এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

পদ্মজা নায়ডু চিড়িয়াখানা, দার্জিলিং

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

পদ্মজা নায়ডু চিড়িয়াখানা হল ভারতের দার্জিলিং পাহাড়ের চড়াই-উতরাই ভূমির গাছপালা এবং বন্যপ্রাণ সমন্বিত সংরক্ষিত একটা পর্যটন কেন্দ্র। সুন্দরী পাহাড় দার্জিলিঙের দর্শনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল এই চিড়িয়াখানা। বাংলার প্রাক্তন প্রথম মহিলা রাজ্যপাল প্রয়াতা পদ্মজা নায়ডুর নামে উৎসর্গীকৃত এই প্রাকৃতিক প্রদর্শশালা। অতর্কিতে এই চিড়িয়াখাায় হাজির হলে আপনাকে স্বাগত জানাবে বরফের চিতা, তিব্বতি নেকড়ে, হিমালয়ান নেকড়ে আর অবশ্যই অতি লাজুক, পাহাড়ের প্রতিনিধি রেড পান্ডা! সত্যিই এই রেড পান্ডা হচ্ছে দার্জিলিং পাহাড়ের বিশেষ প্রতিনিধি। এছাড়া আছে একঝাঁক পাখি। বেশি হই হট্টগোল করলে শেষে কাকাতুয়া বলে উঠবে, 'এই কে রে?'। যার ফলে আপনি রীতিমতো অবাক হয়ে যাবেন।

একটা প্রাকৃতিক পাহাড়ি ভূভাগ ঘেরে দার্জিলিঙের এই পদ্মজা নায়ডু চিড়িয়াখানা তৈরি হয়েছে। সংরক্ষিত প্রাণীরাও নিজেদের বন্য বসবাসের জায়গার মতো থাকে। দেখবেন চিতা গাছে উঠে শুয়ে আছে; অন্যদিকে রেড পান্ডা ঘাস খেতে খেতে জুল জুল করে দখছে; আর নেকড়েরা দল বেঁধে খেলা করছে!


যাতায়াত[সম্পাদনা]

  • কলকাতার এসপ্ল্যানেড থেকে দিন / রাত, সাধারণ / বাতানুকূল বাসে শিলিগুড়ি। শিলিগুড়ি থেকে পাহাড়ের মিনিবাস অথবা চারচাকার ভাড়াগাড়িতে দার্জিলিং।
  • ট্রেনে কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশন থেকে নিউ জলপাইগুড়ি। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে চারচাকার ভাড়াগাড়িতে দার্জিলিং।
  • নিজের গাড়িতে কলকাতা থেকে চৌত্রিশ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে বারাসত, কৃষ্ণনগর, বহরমপুর, কিষানগঞ্জ, শিলিগুড়ি, কার্সিয়াং, সোনাদা, ঘুম হয়ে দার্জিলিং আনুমানিক ৭৩০ কিলোমিটার।

রাত্রিযাপন[সম্পাদনা]

  • দার্জিলিং পাহাড়ে যত ওপর দিকে থাকবেন আরাম এবং খরচ বেশি। ম্যালের ওপর 'হোটেল সান'। নিচে মটর স্ট্যান্ডে 'হোটেল তিস্তা'। অপেক্ষাকৃত খরচ কম।
  • দার্জিলিং ট্যুরিস্ট লজের অগ্রিম বুকিং কলকাতার ট্যুরিস্ট ব্যুরোর বিবাদী বাগ পূর্ব কার্যালয় থেকে হয়।

আহার[সম্পাদনা]

  • দার্জিলিং পাহাড়ে প্রায় সব হোটেলেই থাকা এবং খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। ম্যালের একপাশে 'স্টার' রেস্তোরাঁ বেড়ানোর সময় পাহাড়ি খানার আদর্শ জায়গা।