলিশ ব্যারাক এবং আদালতগুলো ক্যাম্প হিলে স্থাপন করা হয়, যা বর্তমানে সেন্ট্রাল বেন্ডিগোর রোজালিন্ড পার্ক নামে পরিচিত। খনি শ্রমিকদের "ডিগার্স" বলা হতো এবং তাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ত্রিশ হাজারের মতো। তারা ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ছাড়াও জার্মানি, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স এবং আমেরিকা থেকে এসেছিলেন। শুরুর দিকে চীনাদের সংখ্যাও কয়েক হাজার ছিল, তবে ১৯শ শতাব্দী অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে।

বেন্ডিগো খুব দ্রুত একটি "তাঁবুর শহর" থেকে বিশাল সব সরকারি ভবন সংবলিত একটি উল্লেখযোগ্য শহরে পরিণত হয়। ১৮৫৩ সালে এখানে প্রথম হাসপাতাল তৈরি করা হয় এবং ১৮৫৪ সালের মধ্যে প্রথম নগর পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে একটি পৌরসভা গঠিত হয় এবং ১৮৫৯ সালে প্রথম টাউন হল তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

১৮৫৭ সালে বেন্ডিগো টেলিোগ্রাফের মাধ্যমে মেলবোর্নের সাথে যুক্ত হয় এবং এখান থেকেই ১৮৬১ সালে বার্ক ও উইলসের মৃত্যুর খবর জানিয়ে প্রথম বার্তাটি পাঠানো হয়েছিল। ১৮৬২ সালে রেলপথ বেন্ডিগো পর্যন্ত পৌঁছানোর আগে পর্যন্ত মেলবোর্নে নিয়মিতভাবে কব অ্যান্ড কোং কোচ বা ঘোড়ার গাড়ি চলাচল করত।

পরবর্তী দশকে এটি একটি ছোট খনি শহর থেকে একটি বিশাল এবং সমৃদ্ধ শহরে রূপান্তরিত হয় এবং আশেপাশের জনবসতিগুলোর জন্য একটি প্রধান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বেন্ডিগোর জন্য পানি সরবরাহ সর্বদা একটি সমস্যা ছিল। প্রকৌশলী জোসেফ ব্র্যাডির নকশা করা কলিবান নদীর পানি ব্যবহারের একটি পদ্ধতির মাধ্যমে এই সমস্যার আংশিক সমাধান করা হয়। ১৮৭৭ সালে প্রথমবার ভায়াডাক্ট বা জলবাহক সেতুর মাধ্যমে পানি প্রবাহিত হয়েছিল।

স্থপতি উইলিয়াম চার্লস ভাহল্যান্ড এই সময়ে বেন্ডিগোর স্থাপত্যে এক গভীর ছাপ ফেলেছিলেন। সেই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় আবাসিক নকশা উদ্ভাবনের কৃতিত্ব তাকে দেওয়া হয় আয়রন লেস বা লোহার কারুকাজ করা বারান্দা সংবলিত স্বল্পমূল্যের কুটির, যা পরবর্তীতে পুরো ভিক্টোরিয়া রাজ্যজুড়ে একটি জনপ্রিয় শৈলী হয়ে ওঠে। ১৮৭৮ থেকে ১৮৮৬ সালের মধ্যে তিনি বেন্ডিগো টাউন হলকে একটি বিশাল ও রাজকীয় ভবনে রূপান্তরিত করেন। এছাড়াও তিনি আশিটিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি ভবনের নকশা করেছিলেন যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: আলেকজান্দ্রা ফাউন্টেন, ম্যাসনিক টেম্পল (বর্তমানে ক্যাপিটাল থিয়েটার), মেকানিক্স ইনস্টিটিউট অ্যান্ড স্কুল অব মাইনস (বর্তমানে বেন্ডিগো রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব টিএএফই), গোল্ডেন স্কয়ারে অবস্থিত ফরচুনা ভিলা (যা কোয়ার্টজ কিং জর্জ ল্যান্সেলের আবাসস্থল ছিল), আইন আদালত, প্রাক্তন পোস্ট অফিস এবং পাল মলে অবস্থিত সম্প্রসারিত শ্যারক হোটেল।

১৮৯০ সালে এখানে একটি ট্রাম নেটওয়ার্ক শুরু হয় যা গণপরিবহন হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

জলবায়ু

[সম্পাদনা]
বেন্ডিগো
জলবায়ু চার্ট (ব্যাখ্যা)
জাফেমামেজুজুসেডি
 
 
 
৩৫
 
 
৩০
১৪
 
 
 
২৮
 
 
৩০
১৪
 
 
 
৩২
 
 
২৬
১২
 
 
 
৩৬
 
 
২১
 
 
 
৪৭
 
 
১৭
 
 
 
৫১
 
 
১৩
 
 
 
৫৩
 
 
১৩
 
 
 
৫৩
 
 
১৪
 
 
 
৫৩
 
 
১৭
 
 
 
৪৭
 
 
২১
 
 
 
৪৬
 
 
২৫
১০
 
 
 
৩৮
 
 
২৮
১২
°C-এ গড় উচ্চ ও নিম্ন তাপমাত্রা
Precipitation+Snow totals in mm
Imperial conversion
জাফেমামেজুজুসেডি
 
 
 
১.৪
 
 
৮৭
৫৮
 
 
 
১.১
 
 
৮৫
৫৮
 
 
 
১.৩
 
 
৭৯
৫৩
 
 
 
১.৪
 
 
৭১
৪৭
 
 
 
১.৮
 
 
৬২
৪২
 
 
 
 
 
৫৬
৩৮
 
 
 
২.১
 
 
৫৫
৩৭
 
 
 
২.১
 
 
৫৮
৩৭
 
 
 
২.১
 
 
৬৩
৪০
 
 
 
১.৮
 
 
৭০
৪৪
 
 
 
১.৮
 
 
৭৬
৫০
 
 
 
১.৫
 
 
৮২
৫৪
°F-এ গড় উচ্চ ও নিম্ন তাপমাত্রা
Precipitation+Snow totals in inches

গ্রেট ডিভাইডিং রেঞ্জের উত্তরে অবস্থানের কারণে এই শহরে মেলবোর্নের তুলনায় অনেক কম বৃষ্টিপাত হয়। এখানকার গ্রীষ্মকাল উষ্ণ এবং শুষ্ক থাকে। গ্রীষ্মকালীন গড় দিনের তাপমাত্রা ২৯°C এবং রাতের গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪°C থাকে। গ্রীষ্মের কিছু দিনে আবহাওয়া বেশ উত্তপ্ত ও ভ্যাপসা হতে পারে যখন তাপমাত্রা ৩৬°C এর উপরে উঠে যায় এবং মাঝেমধ্যে রাতেও তাপমাত্রা ২০°C এর নিচে নামে না। শীতকাল সাধারণত মৃদু হয়; রাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩°C এবং দিনের বেলা তাপমাত্রা ১৩°C-এর আশেপাশে থাকে।

যাতায়াত

[সম্পাদনা]

গাড়িতে

[সম্পাদনা]

মেলবোর্ন থেকে ক্যাল্ডার ফ্রিওয়ে ধরে উত্তর দিকে গাড়ি চালিয়ে বেন্ডিগো পৌঁছাতে দেড় ঘণ্টার সামান্য বেশি সময় লাগে। পুরো ফ্রুওয়েটিই ডুয়াল ক্যারেজওয়ে বা দ্বিমুখী সড়ক।

আপনি যদি সিডনি থেকে আসেন, তবে হিউম ফ্রিওয়ে থেকে শেপারটন হতে বের হোন এবং এরপর শেপারটন থেকে বেন্ডিগো নির্দেশকারী চিহ্নগুলো অনুসরণ করুন।

বিমানে

[সম্পাদনা]

বেন্ডিগোর একটি ছোট বিমানবন্দর থাকলেও মেলবোর্ন বিমানবন্দরে নামা আপনার জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক হতে পারে। সেখান থেকে একটি গাড়ি ভাড়া করে M79 (ক্যাল্ডার ফ্রুওয়ে) ধরে সরাসরি বেন্ডিগো যেতে পারেন, যা বিমানবন্দরের খুব কাছ থেকেই শুরু হয়েছে। আপনি যদি গাড়ি চালাতে না চান তবে স্কাইবাস যোগে সাউদার্ন ক্রস স্টেশনে যান এবং সেখান থেকে বেন্ডিগোর ট্রেন ধরুন। বিকল্প হিসেবে, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বেন্ডিগো যাওয়ার শাটল সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। সাশ্রয়ী উপায়ে যেতে চাইলে ৪৭৯ নম্বর বাসে সানবারি স্টেশনে গিয়ে সেখান থেকে বেন্ডিগোর ট্রেন ধরতে পারেন।

ট্রেনযোগে

[সম্পাদনা]

বেন্ডিগোর ট্রেনগুলো মেলবোর্নের সাউদার্ন ক্রস স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করে। এগুলো বেন্ডিগোর মূল স্টেশনে পৌঁছানোর আগে শহরের দক্ষিণ দিকের ক্যাঙ্গারু ফ্ল্যাট স্টেশনে থামে। কিছু ট্রেন উত্তর দিকে এপসম বা উত্তর-পশ্চিমে ঈগলহক পর্যন্ত যায় তবে এই সেবাগুলো তুলনামূলক কম। সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় একটি করে ট্রেন পাওয়া যায় এবং মেলবোর্ন থেকে পৌঁছাতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। এই রুটে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন বলে সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতে খুব ভোরে এবং শেষ বিকেলে বা সন্ধ্যায় ট্রেনে বেশ ভিড় হতে পারে। স্টেশন থেকে শহরের মূল কেন্দ্র বা সিবিডি-এর বেশিরভাগ অংশই হাঁটাপথের দূরত্বে অবস্থিত। বিকল্প হিসেবে স্টেশন থেকে বাস যোগে শহরের কেন্দ্র বা অন্যান্য এলাকায় যাওয়া যায়।

ভি/লাইন প্রতিদিন দুইবার অ্যাডিলেড থেকে সরাসরি বেন্ডিগোতে কোচ বা বাস সেবা পরিচালনা করে।

  • 1 বেন্ডিগো রেলওয়ে স্টেশন (Q4887107)
  • 2 ক্যাঙ্গারু ফ্ল্যাট রেলওয়ে স্টেশন
  • 3 ঈগলহক রেলওয়ে স্টেশন
  • 4 এপসম রেলওয়ে স্টেশন

স্থানীয় যাতায়াত

[সম্পাদনা]
মানচিত্র
বেন্ডিগোর মানচিত্র

বেন্ডিগোর নিজস্ব স্থানীয় বাস পরিষেবা রয়েছে। এই বাস নেটওয়ার্ক শহরের সব অংশকে সংযুক্ত করে। কিছু রুটে প্রতি আধা ঘণ্টা অন্তর এবং অন্যান্য রুটে প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর বাস চলাচল করে। তবে বেশিরভাগ রুটে সন্ধ্যাবেলায় এবং সপ্তাহান্তে বাসের সংখ্যা অনেক কমে যায়। এছাড়া পর্যটকদের জন্য মূল সড়কে একটি 'হপ-অন/হপ-অফ' ট্রাম পরিষেবা রয়েছে।

শহরের কেন্দ্রস্থলের বেশিরভাগ জায়গায় পার্কিং করার জন্য মিটারের মাধ্যমে ফি দিতে হয়। পার্কিংয়ের জন্য প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১ ডলার খরচ হতে পারে এবং সাধারণত ১–২ ঘণ্টার বেশি গাড়ি রাখা যায় না। এসব বিধিনিষেধের কারণে শহরের কেন্দ্রে সাধারণত সহজেই পার্কিংয়ের জায়গা খুঁজে পাওয়া যায়। শনিবার পার্কিং বিনামূল্যে করা যায়, তবে সময়ের সীমাবদ্ধতা কার্যকর থাকে। এছাড়া কিছু শপিং সেন্টারে আপনি বিনামূল্যে পার্কিংয়ের সুবিধা পেতে পারেন।

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]
বেন্ডিগো আর্ট গ্যালারি
  • পর্যটন তথ্য কেন্দ্র: এটি শ্যারক হোটেলের বিপরীতে পাল মলের (প্রধান সড়ক) ওপর পুরনো পোস্ট অফিস ভবনে অবস্থিত। এখানে বেন্ডিগোর ঐতিহ্যের ওপর একটি চমৎকার প্রদর্শনীও রয়েছে।
  • রোজালিন্ড পার্ক: এটি পর্যটন কেন্দ্রের ঠিক পেছনেই অবস্থিত। বিরল কোনো ঝড়ের পরেই কেবল এর ভেতর দিয়ে প্রবহমান জলধারা দেখা যায়; অন্যথায় এটি একটি ফোয়ারা ও স্মৃতিস্তম্ভ সংবলিত সাধারণ বাগান। পার্কের মূল অংশ থেকে অল্প দূরত্বে একটি খাড়া পথ বেয়ে 'পপেট হেড লুকআউট' বা বেন্ডিগো আর্ট গ্যালারিতে যাওয়া যায়।
  • বেন্ডিগো মোজাইক এবং পপেট হেড লুকআউট: রোজালিন্ড পার্কের সবচেয়ে উঁচু স্থানে একটি পুরনো খনির শ্যাফট বা গর্ত থেকে তৈরি একটি লুকআউট টাওয়ার রয়েছে। এখান থেকে পুরো অঞ্চলের বিস্তৃত দৃশ্য দেখা যায়। টাওয়ারের পাদদেশে মোজাইক টাইলসের মাধ্যমে বেন্ডিগোর ঐতিহ্য ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
  • ইস্টার ফেয়ার প্রসেসন: এটি ভিক্টোরিয়া রাজ্যের অন্যতম প্রাচীন উৎসব। এই উৎসবে 'সান লুং' নামক একটি রাজকীয় ড্রাগন বা ড্রাগনের প্রতিকৃতি প্রদর্শনীতে সবার আকর্ষণ কেড়ে নেয়, যা বহন করতে অন্তত ৫০ জন শক্তিশালী মানুষের প্রয়োজন হয়। ইস্টার উইকএন্ডে বাজার এবং কার্নিভালসহ আরও নানাবিধ কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়।
  • 1 স্যাক্রেড হার্ট ক্যাথেড্রাল, MacKenzie St বেন্ডিগোর মতো একটি শহরের জন্য এটি বেশ চমৎকার ও বিশাল একটি ক্যাথেড্রাল। এটি স্থানীয় ক্যাথলিক সম্প্রদায় ব্যবহার করে। শহরের উঁচু স্থানে অবস্থিত এই গির্জাটি শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে খুব অল্প হাঁটাপথের দূরত্বে অবস্থিত। (Q7397106)
  • 2 চাইনিজ গার্ডেন এবং মিউজিয়াম এখানে গাইডের সাহায্যে ঘুরে দেখার ব্যবস্থা রয়েছে এবং মূল জোস হাউসগুলোর একটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। আপনি সেন্ট্রাল ডেবোরা গোল্ড মাইন থেকে 'টুরিস্ট টকিং ট্রাম' যোগে এখানে পৌঁছাতে পারেন। এছাড়া শহরের কেন্দ্রস্থল এবং পর্যটন তথ্য কেন্দ্র থেকে পাল মল ধরে পূর্ব দিকে অল্প হাঁটলেই এখানে আসা যায়। তোরণ বা আর্চ এলাকায় প্রবেশ বিনামূল্যে হলেও জাদুঘর, বাগান এবং মঠে প্রবেশের জন্য সামান্য ফি দিতে হয়। জাদুঘরে অনেক প্রাচীন চীনা নিদর্শন রয়েছে। বাগানটি চীনা শৈলীতে তৈরি এবং এতে গোল্ডফিশ রয়েছে।
  • 3 বেন্ডিগো আর্ট গ্যালারি এটি রোজালিন্ড পার্কের প্রান্তে, পপেট হেড লুকআউট এবং ক্যাথেড্রালের মাঝখানে অবস্থিত। এখানে ঐতিহাসিক অস্ট্রেলীয় চিত্রকর্মের একটি ভালো সংগ্রহ রয়েছে। এছাড়া কিছু সমসাময়িক কাজ এবং মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীও এখানে অনুষ্ঠিত হয়।
  • 4 সেন্ট্রাল ডেবোরা মাইন (শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে মেলবোর্নের দিকে ২ মিনিটের গাড়ি চালানো বা অল্প হাঁটাপথের দূরত্ব)। এই খনি ভ্রমণে তিন ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথমটি হলো সারফেস বা ভূ-পৃষ্ঠ ভ্রমণ যেখানে খনির উপরিভাগের কার্যক্রম দেখা যায় (যা পর্যটনের জন্য কিছুটা নতুন করে সাজানো হয়েছে)। এখানে স্বর্ণ খোঁজা বা গোল্ড প্যানিংয়ের অভিজ্ঞতা নেওয়া যায় এবং আপনি পপেট হেডে উঠে ব্যাটারি ক্রাশার পর্যন্ত ওভারহেড লিঙ্কটি অনুসরণ করতে পারেন। দ্বিতীয়টি হলো স্ট্যান্ডার্ড আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যুর, যা খনির পুরনো সুড়ঙ্গের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে বিভিন্ন ধরনের ড্রিলিং রিগ এবং খনির নানা কার্যক্রম প্রদর্শিত হয় যা ভ্রমণকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে। এই ট্যুরের মধ্যে সারফেস ট্যুরটিও অন্তর্ভুক্ত। তৃতীয়টি হলো অ্যাডভেঞ্চার ট্যুর, যাতে আগের দুটির সবকিছুর পাশাপাশি খনির ৩ নম্বর লেভেলে প্রায় ৩০ মিনিটের একটি বিশেষ ভ্রমণ অন্তর্ভুক্ত। এতে মই দিয়ে নিচে নামতে হয় এবং খনির এমন একটি অংশ দেখার সুযোগ মেলে যা পর্যটনের জন্য খুব একটা পরিবর্তন করা হয়নি। এই ট্যুরে খনির মূল লেভেলে অবস্থিত একটি ফাংশন রুমে দুপুরের খাবার বা কর্নিশ প্যাস্টিস পরিবেশন করা হয়।

আপনার ভ্রমণের আগে কোন কোন ইভেন্ট বা অনুষ্ঠান রয়েছে তা জানতে অনলাইন বেন্ডিগো ওয়েবসাইটটি দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

  • ওয়াইনারি ভ্রমণ: বেন্ডিগো একটি সমৃদ্ধ ওয়াইন উৎপাদনকারী অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু। এখানকার ওয়াইনারিগুলো অবশ্যই ভ্রমণের দাবি রাখে। এখানকার বিশেষত্ব হলো বেন্ডিগো শিরাজ (Bendigo Shiraz), যা সাধারণত অত্যন্ত সুস্বাদু ও কড়া ফ্লেভারের হয়ে থাকে।
  • সাঁতার কাটা: শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাবলিক সুইমিং পুলগুলোতে সাঁতার কাটতে পারেন। প্রবেশমূল্য: শিশু ৩.৫০ ডলার, প্রাপ্তবয়স্ক ৪.৫০ ডলার এবং ফ্যামিলি টিকিট (২ শিশু, ২ প্রাপ্তবয়স্ক) ১১.৫০ ডলার। শহরের কেন্দ্রস্থলের সবচেয়ে কাছে হলো "বেন্ডিগো অ্যাকুয়াটিক সেন্টার" যেখানে ওয়াটার স্লাইড, ১০ মিটার ও ৫ মিটার ডাইভিং প্ল্যাটফর্ম, ডাইভিং বোর্ড, অলিম্পিক পুল এবং শিশুদের জন্য আলাদা পুল রয়েছে। আপনি যদি ঠান্ডা পানিতে সাঁতার পছন্দ করেন তবে 'ব্রেনান পার্কে' যেতে পারেন। 'ইস্ট বেন্ডিগো' পুলে সাধারণত ল্যাপ-লেনের আধিক্য থাকে। শহরের একমাত্র ইনডোর বা অভ্যন্তরীণ সুইমিং পুলটি 'পিটার ক্রেনজ লিজার সেন্টারে' অবস্থিত, যেখানে জিম এবং মিনি-গলফ খেলার সুবিধাও রয়েছে।
  • 1 দ্য জোন ফ্যামিলি এন্টারটেইনমেন্ট কমপ্লেক্স, 1, +৬১ ৩ ৫৪৪১ ৭০৪৬ ৯ বছরের কম বয়সীদের জন্য: মিনি গো-কার্টস এবং বল পিটসহ খেলার মাঠ। সব বয়সীদের জন্য: লেজার ট্যাগ, রোলার রিঙ্ক, ১৮ হোলের মিনি-গলফ, আর্কেড মেশিন এবং আউটডোর গোলকধাঁধা। অন্যান্য কার্যক্রম: এখানকার গো-কার্টিং বেশ জনপ্রিয় তবে এর জন্য বয়স অন্তত ৮ বছর এবং উচ্চতা ১৩০ সেন্টিমিটারের বেশি হতে হবে। ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য পেন্টবল খেলার সুবিধা রয়েছে। প্রতিটি খেলার জন্য আলাদা টিকিট (অ্যাক্টিভিটি ভেদে ৬ থেকে ৪৫ ডলার) বা সাশ্রয়ী কম্বো পাস কেনা যায়। এখানে খাবার, পানীয় এবং কফি বিক্রির ব্যবস্থা রয়েছে।
  • 2 ক্যাপিটাল থিয়েটার (Q47000700)
  • 3 বেন্ডিগো ট্রামওয়েজ ঐতিহাসিক বেন্ডিগো পর্যটক ট্রামে চড়ে শহর ভ্রমণ করুন।

কেনাকাটা

[সম্পাদনা]
সেন্ট্রাল মাল্টি-স্টোরি পার্কিং লট থেকে হারগ্রিভস মলের দৃশ্য।
  • 1 দ্য মার্কেটপ্লেস এটি একটি ইনডোর শপিং প্লাজা যেখানে পোশাক, ইলেকট্রনিক্স, গয়না, ম্যাসাজ পার্লার, ম্যানিকিউর, উলওয়ার্থস, অন্যান্য বিশেষায়িত দোকান এবং একটি ফুড কোর্ট রয়েছে। এটি রেলওয়ে স্টেশনের বিপরীতে মিচেল স্ট্রিটে অবস্থিত এবং এখানে বিশাল ও বিনামূল্যে পার্কিংয়ের সুবিধা রয়েছে।
  • 2 হারগ্রিভস মল এটি একটি আউটডোর পথচারী মল যেখানে ক্যাফে, পোশাকের দোকান এবং বেশ কিছু আর্কেড বা গলিপথ রয়েছে যাতে আরও অনেক খুচরা দোকান ও শিল্পের জায়গা রয়েছে। এখানেই মূল মায়ার শপ অবস্থিত। এখানকার 'বেন্ডিগো অরিজিনাল পাই শপ'-এর চিকেন আইটেমগুলো চমৎকার। এটি মিচেল স্ট্রিট এবং উইলিয়ামসন স্ট্রিটের মধ্যবর্তী হারগ্রিভস স্ট্রিটের অংশ। উইলিয়ামসন স্ট্রিটের ঠিক পাশেই লাইব্রেরির বিপরীতে একটি বিশাল বহুতল পার্কিং স্টেশন রয়েছে।
  • বাথ লেন বেন্ডিগো ব্যাংক ভবনের ছায়াতলে অবস্থিত এই একমুখী রাস্তাটিতে বেশ কিছু ক্যাফে এবং বুটিক শপ রয়েছে, যার মধ্যে ইনডালজ চকোলেট অন্যতম—তাদের হট চকোলেটগুলো দুর্দান্ত!
  • 3 দ্য বেন্ডিগো পটারি, ১৫৬ মিডল্যান্ড হাইওয়ে, এপসম, +৬১ ৩ ৫৪৪৮ ৪৪০৪ এখান থেকে আপনি মাটির তৈরি জিনিসপত্র বা মৃৎশিল্প কিনতে পারেন। এছাড়া এখানে গাইডসহ পরিভ্রমণ, একটি ক্যাফে এবং হাতে-কলমে মৃৎশিল্প তৈরির কর্মশালার সুযোগ রয়েছে।
  • বেন্ডিগো আর্ট গ্যালারির বিপরীতে ভিউ স্ট্রিটে বেশ কিছু অ্যান্টিক বা প্রাচীন জিনিসের দোকান এবং সেকেন্ড হ্যান্ড দোকান রয়েছে।
  • অন্যান্য শপিং সেন্টারের মধ্যে রয়েছে স্ট্রেথডেলের স্ট্রেথ ভিলেজ এবং ক্যাঙ্গারু ফ্ল্যাটের 'সেন্ট্রো ল্যান্সেল'।

খাবার

[সম্পাদনা]
  • 1 ক্লগস বেন্ডিগোর পাল মলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত স্থানীয় রেস্তোরাঁ। এখানে পিৎজা, পাস্তা এবং অন্যান্য আধুনিক অস্ট্রেলীয় খাবারের বিশাল সংগ্রহ রয়েছে।
  • বুল স্ট্রিট বেন্ডিগোর এই ছোট রাস্তাটিতে দ্য ম্যাচ-সহ অনেকগুলো সাধারণ মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে।
  • 2 দ্য উডহাউস (উইলিয়ামসন স্ট্রিট)। একটি আন্তরিক পরিবেশে উড-ফায়ার্ড পিৎজা এবং শৌখিন স্টেক পাওয়া যায়।
  • 3 মালয়ান অর্কিড এশীয় খাবারের জন্য সুপরিচিত একটি চমৎকার রেস্তোরাঁ।
  • 4 বুনজা থাই থাই খাবারের জন্য বিশেষায়িত একটি রেস্তোরাঁ।
  • জিপিও ঐতিহাসিক জেনারেল পোস্ট অফিস ভবনের বিপরীতে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁটিতে আধুনিক অস্ট্রেলীয় খাবারগুলো আকর্ষণীয়ভাবে পরিবেশন করা হয়।
  • টাইফুন বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঘরোয়া পরিবেশে থাই খাবারের স্বাদ নেওয়ার জায়গা।
  • গার্ডস রুম @ ওয়াইন ব্যাংক ওয়াইন ব্যাংকের ওপরতলায় উন্নত মানের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • হুইরাকি বেন্ডিগোর কেন্দ্রে অবস্থিত একটি চমৎকার রেস্তোরাঁ যেখান থেকে শহরের আলেকজান্দ্রা ফাউন্টেনের দৃশ্য দেখা যায়।
  • দ্য ডিসপেনসারি (পাল মলের কাছে চ্যান্সারি লেনে অবস্থিত)। আধুনিক ও চমৎকার পরিবেশে উন্নত মানের খাবার এবং মদের বড় তালিকার জন্য পরিচিত।
  • ওয়াইল্ড মিন্ট (মূল সিবিডি-তে অবস্থিত)। নতুন বেন্ডিগো ব্যাংক সদর দপ্তরের নিচে অবস্থিত একটি ক্যাফে। এখানে এশীয় ধাঁচের হালকা লাঞ্চ এবং রাতের ভারী খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • 5 হু-গা, ৪ মিশেল স্ট্রিট, +৬১ ৩ ৫৪৪১ ২৪৮৮ মঙ্গলবার - শুক্রবার সকাল ৮টা-বিকাল ৩টা, শনিবার সকাল ৯টা-বিকাল ৩টা এখানে স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত উপকরণের মাধ্যমে তৈরি বৈচিত্র্যময় খাবার পাওয়া যায় যার মধ্যে অনেকগুলো ভেগান, গ্লুটেন-ফ্রি এবং লো-FODMAP বান্ধব।

পানীয়

[সম্পাদনা]
  • বেন্ডিগো শিরাজ - বেন্ডিগোর কিছু ভালো ওয়াইনারি হলো: শ্যাটো লেমন, ওয়াটারহুইল, বালগাউনি, মান্ডুরাঙ ভ্যালি, হারকোর্ট, ব্ল্যাকজ্যাক এবং কনর পার্ক। এই জেলায় আরও অনেক ছোট ওয়াইনারিও রয়েছে।
  • রাইফেল ব্রিগেড ব্রুয়ারি - বেন্ডিগোর মনোরম ভিউ স্ট্রিটে অবস্থিত; এখানে বেশ ভালো মানের বিয়ার এবং খাবার পাওয়া যায়।
  • ওয়াইন ব্যাংক - ভিউ স্ট্রিটে অবস্থিত। স্বর্ণ উত্তোলনের যুগের একটি পুরনো ব্যাংক ভবনে ক্যাজুয়াল পরিবেশে স্থানীয়, অস্ট্রেলীয় এবং আমদানিকৃত মদের বিশাল সংগ্রহ। এখানকার কারুকার্যমণ্ডিত সিলিং এবং স্থাপত্যশৈলী আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
  • স্টার বার, পাল মল এবং মুন্ডি স্ট্রিটের কোণায় স্টার নামে পরিচিত। এখানকার রেসিডেন্ট ডিজে-রা টপ ৪০ ঘরানার গান বাজিয়ে থাকেন। ১৮-২৫ বছর বয়সীদের কাছে এটি জনপ্রিয়। এখানে একটি আউটডোর এরিয়া, প্রধান ড্যান্স ফ্লোর, রেভ কেভ এবং বসার জন্য তুলনামূলক শান্ত এলাকা রয়েছে (তবে মনে রাখবেন এটি একটি নাইটক্লাব তাই খুব বেশি শান্ত পরিবেশ আশা না করাই ভালো!)।
  • দ্য মেট্রো এবং পগস আইরিশ বার, বুল স্ট্রিট লাইভ মিউজিক, ড্যান্স ফ্লোর এবং পাব বা পানশালার পরিবেশ সংবলিত।

থাকার জায়গা

[সম্পাদনা]

নিরাপদ থাকা

[সম্পাদনা]

বেন্ডিগো একটি নিরাপদ শহর, তবে যেকোনো স্থানের মতোই সাধারণ নিরাপত্তামূলক সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। শহরের কেন্দ্রে ভিক্ষুক বা ঝামেলার সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তিদের এড়িয়ে চলাই ভালো, যদিও তারা সাধারণত কোনো ক্ষতি করে না। গাড়ি চালানোর সময় মূল রাস্তায় ঐতিহাসিক ট্রাম চলাচলের বিষয়টি খেয়াল রাখা জরুরি, কারণ এটি মাঝেমধ্যে চালকদের জন্য কিছুটা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

পরবর্তী গন্তব্য

[সম্পাদনা]

ভিক্টোরিয়ার গোল্ডফিল্ডস অঞ্চলটি ঘুরে দেখার জন্য বেন্ডিগো একটি আদর্শ স্থান। বেন্ডিগো থেকে আপনি পার্শ্ববর্তী ক্যাসেলমেইন এবং হিথকোট ভ্রমণ করতে পারেন। বেন্ডিগো থেকে মেলবোর্ন যাওয়ার ট্রেনটি ক্যাসেলমেইন স্টেশনে থামে। ট্রেন যোগে ক্যাসেলমেইন পৌঁছাতে প্রায় ২৫ মিনিট সময় লাগে।

বেন্ডিগোর মধ্য দিয়ে রুট
মিলডুরা চার্লটন  উত্তর  দক্ষিণ  ক্যাসেলমেইন মেলবোর্ন