এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > বরিশাল বিভাগ > ভোলা জেলা > ভোলা

ভোলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ভোলা বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগ এর একটি উল্লেখযোগ্য শহর। বাংলাদেশের দ্বীপের রানী ভোলা। কুইন আইল্যান্ড অব বাংলা। এ ব্র্যান্ড নামে পরিচিত দ্বীপ জেলা ভোলা। ধান-ইলিশ-দই সমৃদ্ধ প্রকৃতির রানী ভোলা।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

ভোলা শহর ঢাকা থেকে নদী পথে দূরত্ব ১৯৫ কি.মি.। বাইরুটে বরিশাল হয়ে সড়কপথে দূরত্ব ২৪৭কি.মি. এবং লক্ষীপুর হয়ে দূরত্ব ২৪০ কি.মি.। লঞ্চযোগে (সরাসরি)৮/৯ ঘন্টা, বাসযোগে (ভায়া বরিশাল) ৭/৮ ঘন্টা এবং বাসযোগে (ভায়া লক্ষীপুর) ৬/৭ ঘন্টা সময় লাগে।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • চরকুকরীমুকরী- ভোলা জেলা শহর থেকে সড়ক পথে চরফ্যাশন উপজেলা সদরের দূরত্ব ৭৩ কিলোমিটার। চরফ্যাশন থানা সদর থেকে কচ্ছপিয়া পর্যন্ত ২৫ কিঃমিঃ সড়ক পথে ভ্রমণ করে, নদী পথে আরো ১০/১৫ কিলোমিটার ভ্রমণ করে পৌঁছানো যায় চরকুকরীমুকরীতে। ভোলা জেলা সদর থেকে নদী পথে এ দ্বীপে পৌঁছাতে বুড়াগৌরাঙ্গ, শাহাবাজপুর, তেতুলিয়া, মেঘনা এবং সাগর মোহনা অতিক্রম করতে হয়। আর চরফ্যাশনের মূল ভূ-খন্ড থেকে দ্বীপে পৌছতে কচ্ছপিয়া থেকে বুড়াগৌড়াঙ্গ এবং মেঘনা অতিক্রম করতে হয় ১০/১৫ কিঃ মিঃ। শীত মৌশুমে মেঘনা অত্রিক্রম করা সহজ হলেও বর্ষায় নদী থাকে উতলা, তরঙ্গবিক্ষুদ্ধ। তখন অতি জরুরী প্রয়োজন ছাড়া নৌকা ট্রলারে মেঘনা অতিক্রম করে কুকরী দ্বীপে পা রাখার দূঃস্বপ্নও কেউ দেখে না। প্রতিদিন দুপুর ১২.৩০টা এবং বিকাল ৪.০০ টায় কচ্ছপিয়া থেকে ট্রলার নির্ভর যাত্রীরা মেঘনা অতিক্রম করে এ দ্বীপে পৌছায়। এছাড়া দ্বীপের সাথে যোগাযোগের কোন ব্যবস্থা নেই। ভ্রমণবিলাসী পর্যটকরা এ দ্বীপে আসে স্পীড বোট অথবা ভাড়া করা যাত্রীবাহি লঞ্চ নিয়ে । কুকরী থেকে ঢালচরের দূরত্ব ১০ কিঃমিঃ। দুই দ্বীপের মধ্যে বহমান মেঘনা । কুকরী থেকে চরপাতিলার দূরত্ব ৮ কিঃ মিঃ । মধ্যে বহমান বুড়াগৌড়াঙ্গ নদী। কুকরী থেকে ঢালচর ও পাতিলার যোগাযোগ হলো ইঞ্জিন চালিত নৌকা। তবে, ঢালচর থেকে কালাইয়া কুকরী থেকে লালমোহন পর্যন্ত যাত্রীবাহি লঞ্চ যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে।
  • মনপুরা- ঢাকার সদরঘাট থেকে টিপু-৫ / পানামা নামে একটি লঞ্চ ছেড়ে যায় সন্ধে সাড়ে ৫ টার সময়। এটি মনপুরা হয়ে হাতিয়া যায়। মনপুরা পৌছাবে সকাল ৭ টার সময়।

কোন কারনে এটা ধরতে না পারলে সাড়ে ছয়টার সময় ছেড়ে যাওয়া ভোলার চরফ্যাশনগামী টিপু-৪/ফারহান লঞ্চে উঠে পড়বেন। এতে উঠে তজুমুদ্দিন এ নেমে পড়বেন ভোর ৪ টার দিকে। তারপর ট্রলারে/লঞ্চে ১ ঘন্টার পথ মনপুরা যাবেন। বোনাস হবে তজুমুদ্দিন দর্শন