এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > ঢাকা বিভাগ > কিশোরগঞ্জ জেলা > চন্দ্রাবতী মন্দির

চন্দ্রাবতী মন্দির

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

চন্দ্রাবতী মন্দির বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত বাংলা আদি মহিলা কবি খ্যাত চন্দ্রাবতীর স্মৃতিবাহী একটি স্থাপনা। চন্দ্রাবতী বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম বাঙালি মহিলা কবি হিসেবে সুবিখ্যাত। চন্দ্রাবতী মন্দির বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর কর্তৃক তালিকাভুক্ত একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা। প্রকৃতপক্ষে মন্দিরটি একটি শিব মন্দির। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলাধীন মাইজখাপন ইউনিয়নের কাচারীপাড়া গ্রামে ফুলেশ্বরী নদীর তীরে শিবমন্দিরটির অবস্থান।

কীভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

এখানে যেতে হলে প্রথমে কিশোরগঞ্জ যেতে হবে। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ জেলায় সাধারণত সড়ক পথেই যাতায়াত করা হয়ে থাকে। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ, ভৈরব রুটে যে কয়েকটি পরিবহন চলাচল করে তার মধ্যে তিশা পরিবহন, এনা পরিবহন, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস অন্যতম। ভোর ৬.০০ টা থেকে রাত ৯.৩০ টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা পরপর বাসগুলো ঢাকা থেকে ছেড়ে যায়। কিশোরগঞ্জ পৌঁছে রিক্সায় এখানে আসতে পারবেন।

দেখুন[সম্পাদনা]

চন্দ্রাবতী মন্দিরিটি আকৃতিতে অষ্টভুজাকৃতির। মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ৩২ ফুট। এর আত বাহুর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৮ ফুট। মন্দিরের নিচতলায় আছে একটি কক্ষ ও তাতে প্রবেশের পথ। কক্ষের ভেতরে রয়েছে ৭টি কুলুঙ্গি। মন্দিরের দ্বিতীয় তলাতে আছে একটি প্রশস্ত কুলুঙ্গি এবং পোড়ামাটির সুদৃশ্য কাজ। দ্বিতীয় তলা থেকেই মন্দিরটি ক্রমশ সরু হয়ে ৩২ ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় গিয়ে শেষ হয়েছে। এর চূড়ায় রয়েছে ১৯৯০ এর দশকে প্রত্নতত্ত্ব মন্দিরটির কিছু অংশ সংস্কার করে।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

রাত্রি যাপন[সম্পাদনা]

এখানে রাত্রিযাপন করার মতো ভালো কোন আবাসিক হোটেল নেই। রাতে কিশোরগঞ্জ গিয়ে থাকতে হবে।

এরপরে যান[সম্পাদনা]