উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

খেজুরি হল ভারতের দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বঙ্গোপসাগরের তীরে একটি প্রাচীন জনপদ।

জানুন[সম্পাদনা]

ষোড়শ শতকের প্রথমের দিকে বঙ্গোপসাগরের হুগলি নদীর মোহনার পশ্চিমদিকে পলি জমে প্রথমে হিজলি ও পরে খেজুরি নামে দু’টি দ্বীপ জেগে উঠেছিল। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজত্বের প্রথমের দিকে খেজুরি বন্দর এবং শহর সমৃদ্ধি লাভ করে। ১৮৩০ সালের ১৯ নভেম্বর রাজা রামমোহন রায় তখনকার খেজুরি বন্দর থেকে ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। ১৮৪২ ও ১৮৪৫ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরও এই বন্দর দিয়েই বিদেশযাত্রা করেন। বিদেশি নাবিকরা সেইসময় খেজুরিকে ‘কেডগিরি’, ‘ক্যাজুরি,’ ‘কাদজেরী’ ও ‘গ্যাজুরী’ প্রভৃতি নামে সম্বোধন করতেন। জাহাজে করে বিদেশ থেকে চিঠিপত্র খেজুরি বন্দরে আসত বলে খেজুরিতেই গড়ে উঠেছিল প্রথম ডাকঘর বা কেডগিরি পোস্ট অফিস। দুঃখের বিষয় ১৮৬৪ সালের এক বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় খেজুরি বন্দর পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

কীভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

কাছাকাছি যান[সম্পাদনা]

  • পেটুয়াঘাট মৎস্য বন্দরএটি রসুলপুর নদীর দক্ষিণ তীরে, খেজুরি থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে। রসুলপুর নদীর মোহনার কাছে গড়ে ওঠা একটি মৎস্য বন্দর।

কী দেখবেন[সম্পাদনা]

  • খেজুরির পুরোনো ডাকঘরদেশের প্রথম ডাকঘর ও টেলিগ্রাফ কেন্দ্র আজ খণ্ডহরে পরিণত।

খাওয়া-দাওয়া[সম্পাদনা]

পানীয়[সম্পাদনা]

রাত্রি যাপন[সম্পাদনা]

পরবর্তী যান[সম্পাদনা]