এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > খুলনা বিভাগ > সাতক্ষীরা জেলা > কলারোয়া উপজেলা

কলারোয়া উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


কলারোয়া উপজেলা বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ২৩২.৬৪ বর্গ কিমি আয়তনের এই উপজেলাটি ২২°৪৮´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২২°৫৭´ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৮°৫৪´ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৮৯°০৯´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত, যার উত্তরে শার্শা, ঝিকরগাছামনিরামপুর উপজেলা; দক্ষিণে সাতক্ষীরা সদরতালা উপজেলা; পূর্বে কপোতাক্ষ নদ এবং কেশবপুর, মনিরামপুরতালা উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে উপজেলা সদরের দূরত্ব ২৫৫ কিলোমিটার এবং জেলা সদর হতে ১৮ কিলোমিটার। এই জেলাটি একটি উপকূলী অঞ্চল। এখানে সড়ক পথে আসাতে হয়। তবে, রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

আকাশপথ[সম্পাদনা]

এখানে কোন বিমানবন্দর না থাকায় সরাসরি আকাশপথে ভ্রমণ সম্ভব নয়। তবে ঢাকা থেকে পার্শ্ববর্তী জেলা যশোর বিমান বন্দরের নেমে ভাড়ায় চালিত গাড়ীতে তুলনামুলক স্বল্প সময়ে পৌছানো সম্ভব।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

রাজধানী শহরের সংগে সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে। আন্তঃজেলা বাস যোগাযোগব্যবস্থা আছে। ঢাকা থেকে কলারোয়া সাধারনত সড়ক পথেই যাতায়েত করা হয়ে থাকে। ঢাকা থেকে কলারোয়া সড়ক পথে যাতায়েত করতে সময় লাগে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা, তবে ফেরী পারাপারের সময় যানজট থাকলে সময় বেশী লাগে। গাবতলী ও সায়েদাবাদ টার্মিনাল থেকে বেশ কয়েকটি বাস ছেড়ে যায়। এ সব বাস গুলোর মধ্যে কে লাইন পরিবহন, ঈগল পরিবহন, দিগন্ত পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, বিআরটিসি, সৌদিয়া, ইয়েলো, দ্রুতি পরিবহন, আরা পরিবহন, সোহাগ পরিবহন প্রভৃতি অন্যতম। সাতক্ষীরা ও খুলনা রুটের অনেক গাড়ী লঞ্চে যাত্রী পারাপার করে থাকে। লঞ্চে যাতায়াত করলে সময় ও অর্থ দুটোই কম লাগে।

নৌপথ[সম্পাদনা]

পার্শ্ববর্তী উপকূলীয় এলাকা হতে নৌপথে যোগাযোগ রয়েছে।

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. শ্যামসুন্দর মন্দির;
  2. সোনাবাড়িয়া তিনতলা মঠ;
  3. কোঠাবাড়ি থান (সম্রাট জাহাঙ্গীরের দেওয়ান কর্তৃক নির্মিত দূর্গের অংশবিশেষ বলে কথিত),
  4. চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ (১৮৬২),
  5. মোহাম্মদ শাহ (মল্লিক শাহ)-এর দরগা,
  6. হামিদী সাহেবের দরগা।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

কলারোয়া চিংড়ি চাষের জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও রয়েছে নোনা পানির মাছ। এছাড়াও খাওয়া দাওয়ার জন্যে রয়েছে উন্নতমানের -

  • উপজেলা ক্যন্টিন - কলারোয়া; মোবাইলঃ ০১৭২৪-৮৪৮ ৭৪৭।
  • দুলালের মিষ্টি - কলারোয়া বাজার।
  • জয়ন্তী মিষ্টান্ন ভান্ডার - কলারোয়া; মোবাইলঃ ০১৬৭১-৩৬৫ ২৪৯।

রাত্রী যাপন[সম্পাদনা]

কলারোয়ায় থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু সাধারণ মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকার জন্যে রয়েছে উন্নতমানের -

  1. জেলা পরিষদ ডাকবাংলো - কলারোয়া; মোবাইলঃ ০১৭১১৮২৮১৫৫।
  2. সুমন আবাসিক হোটেল - কলারোয়া; ফোনঃ ০৪৭২৪-৭৫৪১৩।
  3. জেস ফাউন্ডেশন গেস্ট হাউস - কলারোয়া; মোবাইলঃ ০১৭১২২০২৯৮৮।

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

জননিরাপত্তা সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • ওসি, কলারোয়াঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ১৪৬।