এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > সিলেট বিভাগ > সিলেট জেলা > কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা, সিলেট > ভোলাগঞ্জ

ভোলাগঞ্জ

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ভোলাগঞ্জ বাংলাদেশের সিলেট জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার একটি দর্শনীয় স্থান। সিলেট শহর হতে ৩৩ কিলোমিটার দূরবর্তী ও ভারতের চেরাপুঞ্জি সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তর পাথর আহরণকারী স্থান এটি।

জানুন[সম্পাদনা]

ভারতের আসাম প্রদেশের রাজধানী শিলংয়ে একসময় লোকজন এ রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতেন। কালের পরিক্রমায় এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে রজ্জুপথ। নাম ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে। দেশের সর্ববৃহৎ ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির অবস্থানও এ এলাকায়। রোপওয়ে, পাথর কোয়ারি আর পাহাড়ি মনোলোভা দৃশ্য অবলোকনে প্রতিদিনই পর্যটকদের আনাগোনা চলে।

কিভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

প্রথমে যেতে হবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত সরাসরি কোন যানবাহন সেবা না থাকায় সিলেট থেকে টুকেরবাজার পর্যন্ত যাত্রীবাহি বাসে করে যেতে হবে। টুকের বাজার থেকে ভোলাগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে বেবিটেক্সি পরিসেবা। বিশেষ পাথর কোয়ারীতে যেতে হলে নদী তীরে অবস্থিত পোস্টের বিডিআরের অনুমতি নিতে হবে। ইঞ্জিন নৌকার ভাড়া ১৫০০- ২০০০/- পর্যন্ত।

কি দেখবেন[সম্পাদনা]

পাহাড়ী ঝর্ণাধারা থেকে সৃষ্ট ধলাই নদী ভারত থেকে ভোলাগঞ্জের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রতি বর্ষায় ধলাই নদীর গ্রোতে বাংলাদেশে প্রবেশ করে অসংখ্য পাথর। ভোলাগঞ্জ সীমান্তে হাঁটুপানির ধলাই নদীতে হাঁটতে হাঁটতে চোখে পড়বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য পাথর। দূরের পাহাড়গুলোর উপরে মেঘের ছড়াছড়ি, সাথে একটা-দুটো ঝর্ণা। নদীর টলমলে হাট জলের তলায় দেখা যায় বালুর গালিচা। চিকমিক বালু আর ছোট-বড় পাথর মিলে এখানে যেন তৈরি হয়েছে পাথরের রাজ্য।

  • ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে
  • পাথর আহরণের দৃশ্য
  • ভোলাগঞ্জ স্থল শুল্ক স্টেশন

কোথায় থাকবেন[সম্পাদনা]

জেলা পরিষদের একটি রেস্ট হাউস রয়েছে। থাকতে হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতি নিতে হয়। ভোলাগঞ্জ বা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় থাকার জন্য তেমন কোন ভাল ব্যবস্থা নেই। ভোলাগঞ্জ দর্শন শেষ করে সিলেটে এসে অবস্থান করুন।

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন