এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > চট্টগ্রাম বিভাগ > চট্টগ্রাম জেলা > চট্টগ্রাম > চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহতদের সমাধিস্থল ওয়ার সিমেট্রি চট্টগ্রামের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। চট্টগ্রামের দামপাড়া এলাকায়, ১৯ নং বাদশা মিয়া চৌধুরী সড়কে অবস্থিত। এটি মেডিকেল কলেজের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে, চট্টেশ্বরী সড়কের চারুকলা ইনস্টিটিউটের কাছাকাছি এবং ফিনলে গেস্ট হাউসের নিকটবর্তি পাহাড়ি ঢালু আর সমতল ভুমিতে গড়ে উঠেছে। এটি কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি চট্টগ্রাম নামেও পরিচিত।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এই সমাধিসেৌধ প্রতিষ্ঠা করে। সূচনালগ্নে এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রায় ৪০০টি সমাধি ছিলো। তবে বর্তমানে এখানে ৭৩১টি সমাধি বিদ্যমান যার ১৭টি অজানা ব্যক্তির। এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাতীয় বিদেশী সৈন্যদের প্রায় ২০টি (১জন ওলন্দাজ এবং ১৯জন জাপানি) সমাধি বিদ্যমান। এছাড়াও এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) চট্টগ্রাম-বোম্বের একটি স্মারক বিদ্যামান।

যেভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে চট্টগ্রামগামী যেকোনো পরিবহনে করে আপনি থেকে ওয়ার সিমেন্ট্রি যেতে পারবেন। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসতে হলে কমলাপুর টার্মিনাল থেকে বিআরটিসি করে আর সায়দাবাদ বাস ষ্টেশন থেকে সৌদিয়া, গ্রীনলাইন, সিল্ক লাইন, সোহাগ, বাগদাদ এক্সপ্রেস, ইউনিক প্রভৃতি বাস করে আপনি চট্টগ্রাম আসতে পারবেন। ঢাকা থেকে ননএসি বাসের ভাড়া ৪৫০-৫০০ টাকা। চট্রগ্রাম শহরের যেকোনো জায়গা থেকে অটো রিক্সা বা রিক্সায় চড়ে মেহেদীবাগের এই ওয়ার সিমেন্ট্রিতে ঘুরে আসা যাবে।

ট্রেনে বা রেলপথে[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে আসার বেশ কয়েকটি ট্রেন রয়েছে। এগুলো হলো - মহানগর প্রভাতী ( ছাড়ে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে), চট্টলা এক্সপ্রেস (সকাল ৯টা ২০ মিনিটে), মহানগর গোধূলি (ছাড়ে বিকেল ৩টায়), সুবর্ণ এক্সপ্রেস (ছাড়ে বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে), তূর্ণা (ছাড়ে রাত ১১টায়)।

বিমানে বা আকাশপথে চট্টগ্রাম[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে বাংলাদেশ, জিএমজি এয়ারলাইনস ও ইউনাইটেড এয়ার, রিজেন্ট এয়ারে সরাসরি চট্টগ্রামে যাওয়া যায়।

যেখানে থাকবেন[সম্পাদনা]