উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন


আলিয়া খাসিয়াপুঞ্জী বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলা বাহুবল উপজেলার একটি দর্শনীয় স্থান। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী খাসিয়াদের জীবনাচার দেখার জন্য পর্যটকেরা এই এলাকাটি ভ্রমণ করে থাকেন যা বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের মুছাই এলাকায় অবস্থিত।

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের অন্তর্গত মিরপুর - শ্রীমঙ্গল মহাসড়কের মাঝামাঝি 'মুছাই' নামক স্থান থেকে ১ কি: মি: ভেতরে আলিয়া খাসিয়াপুঞ্জীর অবস্থান।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী খাসিয়ারা এখানে বসবাস করছে বংশ পরস্পরায়। বেশ কিছু খাসিয়া পরিবার তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে গৃহ নির্মাণ করে সেখানে নিজেদের কৃষ্টি-কালচার অনুসারে সমাজবদ্ধ হয়ে থাকে। পাহাড় ও বনভূমি বেষ্টিত জায়গাটির প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বসবাসকারী অধিবাসীদের জীবনাচার পর্যটকদের নিকট দারুণ আকর্ষনীয়।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়ক পথে ঢাকা হতে বাহুবলের দূরত্ব ১৮৫ কিলোমিটার ও বিভাগীয় শহর সিলেট হতে দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার এবং জেলা শহর হবিগঞ্জ হতে বাহুবলের দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। রেলপথে ঢাকা হতে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার; এখানে রেল যোগাযোগ নেই বিধায়, প্রথমে শায়েস্তাগঞ্জ এসে তারপর মিরপুর হয়ে খাসিয়াপুঞ্জীতে আসতে হয়।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে সিলেট বিভাগের যেকোন স্থানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাসে শায়েস্তাগঞ্জ বা মিরপুর এসে বাস বা সিএসজি অটোরিক্সায় খাসিয়াপুঞ্জীতে আসতে হবে। ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পরিবহনে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • এসি বাসে - ১২০০ টাকা এবং
  • নন-এসি বাসে - ৩৭০ টাকা।

ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা পরিবহনে মিরপুর আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • এসি বাসে - ১২০০ টাকা এবং
  • নন-এসি বাসে - ৪০০ টাকা।

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে হবিগঞ্জে আসার সরাসরি দুরপাল্লার বাস সার্ভিস আছে; এগুলোতে সময় লাগে ৪ হতে ৫ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে সরাসরি হবিগঞ্জ আসার জন্য পরিবহন কোম্পানিগুলো হচ্ছে - অগ্রদুত পরিবহন (এসি ও নন-এসি), দিগন্ত পরিবহন (এসি ও নন-এসি) এবং বিছমিল্লাহ পরিবহন (নন-এসি)।

  • ঢাকা-হবিগঞ্জ রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহনে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • এসি বাসে - ২৫০ টাকা এবং
    • নন-এসি বাসে - ২০০ টাকা।
  • সরাসরি চলাচলকারী পরিবহন হবিগঞ্জ হতে ছাড়ার সময় হলোঃ
    • অগ্রদুত পরিবহন - ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিট, ভোর ০৫টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৬টা, সকাল ০৭টা (এসি), সকাল ০৮টা, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ২টা এবং বিকাল ০৪টা (এসি)।
    • দিগন্ত পরিবহন - ভোর ০৫টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৮টা (এসি), সকাল ১১টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং বিকাল ০৩টা।
    • বিছমিল্লাহ পরিবহন - ভোর ০৫টা ৪৫ মিনিট, সকাল ০৬টা ১৫ মিনিট, সকাল ৭টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট এবং বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট।
  • সরাসরি চলাচলকারী পরিবহন ঢাকা হতে ছাড়ার সময় হলোঃ
    • অগ্রদুত পরিবহন - সকাল ০৭টা ১০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট (এসি), সকাল ০৯টা ৫০ মিনিট, সকাল ১১টা ১০ মিনিট, দুপুর ০১টা ১০ মিনিট, বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৬টা ৩০ মিনিট।
    • দিগন্ত পরিবহন - সকাল ০৯টা ১০ মিনিট, সকাল ১১টা ৫০ মিনিট, দুপুর ০১টা ৫০ মিনিট, বিকাল ০৩টা ১০ মিনিট (এসি), বিকাল ০৫টা ৫০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৭টা ৪৫ মিনিট।
    • বিছমিল্লাহ পরিবহন - সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ৭টা ৫০ মিনিট, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট, বিকাল ০৫টা ১০ মিনিট এবং সন্ধ্যা ০৭টা ১০ মিনিট।

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন এবং মহাখালী বাস স্টেশন থেকে বাহুবলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাস রয়েছে। সরাসরি রুটে চলাচলকারী পরিবহনে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • নন-এসি বাসে - ৩০০ টাকা।

১০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত বিভাগীয় শহর সিলেট হতে 'হবিগঞ্জ বিরতিহীন এক্সপ্রেস' বাসে ২ থেকে ২:৩০ ঘণ্টায় মিরপুর আসা যায়। এপথে ভাড়া নেয়া হয় ১৫০ টাকা।

জেলা শহর হবিগঞ্জ হতে মিরপুর আসার জন্য সাধারণত সরাসরি বাস ও ম্যাক্সি সার্ভিস রয়েছে। এক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • বাসে - ৩০ টাকা এবং
  • ম্যাক্সিতে - ৩৫ টাকা।

রেলপথ[সম্পাদনা]

মিরপুর আসার জন্য সরাসরি রেল যোগাযোগ নেই; এখানে আসতে হয় নয়াপাড়া বা শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে। তবে, সবচেয়ে নিকটবর্তী ও আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির স্থান হলো শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন।

ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন বা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনে সরাসরি শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে সড়ক পথে মিরপুর আসা যায়; কারণ শায়েস্তাগঞ্জ হচ্ছে রেলপথে সিলেট বিভাগে প্রবেশের অন্যতম প্রধান স্টেশন এবং এই শহরটির উপর দিয়েই মূল ঢাকা-সিলেট ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথটি বিস্তৃত। কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ঢাকা – সিলেট এবং চট্টগ্রাম – সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো হলোঃ

  • ৭১০ পারাবত এক্সপ্রেস - সিলেট হতে দুপুর ০৩ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে (মঙ্গলবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে ভোর ০৬ টা ৩৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিটে (মঙ্গলবার বন্ধ);
  • ৭১৮ জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৮ টা ৪০ মিনেটে ছাড়ে এবং ঢাকায় বিকাল ০৪ টায় পৌছে (বৃহস্পতিবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে দুপুর ১২ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে সন্ধ্যা ০৭ টা ৫০ মিনিটে (কোন বন্ধ নেই);
  • ৭২০ পাহাড়ীকা এক্সপ্রেস (শনিবার বন্ধ) সিলেট হতে সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে রাত ০৭ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে;
  • ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস (রবিবার বন্ধ) সিলেট হতে রাত ০৭ টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে ভোর ০৫ টা ৫০ মিনিটে পৌছে;
  • ৭৪০ উপবন এক্সপ্রেস - সিলেট হতে রাত ১০ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় ভোর ০৫ টা ১০ মিনিটে পৌছে (কোন বন্ধ নেই) ও ঢাকা থেকে রাত ০৯ টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে (বুধবার বন্ধ);
  • ৭৭৪ কালনী এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৭ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় দুপুর ০১ টা ২৫ মিনিটে পৌছে (শুক্রবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে বিকাল ০৪ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে (শুক্রবার বন্ধ)।
  • ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • ২য় শ্রেণির সাধারণ - ৫৫ টাকা;
    • ২য় শ্রেণির মেইল - ৭৫ টাকা;
    • কমিউটার - ৯০ টাকা;
    • সুলভ - ১১০ টাকা;
    • শোভন - ১৮০ টাকা;
    • শোভন চেয়ার - ২১৫ টাকা;
    • ১ম শ্রেণির চেয়ার - ২৮৫ টাকা;
    • ১ম শ্রেণির বাথ - ৪২৫ টাকা;
    • এসি সীট - ৪৮৯ টাকা এবং
    • এসি বাথ - ৭৩১ টাকা।

ট্রেন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ☎ ০২-৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১১৬৯১৬১২
  • বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, ☎ ০২-৮৯২৪২৩৯
  • ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

এখানে সরাসরি বিমানে চলাচলের কোনো ব্যবস্থা এখনো তৈরি হয় নি; তবে ঢাকা হতে সিলেটে আকাশ পথে বিমানে এসে সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি কিংবা রেলপথে শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে মিরপুর হয়ে আসা যায়। ঢাকা থেকে সিলেটে আসার জন্য বাংলাদেশ বিমান, জেট এয়ার, নোভো এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়আর - প্রভৃতি বিমান সংস্থার বিমান পরিষেবা রয়েছে।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি করে ফ্লাইট সপ্তাহে ৪ দিন ঢাকা- সিলেট ও সিলেট-ঢাকা রুটে চলাচল করে; ভাড়া লাগবে একপথে ৩,০০০/- এবং রিটার্ণ টিকিট ৬,০০০/-। সময়সূচী হলোঃ

  • ঢাকা হতে সিলেট - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - সকাল ১১ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ১২ টায়।
  • সিলেট হতে ঢাকা - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ০১ টায়।

এই সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কর্পোরেট অফিস: উত্তরা টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ১ জসিম উদ্দিন এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২-৮৯৩২৩৩৮, ৮৯৩১৭১২, ইমেইল: info@uabdl.com, ফ্যাক্স: ৮৯৫৫৯৫৯
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট সেলস অফিস: ডমেস্টিক উইং কুর্মিটোলা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২৮৯৫৭৬৪০, ৮৯৬৩১৯১, মোবাইল: ০১৭১৩-৪৮৬৬৬০
  • ওয়েবসাইট: www.uabdl.com

জল পথে[সম্পাদনা]

অপ্রচলিত মাধ্যম হিসাবে নৌপথ ব্যবহৃত হয়ে থাকে; তবে সরাসরি কোনো নৌযান চলাচল করে না।

নিকটবর্তী দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

  • চা বাগান - মিরপুর বাজার থেকে সড়ক পথে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় যাওয়ার পথে দু পাশে চোথে পড়বে অনেকগুলো চা বাগান।
  • রুপাইছড়া রাবার বাগান - বাহুবল বাজার থেকে সড়কপথে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক দিয়ে সিলেট যাওয়ার পথে পুটিজুরী স্থানটিতে দেখতে পাওয়া যায়।
  • রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড - মিরপুর বাজার থেকে সড়ক পথে পূর্বদিকে ঢাকা সিলেটের পুরাতন মহাসড়কের মিরপুর হতে শ্রীমঙ্গলের দিকে অগ্রসর হলেই রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডটি দেখা যাবে।
  • দি প্যালেস রিসোর্ট - বাহুবল উপজেলা থেকে সিএনজি অথবা বাসযোগে ঢাকা - সিলেট মহাসড়কে পুটিজুরী নামক স্থানে নামতে হয়; সেখান সিএনজি যোগে ০৪ কি.মি অতিক্রম করলেই রিসোর্টটিতে পৌছা যায়।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

বাহুবল বা মিরপুরে স্থানীয় পর্যায়ের বিশেষ কোনো বিখ্যাত খাদ্য নেই। তবে স্থানীয় আনারস, কমলা, পান, লেবু এবং কাঠালের বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চা-পাতা। হাওড় এলাকায় প্রচুর মাছ পাওয়া যায় এবং খামার ভিত্তিক হাঁস পালন করা হয়। এখানে সাধারণভাবে দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার জন্য স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়। স্থানীয় পর্যায়ের উন্নতমানের ও নিরিবিলি পরিবেশের রেস্তোরা হিসাবে রয়েছেঃ

  • দি প্যালেস রিসোর্ট - বাহুবল উপজেলা থেকে সিএনজি অথবা বাসযোগে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে পুটিজুরী নামক স্থানে নামতে হয়; সেখান থেকে সিএনজি যোগে ০৪ কি.মি অতিক্রম করলেই রিসোর্টটিতে পৌছা যায়।

থাকা ও রাত্রি যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

বাহুবলে থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু মানসম্মত রেস্ট হাউস ও মোটামুটি মানের হোটেল রয়েছে। আবাসিক ও রাত্রি যাপনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের যেসব আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে এখানে সেগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

  • ডাক বাংলো - বাহুবল উপজেলা কমপ্লেক্স;
  • দি প্যালেস রিসোর্ট - বাহুবল উপজেলা থেকে সিএনজি অথবা বাসযোগে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে পুটিজুরী নামক স্থানে নামতে হয়; সেখান থেকে সিএনজি যোগে ০৪ কি.মি অতিক্রম করলেই রিসোর্টটিতে পৌছা যায়।
  • শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে রেস্টহাউজ - বাংলাদেশ রেলওয়ে'এর ব্যবস্থাধীন (সরকারী)। মোবাইল: ০১৯২০-৪১৬৬২৩।
  • পল্লী বিদ্যুৎ রেস্টহাউজ, শায়েস্তাগঞ্জ - পল্লী বিদ্যুৎ'এর ব্যবস্থাধীন (সরকারী)।


বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন