এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > বরিশাল বিভাগ > পিরোজপুর জেলা > মঠবাড়িয়া উপজেলা

মঠবাড়িয়া উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


মঠবাড়িয়া উপজেলা বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ৩৫৩.২৫ বর্গ কিমি আয়তনের এই উপজেলাটি ২২°০৯´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২২°২৪´ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৯°৫২´ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৯০°০৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত, যার উত্তরে পিরোজপুর সদরভান্ডারিয়া উপজেলা; দক্ষিণে পাথরঘাটা উপজেলা; পূর্বে বামনাকাঁঠালিয়া উপজেলা এবং পশ্চিমে শরণখোলামোড়েলগঞ্জ উপজেলা

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে মঠবাড়িয়ার দূরত্ব সড়ক পথে ২০০ কিলোমিটার ও জেলা শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার। পিরোজপুর জেলাটি একটি উপকূলী ও নদীবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানকার যেকোনো স্থানে আসার জন্য নৌপথ সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিবহণ ব্যবস্থা। তবে, সড়ক পথেও এখানে আসা সম্ভব; সেক্ষেত্রে ফেরী পারাপার হতে হবে। পিরোজপুরে রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়কপথে ঢাকা থেকে পিরোজপুর যাওয়ার পথে মাঝপথে বৃহত্তর পদ্মা নদীর অবস্থান হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে সরাসরি মঠবাড়িয়ার কোনো বাস যোগাযোগ নেই। ফেরি পারাপার সার্ভিসের পাশাপাশি লঞ্চ বা স্পিডবোটের মাধ্যমে নদী পারাপারের মাধ্যমে মঠবাড়িয়া যাওয়া যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ ও গাবতলী উভয় বাস টার্মিনাল থেকেই ঢাকা-মঠবাড়িয়া রুটের ফেরি পারাপার গাড়ি রয়েছে। সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে মঠবাড়িয়া যাতায়াত করে। আর গাবতলী থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো পাটুরিয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে মঠবাড়িয়া রুটে চলাচল করে। ঢাকা-বরিশাল জাতীয় মহাসড়ক পথে ঝালকাঠি হয়ে ভান্ডারিয়া উপজেলার পরে মঠবাড়ীয়া উপজেলা।

  • জেলা সদর থেকে বাস যোগে মঠবাড়ীয়া আসতে হয়।

জল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন একাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যায়। সড়কপথের তুলনায় নদীপথে লঞ্চে যাতায়াত আরামদায়ক। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ টা থেকে শুরু করে রাত ৮:৩০ টা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। পরদিন সকাল ৮:০০ টা থেকে ১০:০০ টার মধ্যে লঞ্চগুলো উপজেলায় গিয়ে পৌছায়। কচা নদী পথে মঠবাড়ীয়া উপজেলায় মালামাল পরিবহন করা যায়।

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. সোনাখালী জমিদারবাড়ী;
  2. সাপলেজা কুঠিবাড়ী;
  3. কচা নদী পাড়;
  4. মঠবাড়ীয়ার হরিমন্দির;
  5. কে.এম লতিফ ইনস্টিটিউশন (১৯২৮);
  6. নলী ভিম চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৯২৮)।

খাওয়া - দাওয়া[সম্পাদনা]

থাকা ও রাত্রী যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

মঠবাড়ীয়ায় থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু সাধারণ মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়াও সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকার জন্যে রয়েছে উন্নতমানের -

  • জেলা পরিষদ ডাকবাংলো - মঠবাড়ীয়া।

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

  • ওসি, মঠবাড়ীয়াঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ৩৪২।