এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

(জিতু মিয়ার বাড়ী থেকে পুনর্নির্দেশিত)
এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > সিলেট বিভাগ > সিলেট জেলা > সিলেট > জিতু মিয়ার বাড়ি

জিতু মিয়ার বাড়ি

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

জিতু মিয়ার বাড়ি সিলেটের অন্যতম প্রধান দর্শনীয় স্থান, যা সিলেট সদরের অন্তর্গত কাজিরবাজর নতুন ব্রীজের পার্শ্বে অবস্থিত। এটি সিলেটের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার (উত্তর সুরমা) ব্রিজের ডানপার্শ্বে সুরমা নদীর তীরে কাজীরবাজার এলাকায় এই ঐতিহাসিক বাড়িটি নির্মাণ করেন সিলেটের জায়গীরদার খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওরফে জিতু মিয়া। এটি সিলেট শহরের '০' পয়েন্টের ৫০০ মিটারের মধ্যে রয়েছে।

বিশেষত্ব[সম্পাদনা]

সিলেট নগরীর শেখঘাটে কাজীরবাজারের দক্ষিণ সড়কের ধারে ১ দশমিক ৩৬৫ একর ভুমি জুড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী জিতু মিয়ার বাড়ি। চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত মুসলিম স্থাপত্য কলার অনন্য নিদর্শন এ দালানটি। বর্তমান কাজিরবাজার গরুর হাট ছিল কাজিদের মূল বাড়ি। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে বাড়িটি লন্ডভন্ড হয়ে গেলে বর্তমান জায়গায় বাড়িটি স্থানান্তরিত হয়। ১৯১১ সালে এ বাড়ির সামনের দালানটি নির্মাণ করা হয়।

উল্লেখ্য, খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওরফে জিতু মিয়া (১৮৫১-১৯২৫) প্রথম জীবনে কিছুদিন সাব রেজিস্টার ছিলেন; পরে তিনি এই চাকরি ছেড়ে দেন। ১৮৯৭ থেকে ১৯০৩ সাল পযর্ন্ত তিনি সিলেট পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ও অনারারী ম্যাজিস্টেট ছিলেন। জিতু মিয়ার পরিবারের জাকঁজমক চলাফেরা ও বিলাসী জীবন যাত্রা ছিল সে কালের এক অন্যতম আলোচিত বিষয়। কথিত আছে, জিতু মিয়ার পরিবারে ১২২টি চুলোয় রান্না-বান্না হতো। প্রতিদিন জরুরী প্রয়োজনে গ্রাম থেকে শহরে আসা শত শত লোক জিতু মিয়ার বাড়িতে আতিথেয়তা গ্রহণ করতেন। খাঁন বাহাদুর জিতু মিয়ার প্রথম স্ত্রী ছিলেন তার চাচা মাওলানা আব্দুল রহমানের মেয়ে সারা খাতুন। সারা খাতুনের অকাল মৃত্যুতে ঢাকার নবাব পরিবারের খাজা রসুল বক্সের মেয়েকে তিনি বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীও অকালে মৃত্যুবরণ করেন। তাদের ঘরেও কোনো সন্তান-সন্তনি ছিল না। তবে পরবর্তীতে জিতু মিয়ার আরও বিয়ে করেছিলেন বলে জানা যায় এবং সেসব স্ত্রীর ঘরে তার বহু সন্তান-সন্ততি রয়েছে। কিন্তু দুরদর্শী জিতু মিয়া তার জমিদারি ও বিশেষ করে আলীশান বাড়িটির অস্তিত্ব চিরদিন অক্ষত রাখান লক্ষ্যে মৃত্যুর আগে, ১৯২৪ সালে, নিজেকে নিঃসন্তান উল্লেখ করে তৎকালীন আসাম সরকারের অনুমোদন নিয়ে তার যাবতীয় সম্পত্তি ওয়াকফ করেন। "কে বি এহিয়া ওয়াকফ এস্টেট" নামীয় এই এস্টেটের মোতাওয়াল্লি নিযুক্ত হন তৎকালীন জেলা প্রশাসক। পরবর্তীতে সিলেট বিভাগে উন্নীত হলে বিভাগীয় কমিশনার পদাধিকার বলে এই এস্টেটের মোতাওয়াল্লি নিযুক্ত হন। খান বাহাদুর এহিয়া তার সম্পত্তির ৬০% সমাজসেবা, ধর্মীয় কাজ, শিক্ষামুলক কাজে দান করে গেছেন। কে বি এহিয়া ওয়াকফ এস্টেট থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামুলক কাজ, ধর্মীয় কাজ, শিক্ষামুলক কাজে অনুদান, দান ও বৃত্তি প্রদান করা হয়।

আরও উল্লেখ যে, সিলেট সার্কিট হাউস গঠনের আগে খান বাহাদুরের বসত বাড়ি “জিতু মিয়ার বাড়ি” / “এহিয়া ভিলা” / "সাব বাড়ি" / "কাজি বাড়ি"-তে উপমহাদেশের খ্যাতনামা নেতৃবৃন্দ – মহাত্মা গান্ধী, ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ, ভারতের সাবেক রাষ্টপতি জনাব ফখরুউদ্দিন আলি আহমেদ, আসামের সাবেক গভর্নর স্যার সাদ উল্লাহ, ভারতের সাবেক আই সি এস খান বাহাদুর গজনফর আলি, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্তী খাজা নাজিম উদ্দিন, মজলুম নেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, রাজনিতিবিদ ফরিদপুরের লাল মিয়া, মোহন মিয়া, উপমহাদেশের খ্যাতনামা আলেম দীন মওলানা হসসাইন আহমেদ মাদানি, মাওলানা সহুল আহমেদ উসমানী, ফরায়েজি আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ হাজী শরিয়াত উল্লাহর উত্তরসূরী বাদশা মিয়া, পীর মুসলে উদ্দিন, দুদু মিয়া, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-সহ উপমহাদেশের নামকরা ব্যাক্তিরা থেকেছেন, আত্মীয়তার সম্পর্ক করেছেন, বহু সভা সম্মেলন করেছেন। ব্রিটিশ-পাকিস্তান সময়ে সিলেট তথা উপমহদেশের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্র ছিল এই বাড়িটি।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়ক পথে ঢাকা হতে প্রথমে সিলেট যেতে হবে; অতঃপর সেখান থেকে বাড়িটিতে যেতে হবে। ঢাকা হতে সড়ক পথে সিলেটের দূরত্ব ২৪১ কিলোমিটার এবং রেলপথে ঢাকা হতে সিলেট রেল স্টেশনের দূরত্ব ৩১৯ কিলোমিটার। সিলেট এসে সেখান থেকে রিক্সা বা সিএনজি অটো রিক্সায় অতি সহজেই কাজীরবাজার ব্রীজের সন্নিকটস্থ জিতু মিয়ার বাড়িতে আসা যায়।

  • সিলেটের মূল বাস স্ট্যান্ড কদমতলী বাস টার্মিনাল অথবা রেল স্টেশন থেকে কাজীরবাজার ব্রীজের নিকটস্থ বাড়িটিতে আসার জন্য ভাড়া হবেঃ
    • রিক্সায় - ২০/- - ৫০/-;
    • সিএনজিতে - ৬০/- - ১০০/-।

সড়কপথে সিলেট আসা[সম্পাদনা]

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে সিলেটে আসার সরাসরি দুরপাল্লার এসি ও নন-এসি বাস সার্ভিস আছে; এগুলোতে সময় লাগে ৪.৩০ হতে ৬ ঘন্টা। ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে আল-মোবারাকা সোহাগ, হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইউনিক, মামুন, সাউদিয়া, গ্রীনলাইন, মিতালী প্রভৃতি পরিবহণ কোম্পানীর বাস আছে প্রতি ১০ মিনিট পর পর।

  • সোহাগ পরিবহনঃ ☎ ০২-৯৩৩১৬০০ (ফকিরাপুল), ৯১৩২৩৬০ (কমলাপুর), ৯১৩২৩৬০ (কল্যাণপুর), ৭১০০৪২২ (আরমবাগ), ০৮২১-৭২২২৯৯ (সোবাহানীঘাট, সিলেট);
  • আল-মোবারকা পরিবহনঃ ☎ ০২-৭৫৫৩৪৮৩, ০৪৪৭৭৮০৩৪২২, মোবাইল: ০১৭২০-৫৫৬১১৬, ০১৮১৯-১৮৩৬১১, ০১৭১৫-৮৮৭৫৬৬;
  • গ্রীণ লাইন পরিবহনঃ ☎ ০২-৭১৯১৯০০ (ফকিরাপুল), ০১৭৩০-০৬০০৮০ (কল্যাণপুর), ০৮২১-৭২০১৬১ (সোবাহানীঘাট, সিলেট);
  • হানিফ এন্টারপ্রাইজঃ মোবাইল ০১৭১৩-৪০২৬৬১ (কল্যাণপুর), ০১৭১১৯২২৪১৩ (কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, সিলেট);
  • শ্যামলী পরিবহনঃ ☎ ০২-৯০০৩৩১, ৮০৩৪২৭৫ (কল্যাণপুর), ০১৭১৬০৩৬৬৮৭ (কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, সিলেট)।
  • ঢাকা-সিলেট রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • এসি বাসে - ৯০০/- (রেগুলার) ও ১২০০/- (এক্সিকিউটিভ) এবং
    • নন-এসি বাসে - ৪৭০/-।

রেলপথে সিলেট আসা[সম্পাদনা]

ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন বা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনে সরাসরি আসা যায়। কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা – সিলেট এবং চট্টগ্রাম – সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো হলোঃ

  • ৭১০ পারাবত এক্সপ্রেস - সিলেট হতে দুপুর ০৩ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে (মঙ্গলবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে ভোর ০৬ টা ৩৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিটে (মঙ্গলবার বন্ধ);
  • ৭১৮ জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৮ টা ৪০ মিনেটে ছাড়ে এবং ঢাকায় বিকাল ০৪ টায় পৌছে (বৃহস্পতিবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে দুপুর ১২ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে সন্ধ্যা ০৭ টা ৫০ মিনিটে (কোন বন্ধ নেই);
  • ৭২০ পাহাড়ীকা এক্সপ্রেস (শনিবার বন্ধ) সিলেট হতে সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে রাত ০৭ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে;
  • ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস (রবিবার বন্ধ) সিলেট হতে রাত ০৭ টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে ভোর ০৫ টা ৫০ মিনিটে পৌছে;
  • ৭৪০ উপবন এক্সপ্রেস - সিলেট হতে রাত ১০ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় ভোর ০৫ টা ১০ মিনিটে পৌছে (কোন বন্ধ নেই) ও ঢাকা থেকে রাত ০৯ টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে (বুধবার বন্ধ);
  • ৭৭৪ কালনী এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৭ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় দুপুর ০১ টা ২৫ মিনিটে পৌছে (শুক্রবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে বিকাল ০৪ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে (শুক্রবার বন্ধ)।

ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী রেলে ঢাকা হতে সিলেট আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • ২য় শ্রেণির সাধারণ - ৮০ টাকা;
  • ২য় শ্রেণির মেইল - ১১০ টাকা;
  • কমিউটার - ১৩৫ টাকা;
  • সুলভ - ১৬০ টাকা;
  • শোভন - ২৬৫ টাকা;
  • শোভন চেয়ার - ৩২০ টাকা;
  • ১ম শ্রেণির চেয়ার - ৪২৫ টাকা;
  • ১ম শ্রেণির বাথ - ৬৪০ টাকা;
  • স্নিগ্ধা - ৬১০ টাকা;
  • এসি সীট - ৭৩৬ টাকা এবং
  • এসি বাথ - ১,০৯৯ টাকা।

ট্রেন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন, ☎ ০২-৯৩৫ ৮৬৩৪, ৮৩১ ৫৮৫৭, ৯৩৩ ১৮২২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১১-৬৯১ ৬১২
  • বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন, ☎ ০২-৮৯২ ৪২৩৯
  • ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd

আকাশ পথে সিলেট আসা[সম্পাদনা]

সিলেটে সরাসরি বিমানে আসা যায়; ঢাকা থেকে সিলেটের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশ বিমান, জেট এয়ার, নোভো এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়আর - প্রভৃতি বিমান সংস্থার বিমান পরিষেবা রয়েছে ঢাকা থেকে সিলেটে আসার জন্য।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি করে ফ্লাইট সপ্তাহে ৪ দিন ঢাকা- সিলেট ও সিলেট-ঢাকা রুটে চলাচল করে; ভাড়া লাগবে একপথে ৩,০০০/- এবং রিটার্ণ টিকিট ৬,০০০/-। সময়সূচী হলোঃ

  • ঢাকা হতে সিলেট - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - সকাল ১১ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ১২ টায়।
  • সিলেট হতে ঢাকা - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ০১ টায়।

এই সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কর্পোরেট অফিসঃ উত্তরা টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ১ জসিম উদ্দিন এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২-৮৯৩ ২৩৩৮, ৮৯৩ ১৭১২, ইমেইল: info@uabdl.com, ফ্যাক্স: ০২-৮৯৫ ৫৯৫৯
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট সেলস অফিসঃ ডমেস্টিক উইং কুর্মিটোলা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২-৮৯৫ ৭৬৪০, ৮৯৬ ৩১৯১, মোবাইল: ০১৭১৩-৪৮৬ ৬৬০
  • ওয়েবসাইট: www.uabdl.com

জল পথে সিলেট আসা[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে বা সিলেট শহর হতে সরাসরি কোনো নৌযান চলাচল করে না। তবে কাজীরবাজার ব্রীজের পার্শ্ববর্তী এলাকা নৌকায় ভ্রমণ করা যায়।

যেসব দৃশ্যাবলী দেখবেন[সম্পাদনা]

বর্তমানে বাড়ীটির মুল কক্ষটি, যেটি পূর্বে ড্রয়িং রুম হিসেবে ব্যবহৃৎ হতো, সেখানে রয়েছে জিতু মিয়ার সংগৃহিত ক্যালিওগ্রাফি করা পবিত্র কুরআন ও হাদিসের বাণী। এই কক্ষের ডান দিকের অপর একটি কক্ষে রয়েছে একটি লম্বা কালো টেবিল ও ২০টি চেয়ার, যা তৎকালীন সময়ে সভা কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃৎ হতো। বাড়ির ভিতরের অংশে আছে ৮টি বসত ঘর যাতে জমিদার বংশের বসবাস।

  • ঘড়িঘর;
  • সুরমা নদীতে নৌ-ভ্রমণ;
  • পার্শস্থঃ কাজীরবাজার;
  • কাজীরবাজার নতুন ব্রীজ।

সংলগ্ন দর্শনীয় এলাকাসমূহ[সম্পাদনা]

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

বাড়িটির আশেপাশেই প্রচুর হোটেল - রেস্তোরা আছে খাওয়া - দাওয়া করার জন্য। স্থানীয় পর্যায়ের বিখ্যাত খাদ্য হলো আথনী পোলাও ও সাতকরা (হাতকরা)। আরো কিনতে পারবেন স্থানীয় আনারস, কমলা, পান, লেবু, কাঠাল, চা-পাতা, তাজা মাছ। স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে এসকল দ্রব্যাদির তৈরি নানারকম খাদ্যও পাওয়া যায়। বাড়িটির খুব নিকটেই রয়েছে কিছু উন্নতমানের হোটেল-রেস্টুরেন্টঃ

  • পানশী রেস্টুরেন্ট, জল্লারপাড় রোড, জিন্দাবাজার, সিলেট;
  • পাঁচভাই রেস্টুরেন্ট, জল্লারপাড় রোড, জিন্দাবাজার, সিলেট;
  • ভোজনবাড়ি রেস্টুরেন্ট, জল্লারপাড় রোড, জিন্দাবাজার, সিলেট;
  • প্রীতিরাজ রেস্টুরেন্ট, জল্লারপাড় রোড, জিন্দাবাজার, সিলেট;
  • স্পাইসি রেস্টুরেন্ট, সিটি সেন্টার, জিন্দাবাজার, সিলেট, ☎ ০৮২১-২৮৩২০০৮;
  • রয়েলশেফ, মির্জাজাঙ্গাল, সিলেট, ☎ ০৮২১-৭২৩০৯৬।

থাকা ও রাত্রী যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

বাড়িটির নিকটে কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে; তবে তুলনামূলক ভালো মানের হোটের রয়েছে শাহজালালের দরগা এলাকায়। সেখানে থাকার জন্য প্রচুর আবাসিক হোটেল রয়েছে যেগুলোতে সিলেট ভ্রমণে আসা অধিকাংশ পর্যটক অবস্থান করে। এসি এবং নন-এসি - এই উভয় ধরনের রুমের ব্যবস্থা সমৃদ্ধ ঐসকল হোটেলে মান ও বর্ডার ভেদে ভাড়া নেয়া হয় ৩০০/- হতে ২,৫০০/-। এছাড়াও থাকার জন্য আশেপাশেই কয়েক কিলোমিটারের মধ্যে কিছু উন্নতমানের হোটেলও রয়েছে -

  • হোটেল রোজভিউ ইন্টারন্যাশনাল (৫ স্টার) : উপশহর, সিলেট; ☎ ০৮২১-৭২১৮৩৫, ২৮৩১২১৫০৮-১৪, ২৮৩১৫১৬-২১, মোবাইল: ০১১৯৫১১৫৯৬৪, ইমেইল- sales@roseviewhotel.com, reservation@roseviewhotel.com
  • হোটেল ফরচুন গার্ডেন : জেল রোড, সিলেট, ☎ ০৮২১-৭১৫৫৯০, ৭২২৪৯৯, ফ্যাক্স: ০৮২১-৭১৫৫৯০, মোবাইল: ০১৭১১-১১৫১৫৩, ইমেইল- info@hotelfortunegarden.com, ওয়েব: www.hotelfortunegarden.com
  • হোটেল ডালাস : তামাবিল রোড, মিরাবাজার, সিলেট, ☎ ০৮২১-৭২০৯৪৫, ৭২০৯২৯, ইমেইল- hoteldallassylhet@yahoo.com, ওয়েব: www.hoteldallassylhet.com
  • হোটেল সুপ্রিম : তামাবিল রোড, মিরাবাজার, সিলেট, ☎ ০৮২১-৮১৩১৬৯, ৭২০৭৫১, ৮১৩১৭২, ৮১৩১৭৩, ফ্যাক্স: ০৮২১-৮১৩১৭১, মোবাইল: ০১৭১১-১৯৭০১২, ০১৬৭৪-০৭৪১৫৭, ইমেইল- hotelsupreme_1@yahoo.com, hotelsupreme_2@hotmail.com
  • হোটেল হিলটাউন : ভিআইপি রোড, তেলি হাওড়, সিলেট, ☎ ০৮২১-৭১৮২৬৩, মোবাইল:- ০১৭১১৩৩২৩৭১, ৭১৬০৭৭, ওয়েব: www.hiltownhotel.com
  • নাজিমগড় রিসোর্ট : ☎ ০৮২১-২৮৭০৩৩৮-৯, ওয়েব: www.nazimgarh.com

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

চিকিত্সা সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালঃ ☎ ০৮২১-৭১৭ ০৫৫;
  • রাগিব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালঃ ☎ ০৮২১-৭১৯ ০৯০, ৭১৯ ০৯১-৬;
  • সিলেট ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালঃ ☎ ০৮২১-২৮৩ ০৫২০;
জননিরাপত্তা সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • ওসি কোতয়ালী, সিলেটঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ৩৭৫;
  • ওসি দক্ষিন সুরমাঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ৩৮৬।