বিষয়বস্তুতে চলুন

উইকিভ্রমণ থেকে

পিরোজপুর জেলা বাংলাদেশের একটি জেলা। এটি বরিশাল বিভাগ এর অন্তর্গত। বাংলাদেশের দক্ষিণবঙ্গ নামে পরিচিত বরিশাল বিভাগের একটি জেলা হচ্ছে পিরোজপুর। সুন্দরবনের কোলঘেঁষা কালীগঙ্গা, বলেশ্বর, দামোদর, সন্ধ্যানদী বিধৌত প্রাকৃতিক সবুজের লীলাভূমি পিরোজপুর জেলা। ১৬০০ সালের আগেও এ অঞ্চল ছিলো সমুদ্র গর্ভে। বাংলার স্বাধীন নবাব আলিবর্দি খানের অধীনে ঢাকা অঞ্চলে ফিরোজ সরদার নামের এক প্রভাবশালী প্রশাসক ছিলেন ১৬০০ সাল হতে ফিরোজ সরদার এর আরো ৪ পুরুষ আগে থেকে বসাবস করে আসছে পিরোজপুর অঞ্চলে । ফিরোজ সরদার ১৭০০ সালে এ অঞ্চলের বন জঙ্গল কেটে মানুষের বসাবসের জায়গা তৈরি করেন এবং ১৭৫৩ সালে ঢাকার নবাব বাড়িতে শহীদ হলে তার নাম অনুসারে এ অঞ্চল নামকরণ করা হয় ফিরোজপুর যা পরবর্তীতে পিরোজপুর নামে পরিনত হয় ৷ ফিরোজ সরদার শহীদ হওয়ার আগে তার একটি পুত্র সন্তান কে রেখে যান, তার নাম রাখা হয়েছিল এলেম উদ্দিন সরদার, এলেম উদ্দিন সরদার এর পরে কিতাব উদ্দিন সরদার, কুতুবউদ্দিন সরদার, নিজাম উদ্দিন সরদার, নাজিম উদ্দিন সরদার, এবং সর্বশেষ কুরবান আলী সরদার জমিদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । কুরবান আলী সরদার এর চার জন পুত্র সন্তান এবং সাতজন কন্যা সন্তান ছিল সন্তানরা হলো জব্বারুল হক সরদার, শামসুল হক সরদার, জহুরুল হক সরদার, ও সর্বশেষ আমিন উদ্দিন সরদার । ১৮৫৯ সালের ২৮ অক্টোবর পিরোজপুর মহকুমা স্থাপিত হয়। পিরোজপুর মহাকুমা ১৯৮৪ সালে জেলায় রূপান্তরিত হয়। ঢাকা থেকে পিরোজপুর জেলায় যেতে সময় লাগে ৪/৫ ঘণ্টা। পিরোজপুর জেলার উত্তরে বরিশাল জেলাগোপালগঞ্জ জেলা, দক্ষিণে বরগুনা জেলা, পূর্বে ঝালকাঠি জেলাবরগুনা জেলা, পশ্চিমে বাগেরহাট জেলা। এই জেলাটি ভান্ডারিয়া, কাউখালী, মঠবাড়িয়া, নাজিরপুর, পিরোজপুর সদর, নেছারাবাদইন্দুরকানী - এই সাতটি উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত।

কীভাবে যাবেন?

[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে পিরোজপুর সদরের দূরত্ব সড়ক পথে ১৮৫ কিলোমিটার ও জলপথে ২৫০ কিলোমিটার আর বিভাগীয় শহর বরিশাল থেকে ৫০ কিলোমিটার। এই জেলাটি একটি উপকূলীয় ও নদীবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানকার যেকোনো স্থানে আসার জন্য নৌপথ সবচেয়ে আরামদায়ক পরিবহন ব্যবস্থা। তবে, দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সড়ক পথ সবচেয়ে সুবিধাজনক; সেক্ষেত্রে পদ্মা সেতু পার হয়ে যেতে হয়। পিরোজপুরে রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

স্থলপথে

[সম্পাদনা]

স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় বর্তমানে সড়কপথে ঢাকা থেকে পিরোজপুর সরাসরি পিরোজপুরের বাসে যাওয়া যায়।

ঢাকার গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ উভয় বাস টার্মিনাল থেকেই ঢাকা-পিরোজপুর রুটের সরাসরি গাড়ি রয়েছে। উভয় বাস টার্মিনাল ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা সেতু পার হয়ে পিরোজপুর যাতায়াত করে।

জল পথে

[সম্পাদনা]

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন একাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যায়। সড়কপথের তুলনায় নদীপথে লঞ্চে যাতায়াত আরামদায়ক। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ টা থেকে শুরু করে রাত ৮:৩০ টা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। পরদিন সকাল ৮:০০ টা থেকে ১০:০০ টার মধ্যে লঞ্চগুলো পিরোজপুর গিয়ে পৌছায়। পিরোজপুর হুলারহাট নামক ঘাটে নেমে ঘাট থেকে রিক্সা (ভাড়া ৩০-৫০ টাকা), ভ্যান (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) ও টেম্পুযোগে (ভাড়া ২০-৩০ টাকা) পিরোজপুর শহরে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ব্যক্তিমালিকানাধীন লঞ্চের পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএ-র রকেটও ঢাকা-পিরোজপুর রুটে চলাচল করে। লঞ্চের তুলনায় রকেটে যাতায়াত কিছুটা আরামদায়ক। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত সপ্তাহের ৫ দিন রকেট চলাচল করে। রকেটগুলো প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:৩০টায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে গিয়ে পরদিন সকাল ৮:০০টা থেকে ১০:০০টার মধ্যে পিরোজপুরের হুলারহাট ঘাটে গিয়ে পৌছায়।

দর্শনীয় স্থান

[সম্পাদনা]
  • রায়েরকাঠী জমিদার বাড়ি
  • মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিরবাড়ি
  • পিরোজপুরের প্রাচীন মসজিদ
  • মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ
  • শ্রীরামকাঠী প্রণব মঠ সেবাশ্রম
  • গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব
  • শেরে বাংলা পাবলিক লাইব্রেরী
  • মাঝের চর মঠবাড়ীয়া
  • পারেড় হাট জমিদার বাড়ি
  • বলেশ্বর ঘাট শহীদ স্মৃতিস্তভ
  • সি আই পাড়া সরদার বাড়ি

বাংলার ইতিহাসে ১৬শ শতক ছিল নতুন বসতি স্থাপন, জমিদারি বিস্তার এবং নৌপথকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা গঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়েই পিরোজপুর অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন সি আই পাড়ার সর্দার বংশ। পরবর্তীকালে এই পরিবার দক্ষিণ বাংলার অন্যতম প্রভাবশালী জমিদার পরিবার হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় সম্পন্ন করলেও, বাংলার বহু শক্তিশালী জমিদার মুঘলদের অধীনতা স্বীকার করেননি। তারা নিজেদের জমিদারিতে স্বাধীন শাসন বজায় রাখেন। পিরোজপুর অঞ্চলের জমিদার ফিরোজ উদ্দীন সরদার, সলিম উদ্দীন সরদার এবং তাঁদের বংশধররাও ছিলেন সেই স্বাধীন শক্তিধর জমিদার পরিবারের অংশ।

এই সর্দার পরিবারের ছিল সুসংগঠিত স্থলসৈন্য বাহিনী এবং শক্তিশালী নৌবাহিনী। নিজেদের জমিদারি রক্ষা ও স্বাধীনতা বজায় রাখতে তারা নিয়মিত মুঘল ফৌজের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেন। এ কারণে বাংলার ইতিহাসে তারা পরিচিত ছিলেন “বারো ভূঁইয়া” নামে—যারা ভূমি ও জলপথ উভয় ক্ষেত্রেই যুদ্ধকৌশলে দক্ষ ছিলেন। তারা বৃহত্তর “বারো ভূঁইয়া” ঐতিহ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত জমিদারগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। এখানে “বারো” বলতে নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায় না; বরং বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের বহু স্বাধীন জমিদারদের সমষ্টি বোঝায়।

দক্ষিণ বাংলার নদীবেষ্টিত অঞ্চলে এই সর্দার পরিবারের ছিল প্রশাসনিক কাঠামো, স্থানীয় বিচারব্যবস্থা, কৃষি তদারকি এবং জনগণের স্বার্থরক্ষার সুসংহত ব্যবস্থা। তাদের জমিদার বাড়ি—সি আই পাড়া সর্দার বাড়ি—আজও বহন করে সেই শতবর্ষী ইতিহাসের নিদর্শন। এ বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে আছে— ● স্বাধীন শাসনের স্মৃতি ● যুদ্ধ ও নৌ প্রতিরোধের ইতিহাস ● সামাজিক নেতৃত্ব ও দানশীলতার ঐতিহ্য ● পিরোজপুর অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব

ফিরোজ উদ্দীন সরদারের জীবনী ও রায়দুর্লভের আক্রমণ (১৭০০–১৭৫৩) 

ফিরোজ উদ্দীন সরদার উত্তরাধিকার সূত্রে পরিবারের জমিদারি গ্রহণ করেন এবং স্থানীয় প্রশাসন, নৌপথ ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার নেতৃত্বে পরিবারটি কেবল স্থলসৈন্য বাহিনীই নয়, বরং শক্তিশালী নৌবাহিনীও গড়ে তোলে। ফিরোজ উদ্দীন সরদার নিয়মিত মুঘল সেনাপতি ও বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেন। বাংলার ইতিহাসে এই পরিবার পরিচিত “বাটো ভূঁইয়া” হিসেবে। ফিরোজ উদ্দীন সরদারের শাহাদতের পরপরই, তার বংশীয় সহর ও জমিদারি দখলের চেষ্টা করে রায়দুর্লভ, যিনি ঘসেটি–ক্লাইভ চক্রের অন্যতম কুচক্রী ছিলেন। তিনি সর্দার পরিবারের উত্তর ও কিছু গ্রামাঞ্চলের অংশ দখলের চেষ্টা করেন। তবে মূল ফিরোজপুর সহর/শহর এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরবর্তীকালে ১৯০০ সালের C.S. রেকর্ড পর্যন্ত এবং বর্তমানে রায়দুর্লভের দখলের আওতায় যায়নি। এটি সর্দার পরিবারের স্থিতিশীলতা এবং তাদের শক্তিশালী প্রশাসন ও প্রতিরোধ ক্ষমতার প্রমাণ।

১৭৫৩ সালে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময়, পুরাতন ঢাকার নবাব মঞ্জিল প্রাঙ্গণে ঘসেটি-বেগম চক্রের বিশ্বাসঘাতকতামূলক হামলায় শাহাদত বরণ করেন ফিরোজ উদ্দীন সরদার। তাঁর নামেই অঞ্চলটির নাম রাখা হয় ফিরোজপুর, যা পরবর্তীতে অপভ্রংশ হয়ে পিরোজপুর নামে পরিচিতি লাভ করে। ফিরোজ উদ্দীন সরদার ছিলেন দক্ষিণ বাংলার সাহসী, স্বাধীনতার প্রতি নিবেদিত জমিদার ও নেতৃত্বের প্রতীক। রায়দুর্লভের আক্রমণ ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও তার নেতৃত্ব ও প্রতিরোধ ক্ষমতা অঞ্চলটিকে বীরত্ব ও স্থিতিশীলতার নিদর্শন হিসেবে রক্ষা করেছে। সি আই পাড়া সর্দার বাড়ি এবং পিরোজপুর অঞ্চল আজও সেই ইতিহাসকে বহন করে।

  • সি আই পাড়া সরদার বাড়ি পূর্বপুরুষের গোরস্থান

এই গোরস্থান পিরোজপুরের সবচেয়ে প্রাচীনতম গোরস্থান ৬৫০ বছরের পুরোনো এই গোরস্থানে যাঁদেরকে দাফন করা হয়েছে তাঁদের বংশানুক্রমিক এবং আনুমানিক কালানুক্রমিক তালিকা -- বারো-ভুইঞা-আমল হতে স্বাধীন-জমিদার সলিম উদ্দ্বীন সহরদার (১৭৪০) যিনি পরবর্তীতে যোগদান করেন নবাব আলীবর্দী খান এর সহরদার হিসেবে ( সহরদার = যথেষ্ট বড় এমন একজন জমিদার যার এলাকা যথেষ্ট বড় + সুসংগঠিত প্রশাসন সহকারে বিদ্যমান একটি সহর যার জমিদারীর প্রশাসনিক+বাণিজ্যক কর্মকান্ডের কেন্দ্রস্থল রুপে ক্রিয়াশীল রয়েছে । সহরদার/শহরদার পদবীটি অনেকটা "Earl"/"Count"/"Dutch" ইত্যাদি সামন্ত-পদবী এর সমমর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যসূচক পদবী ।) ফিরোজ উদ্দ্বীন সহরদার(১৭৫৩ সালে, নবাব সিরাজ-উদ্দৌলা কর্তৃক নবনিযুক্ত সুবাহ্দার-ই-বাংলা, আগা বাকের খান এর সাথে একইসাথে, পুরাতন ঢাকা এর নবাব-মঞ্জিল প্রাঙ্গনে, শাহাদত বরণ করেন, ঘসেটি-বেগম-চক্র এর বিশ্বাসঘাতকতামূলক হামলায় । তাঁর নামেই নামকরণ হয়েছিলো ফিরোজপুর এর, যার অপভ্রংশ নাম পিরোজপুর । তাঁর শাহাদৎ এর পরবর্তীতে, তাঁর বংশীয়-জমিদারী + সহর/শহর কুক্ষিগত করতে চেষ্টা করে, ঘসেটি-ক্লাইভ গং এর অন্যতম কুচক্রী, রায়দুর্লভ । সহর/শহর এর উত্তর-দিকের গ্রামাঞ্চল এর কিছু কিছু অংশ রায়দুর্লভ কুক্ষিগত করতে সক্ষম হয় । কিন্তু, মূল ফিরোজপুর সহর/শহর এবং তার দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলটি, ১৯০০ সালের পরবর্তীতে সম্পন্ন হওয়া C.S. record পর্যন্ত এবং এখনো পর্যন্ত রায়দুর্লভের-জমিদারী এর অংশে পরিনত করা যায়নি । ** তথ্যসূত্র- পিরোজপুর জেলা পরিষদ কর্তৃক ২০০৭-২০০৮ সালে প্রকাশিত প্রকাশনা + শ্রী সতীশ চন্দ্র রচিত "পিরোজপুর জেলার ইতিহাস"+ বিভিন্ন সময়কার ভূমি-জরীপ + জনশুমারী এবং বিভিন্ন সময়কার সরকারী+বেসরকারী দলিল-দস্তাবেজসমূহ ।) এলেম উদ্দ্বীন সরদার(১৭৮১), কুতুব উদ্দ্বীন সরদার(১৮১৫), কিতাব উদ্দ্বীন সরদার(১৮৫৩), নাজিম উদ্দ্বীন সরদার (১৮৭৮))+ তার ভাই নিজাম উদ্দ্বীন সরদার(১৮৮২), কোরবান আলী সরদার(১৯২২)ছিলেন পিরোজপুর+নামাজপুর মৌজার অত্র এলাকার C.S. record এর দ্বারা তাঁর নিজ মালিকানাধীন রুপে রেকর্ডভূক্ত হওয়া বড় ভূস্বামী, তদানীন্তন পিরোজপুর মৌজার উত্তর-দক্ষিণ-পূর্ব-পশ্চিম প্রান্তেও তাঁর ভূমিস্বত্ত্ব বিদ্যমান ছিলো, এরি চলমানতায় তাঁর ওয়ারিশদের নামে রেকর্ডভূক্ত হয় S.A. record এর পিরোজপুর মৌজার এস.এ. দাগ নং ৮৮৮ (মৌজার সর্ব-পূর্বের দাগ) + ১৫১৭ (মৌজার সর্ব-দক্ষিণের দাগ) + ৬৩৮+৬৩৯+৬৪০+৬৪১+৬৪২+৬৪৩+৬৪৪+৬৪৫ (মৌজার সর্ব-পশ্চিমের দাগ) । বি.এস. রেকর্ডেও তাঁর ওয়ারিশদের নামে রেকর্ডভূক্ত আছে সর্ব-দক্ষিণ ও সর্ব-পশ্চিম এর কিছু কিছু ভূমিস্বত্ত্ব ।) এই প্রাচীন-গোরস্থানে উপরোক্তদের পাশাপাশি, তাদের স্ত্রী এবং সমসাময়িক আত্মীয় বর্গ এমন অনেকজন মুসলিমকে দাফন করা হয়েছে ।

রাত্রিযাপন

[সম্পাদনা]

আবাসিক হোটেল

ক্র.নং নাম ও ঠিকানা তারকামান যোগাযোগ
হোটেল রজনী, ক্লাব রোড়, পিরোজপুর এক তারকা ০১৭১২৫৬২২৪১
হোটেল রিল্যাক্স, হাসপাতাল রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৮০৭
হোটেল ডালাস, থানা রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৮৫৫
হোটেল বলাকা, ব্রীজ রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৭১০
হোটেল অবকাশ, থানা রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৩৩৩
হোটেল বিলাস, ক্লাব রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৫৯৪
হোটেল রয়্যাল, কলেজ রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০১৭১২৯৪৪৩৩৫
হোটেল ছায়ানীড়, বাজার রোড, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬২৩৮১
হোটেল সিনথিয়া, কাপুড়িয়া পট্টি, পিরোজপুর এক তারকা ০৪৬১-৬৩২৬২
১০ হোটেল আল মদীনা, ইন্দেরহাট বন্দর, নেছারাবাদ এক তারকা ০১৭১২৫১৯০০৯

জরুরি নম্বরসমূহ

[সম্পাদনা]
  • ওসি, পিরোজপুর সদরঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৬;
  • ওসি, ভান্ডারিয়াঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৭;
  • ওসি, নেসারাবাদঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৮;
  • ওসি, কাউখালীঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৯;
  • ওসি, নাজিরপুরঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৪০;
  • ওসি, ইন্দুরকানিঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৪১;
  • ওসি, মঠবাড়ীয়াঃ মোবাইল: +৮৮০১৭১৩-৩৭৪ ৩৪২।