বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

কুমিল্লা জেলা বাংলাদেশের একটি জেলা। এটি চট্টগ্রাম বিভাগ এর অন্তর্গত। এর উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দক্ষিণে নোয়াখালী ও ফেনী, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা এবং পশ্চিমে মুন্সীগঞ্জ, চাঁদপুর জেলা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা। এই জেলাটির আয়তনঃ ৩০৮৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার। ভারতের সাথে এই জেলার ১০৬ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।

কীভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

স্থলপথে[সম্পাদনা]

সড়ক পথে ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন অসংখ্য বাস ছেড়ে যায়। এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের বাসই এই রুটে চলাচল করে। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর থেকে বিআরটিসি পরিবহনের বাস ছেড়ে যায়।

সড়কপথে বাসের পাশাপাশি ট্রেনে করেও কুমিল্লা যাওয়া যায়। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম রুটের ট্রেনে করে কুমিল্লা যাওয়া যায়। কমলাপুর ছাড়াও যাওয়ার পথে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে যাত্রী ওঠানো হয়।

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

জল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকা হতে সরাসরি লঞ্চে কুমিল্লা

সদরঘাট হতে এম ভি নিউ মিশু নামে মাত্র ১টা লঞ্চ এখনো চলে।সদরঘাট হতে রামচন্দ্রপুর লঞ্চঘাট পর্যন্ত যায়। ছাড়ে রাত ১১টায়,আর কাক ডাকা ভোরে পৌঁছে। অদ্ভুত ভ্রমণ অভিজ্ঞতা হবে মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে। আর জোছনা রাত হলেতো কথাই নেই।রামচন্দ্রপুর মুরাদনগর থানায়,রামচন্দ্রপুর থেকে কুমিল্লা শহর ৪০ কিমি, রামচন্দ্রপুর থেকে লোকাল বাসে কুমিল্লা শহরে যেতে আনুমানিক সময় নেয় ২-২.৩০ ঘণ্টা।রামচন্দ্রপুরের ছানার জিলাপি কিন্তু বেশ।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি
  • শালবন বিহার
  • আনন্দ বিহার
  • ময়নামতি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও যাদুঘর
  • বোটানিক্যাল গার্ডেন
  • ব্লু ওয়াটার পার্ক
  • কুমিল্লা পৌর উদ্যান
  • শাহ সুজা মসজিদ
  • ধর্মসাগর দীঘি
  • রূপসাগর দীঘি
  • বলেশ্বর দীঘি
  • রূপবানমুড়া
  • চন্ডীমুড়া
  • লালমাই বৌদ্ধ বিহার
  • লালমাই পাহাড়
  • ময়নামতি পাহাড়
  • কুটিলা মুড়া
  • ইটাখোলা মুড়া
  • সতের রত্নমুড়া
  • রাণীর বাংলার পাহাড়
  • আনন্দ বাজার প্রাসাদ
  • ভোজ রাজদের প্রাসাদ
  • রাজশেপুর ইকোপার্ক
  • বিরাহিমপুর শাল বন
  • রানির কুঠির
  • লেকল্যান্ড পার্ক
  • 1 ডাইনো পার্ক (ঢাকা থেকে সড়ক পথে অর্থাৎ বাসে করে কুমিল্লা যেতে মাত্র ২ ঘন্টার মত সময় লাগে। ঢাকার কমলাপুর থেকে কুমিল্লা টমছম ব্রীজগামী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট (২০০ টাকা), তিশা প্লাস (ভাড়া ১৫০ টাকা) অথবা এশিয়া এয়ার কন/রয়েল কোচ/প্রিন্স (ভাড়া ২৫০ টাকা) দিয়ে সরাসরি কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড নেমে সেখান থেকে লোকালে (২০টাকা) বা সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পার হয়ে ডাইনো পার্ক যেতে পারবেন।এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সহজেই কুমিল্লা আসতে পারবেন। চট্টগ্রামগামী (সুবর্ণা ও সোনার বাংলা বাদে) প্রায় সকল ট্রেনই কুমিল্লা স্টেশনে থামে। ঢাকা থেকে কুমিল্লা জনপ্রতি ভাড়া ৯০-২৫০ টাকা।)। ডাইনো পার্ক কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ির জামমূড়ায় লালমাই পাহাড়ের ১২ একর জায়গা নিয়ে একটি ডাইনোসর পার্ক (Q118370345)
  • 2 ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক (ঢাকা থেকে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বাসে করে এসে নেমে পরতে হবে কোটবাড়ি বিশ্বরোড। এসি বাসে এলে ভাড়া লাগবে ২৫০ টাকা এবং নন এসি বাসের ভাড়া পড়বে ১৫০ বা ২০০ টাকা। কোটবাড়ি থেকে অটো কিংবা সিএনজিতে করে পার্কের গেটে চলে যেতে ২০-২৫ মিনিট সময় লাগবে। ভাড়া জনপ্রতি ২৫-৩০ টাকা অথবা রিজার্ভ করলে ১৫০-১৮০ নিবে।)। কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত একটি বিনোদন কেন্দ্র। বিশ্বের সবচেয়ে বড় থিম পার্ক ডিজনিল্যান্ডের আদলে তৈরি করা হয়েছে এর বিশাল ফটক। এখানে রয়েছে ওয়াটার পার্ক, ২০টিরও বেশি বিভিন্ন ধরনের রাইড, ডাইনোসর পার্ক এবং পিকনিক স্পট। ২০০৳ উইকিপিডিয়ায় ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্ক (Q113674162)
  • 3 রাণী ময়নামতি প্রাসাদ ও মন্দির (রানী ময়নামতির প্রাসাদে যেতে হলে প্রথমেই কুমিল্লা শহর আসতে হবে। ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে কুমিল্লা যেতে পারবেন। কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন হতে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, উপকূল এক্সপ্রেস, তূর্ণা ও পাহারিকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কুমিল্লা যাওয়া যায়। রাজধানীর সায়েদাবাদ বা কমলাপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে রয়্যাল কোচ, এশিয়া এয়ারকন, বিআরটিসি, প্রিন্স, এশিয়া লাইন, তৃষার মতো নন এসি বা এসি বাসে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে পারবেন। অথবা চট্টগ্রাম বা ফেনীগামী বিভিন্ন বাসে কুমিল্লা যাওয়া যায়। বাসভেদে ভাড়া লাগবে ১৭০ থেকে ৩০০ টাকা। বাস থেকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড বা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট গেইট নেমে অটোরিকশা দিয়ে ময়নামতি সাহেব বাজার এলাকার কাছে অবস্থিত রানী ময়নামতির প্রাসাদ যেতে পারবেন।)। উইকিপিডিয়ায় রাণী ময়নামতি প্রাসাদ ও মন্দির (Q31724123)
  • 4 কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত। উইকিপিডিয়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  • 5 কুমিল্লা চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেনএটি বাংলাদেশের কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে অবস্থিত কুমিল্লা মহানগরীর নাগরিকদের বিনোদনের জন্য একটি চিড়িয়াখানা । উইকিপিডিয়ায় কুমিল্লা চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন (Q29025197)
  • 6 ময়নামতী ওয়ার সিমেট্রি (কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে এটি অবস্থিত। যে কোন কুমিল্লাগামী বাস এ করে কুমিল্লা সেনানিবাসের কাছে নামতে হবে। সেখান থেকে উত্তরে রাস্তা ধরে যে কোন গাড়ি বা বাহনে করে চলে যাবেন ময়নামতি কবরস্থানে যাওয়া যাবে। ভাড়া লাগবে ১০ টাকা জন প্রতি।)। বাংলাদেশের কুমিল্লাতে অবস্থিত একটি কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি। এটি মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯–১৯৪৫) নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও বৃটিশ সৈন্যদের কবরস্থান। ১৯৪১–১৯৪৫ সালে বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫০০০ কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মায়ানমার (তৎকালীন বার্মা), আসাম, এবং বাংলাদেশের ৯টি রণ সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধিক্ষেত্র আছে, যার অপরটি চট্টগ্রামে অবস্থিত। প্রতিবছর প্রচুর দর্শনার্থী যুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রতি সম্মান জানাতে এসকল রণ সমাধিক্ষেত্রে আসেন। উইকিপিডিয়ায় ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (Q13059208)
  • 7 ধর্মসাগরত্রিপুরার অধিপতি মহারাজা প্রথম ধর্মমাণিক্য ১৪৫৮ সালে ধর্মসাগর খনন করেন। এই অঞ্চলের মানুষের জলের কষ্ট নিবারণ করাই ছিল রাজার মূল উদ্দেশ্য। ধর্মসাগরের উত্তর কোণে রয়েছে রাণীর কুঠির, পৌরপার্ক। পূর্ব দিকে কুমিল্লা স্টেডিয়াম আর পশ্চিম পাড়ে বসার ব্যবস্থা আছে। উইকিপিডিয়ায় ধর্মসাগর (Q15213881)

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

রসমালাই নামক বিখ্যাত মিষ্টি কুমিল্লায় তৈরি করা হয়। কুমিল্লার রসমলাই সারাদেশে এক নামে পরিচিত। দুধ, ছানা ও চিনি সমন্বয়ে তৈরি এ মিস্টান্ন। যার প্রচলন কুমিল্লাতেই শুরু হয়। এছাড়াও অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্যাদি প্রস্ত্ততের জন্য কুমিল্লা বিখ্যাত।

রাত্রিযাপন[সম্পাদনা]

হোটেল/আবাসনের ধরণ: বেসরকারী

হোটেল/মোটেল/রেস্তোরাঁ/রেস্ট হাউজ/গেস্ট হাউজ/ডাকবাংলো ইত্যাদির নাম →পরিচালনাকারী/মালিকের নাম →ঠিকানা

  • হোটেল কিউ প্যালেস →ইমতিয়াজ আহমেদ কোরাইসী →রেইসকোর্স, কুমিল্লা
  • আমানিয়া রেষ্ট হাউস (আবাসিক) →হাজী নুরুল আমিন → কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
  • হোটেল ড্রিমল্যান্ড(আবাসিক) →জনাব খিজির হায়াত খাঁন →ছাতিপট্টি, কুমিল্লা
  • হোটেল নিদ্রাবাগ(আবাসিক) →জনাব সালামত আলী খাঁন → রাজগঞ্জ, কুমিল্লা
  • মাসুম রেষ্টহাউস(আবাসিক) →জনাব মোঃইউসুফ জামিল → শাসনগাছা, কুমিল্লা
  • হোটেল মেলোডি(আবাসিক) →জনাব নেয়ামত আলী →শাসনগাছা, কুমিল্লা
  • হোটেল নূর(আবাসিক) →জনাব মোঃআরিফুল ইসলাম →শাসনগাছা, কুমিল্লা
  • সবুজ রেষ্টহাউস (আবাসিক) →জনাব মোঃছবির আহম্মদ ভূঁঞা →স্টেশন রোড, কুমিল্লা
  • হোটেল মিডটাউন(আবাসিক) →জনাব এ.জেড.এম ছালেকীন → পুলিশ সুপার মার্কেট, কুমিল্লা
  • হোটেল মেরাজ (আবাসিক) →হাজী ইস্কান্দর আলী →কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
  • ঢাকা রেষ্ট হাউস(আবাসিক) →হাজী আহাম্মদ আলী →রেলগেইট, শাসনগাছা
  • আজমীর রেষ্ট হাউস (আবাসিক) →জনাব সামছুল হক নিজামী →মনোহরপুর, কুমিল্লা
  • হোটেল আল-ফালাহ (আবাসিক) →জনাব মোঃ আবদুর রহমান → আলেখারচর, কুমিল্লা
  • হোটেল আল-রফিক(আবাসিক) →জনাব মোঃ রফিকুল হক →কান্দিপাড়, কুমিল্লা
  • আনছারিয়া রেষ্ট হাউস (আবাসিক) →জনাব মাহবুবুর রহমান →মোগলটুলী, কুমিল্লা
  • আসিক রেসিডেন্সিয়াল রেষ্টহাউস(আবাসিক) →জনাব মামুদুর রহমান → নজরুল এভিনিউ, কুমিল্লা
  • নিউ আল-আমিন রেষ্ট হাউস(আবাসিক) →জনাব মোঃনাসিম →আলেখারচর, কুমিল্লা
  • বিরতি রেষ্টুরেন্ট →সৈয়দ শফিকুল হক, বিরতি রেষ্টুরেন্ট আলেখারচর, কুমিল্লা
  • হোটেল কস্তুরী →কাজী গোলাম মোস্তফা টিপু →হোটেল কস্তুরী, কান্দিরপাড়, কুমিল্লা
  • সুগন্ধা হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট →জনাব মোঃ শের আলী → ফৌজদারী, কুমিল্লা