23.4591.20Map mag.png

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

কুমিল্লা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে গোমতী নদীর তীরে অবস্থিত কুমিল্লা মহানগরী। ঢাকাচট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই শহর। এটি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি বৃহত্তর জেলা। এটি জেলা শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম। কুমিল্লার মহানগর এলাকার আয়তন ৫০ বর্গ কিলোমিটার। এবং ২০১৯ অনুযায়ী মহানগর এলাকার জনসংখ্যা ৯ লক্ষ ২০ হাজার। এটি (প্রস্তাবিত কুমিল্লা বিভাগের) প্রশাসনিক কেন্দ্র।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন সড়ক 'গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড' কুমিল্লা শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। বর্তমানে, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক (ঢাকা-কুমিল্লা-চট্টগ্রাম) মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের পাশ দিয়ে গেছে। রাজধানী ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। সড়ক অথবা রেলপথের মাধ্যমে ভ্রমণ করা যায়। তবে রেলপথে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে মোট ১৯৭ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। স্থানীয় প্রশাসন আরএইচডি, এলজিইডি ও পৌরসভা সকল রাস্তা তদারকি করে থাকে।

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়ক পথে ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন অসংখ্য বাস ছেড়ে যায়। এসি ও নন-এসি উভয় ধরনের বাসই এই রুটে চলাচল করে। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর থেকে বিআরটিসি পরিবহনের বাস ছেড়ে যায়।

সড়কপথে বাসের পাশাপাশি ট্রেনে করেও কুমিল্লা যাওয়া যায়। ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে চট্টগ্রাম রুটের ট্রেনে করে কুমিল্লা যাওয়া যায়। কমলাপুর ছাড়াও যাওয়ার পথে বিমানবন্দর স্টেশন থেকে যাত্রী ওঠানো হয়।

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

জল পথে[সম্পাদনা]

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া, ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ, ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি। এসব বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে যা ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে। ময়নামতি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। ময়নামতি জাদুঘরটি একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ১৯২১ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ভারতের নেতা মহাত্মা গান্ধী কুমিল্লায় এসেছিলেন। কুমিল্লাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী শাল বন পর্যটন স্পট হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সাম্প্রতিক এখানকার ব্লু ওয়াটার পার্ক, ডাইনো পার্ক, ম্যাজিক প্যারাডাইজ ভ্রমণ পিপাসুদের নজর কেড়েছে।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

কুমিল্লা রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত। নগরীর কান্দিরপাড়ের মনোহরপুরে "মাতৃভান্ডার" এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে। মাতৃভান্ডার এর রসমালাই জাতীয় সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত।

রাত্রি যাপন[সম্পাদনা]

জরুরি নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]