এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > সিলেট বিভাগ > হবিগঞ্জ জেলা > বানিয়াচং উপজেলা > মাকালকান্দি স্মৃতিসৌধ

মাকালকান্দি স্মৃতিসৌধ

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


মাকালকান্দি স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার একটি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য। এটি মূলতঃ মাকালকান্দি গ্রামের গণহত্যার স্মৃতি স্মারক যা বানিয়াচং উপজেলা সদর হতে আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার উত্তরে কাগাপাশা নামক স্থানে অবস্থিত।

বৈশিষ্ঠ্য[সম্পাদনা]

বানিয়াচং উপজেলা সদর দপ্তর হতে ১৫ কিলোমিটার উত্তরে কাগাপাশা ইউনিয়নের হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম মাকালকান্দিতে ১৯৭১ সালের ১৮ আগস্ট সকালে চন্ডি মন্দিরে মনসা পূজার প্রস্তুতির সময় ৪০-৫০টি নৌকাযোগে পাকবাহিনী রাজাকারদের সহায়তায় এসে পূজারত নারী-পুরুষকে চন্ডি মন্দিরের সামনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করলে ১৪১ জন হিন্দুধর্মী বাঙালি শহীদ হয়। হত্যাকান্ডের পর পাক-হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকারেরা গ্রামজুড়ে নারকীয় তান্ডব চালায় - নারীদের সম্ভ্রমহানী, লুটতরাজ ও বাড়িঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ২০০৭ সালে গণহত্যা সংগঠনের এলাকায় একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হলেও পরবর্তী কালে সেস্থানে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শহীদ ব্যক্তিদের নামের তালিকাসহ একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়। বর্তমানে এখানে সরকারী ব্যবস্থাপনায় প্রতিবছর ১৮ আগষ্ট “মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস” পালন করা হয়।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

স্থল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকা থেকে বানিয়াচং এর দূরত্ব ১৮১ কিলোমিটার। হবিগঞ্জ অথবা শায়েস্তাগঞ্জে পৌঁছে সিএনজি অটোরিকশা অথবা বাসে চড়েও বানিয়াচং এ যাওয়া যায়। হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জ থেকে বানিয়াচং এর দূরত্ব যথাক্রমে ২৪.২ ও ৩৬.২ কিলোমিটার। রেলপথে ঢাকা হতে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশনের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার; এখানে রেল যোগাযোগ নেই বিধায়, প্রথমে শায়েস্তাগঞ্জ এসে তারপর বানিয়াচং আসতে হয়। স্মৃতিসৌধটি বাসিয়াচং উপজেলা পরিষদ থেকে আনুমানিক ১৫ কিলোমিটার উত্তরে কাগাপাশায়।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

ঢাকার সায়েদাবাদ বাস স্টেশন থেকে বানিয়চং, হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জ আসার সরাসরি দুরপাল্লার বাস সার্ভিস আছে; এগুলোতে সময় লাগে ৪ হতে ৫ ঘন্টা। ঢাকা থেকে সরাসরি হবিগঞ্জ আসার জন্য পরিবহণ কোম্পানিগুলো হচ্ছে - অগ্রদুত পরিবহণ (এসি ও নন-এসি), দিগন্ত পরিবহণ (এসি ও নন-এসি) এবং বিছমিল্লাহ পরিবহন (নন-এসি)।

  • ঢাকা-হবিগঞ্জ রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • এসি বাসে - ২৫০ টাকা এবং
    • নন-এসি বাসে - ২০০ টাকা।
  • সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণ হবিগঞ্জ হতে ছাড়ার সময় হলোঃ
    • অগ্রদুত পরিবহণ - ভোর ০৪টা ৪৫ মিনিট, ভোর ০৫টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৬টা, সকাল ০৭টা (এসি), সকাল ০৮টা, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ২টা এবং বিকাল ০৪টা (এসি)।
    • দিগন্ত পরিবহণ - ভোর ০৫টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ১৫ মিনিট, সকাল ০৮টা (এসি), সকাল ১১টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং বিকাল ০৩টা।
    • বিছমিল্লাহ পরিবহণ - ভোর ০৫টা ৪৫ মিনিট, সকাল ০৬টা ১৫ মিনিট, সকাল ৭টা ৩০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট এবং বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট।
  • সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণ ঢাকা হতে ছাড়ার সময় হলোঃ
    • অগ্রদুত পরিবহণ - সকাল ০৭টা ১০ মিনিট, সকাল ০৮টা ৩০ মিনিট (এসি), সকাল ০৯টা ৫০ মিনিট, সকাল ১১টা ১০ মিনিট, দুপুর ০১টা ১০ মিনিট, বিকাল ০৪টা ৩০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৬টা ৩০ মিনিট।
    • দিগন্ত পরিবহণ - সকাল ০৯টা ১০ মিনিট, সকাল ১১টা ৫০ মিনিট, দুপুর ০১টা ৫০ মিনিট, বিকাল ০৩টা ১০ মিনিট (এসি), বিকাল ০৫টা ৫০ মিনিট (এসি) এবং সন্ধ্যা ০৭টা ৪৫ মিনিট।
    • বিছমিল্লাহ পরিবহণ - সকাল ০৬টা ৩০ মিনিট, সকাল ৭টা ৫০ মিনিট, সকাল ১০টা ৩০ মিনিট, দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট, দুপুর ০২টা ৩০ মিনিট, বিকাল ০৫টা ১০ মিনিট এবং সন্ধ্যা ০৭টা ১০ মিনিট।

এছাড়াও সিলেট বিভাগের যেকোন স্থানের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা দুরপাল্লার বাসে শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে বাস, ম্যাক্সি, লেগুনা, সিএসজি অটোরিক্সা, জীপ প্রভৃতিতে করে বানিয়াচং আসা যায়। শায়েস্তাগঞ্জ হচ্ছে সড়কপথে সিলেট বিভাগের প্রবেশদ্বার ও অন্যতম প্রধান বাস স্টেশন এবং এখান দিয়েই মূল ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক বিস্তৃত বলে যেকোন বাসে করে এখানে এসে তারপর বানিয়াচং আসা সম্ভব। ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইউনিক, মামুন, সাউদিয়া, গ্রীনলাইন, মিতালী প্রভৃতি পরিবহণ কোম্পানীর বাস আছে প্রতি ১০ মিনিট পর পর।

  • ঢাকা-সিলেট রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহণে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • এসি বাসে - ১২০০ টাকা এবং
    • নন-এসি বাসে - ৩৭০ টাকা।

১০০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত বিভাগীয় শহর সিলেট হতে 'হবিগঞ্জ বিরতিহীন এক্সপ্রেস' বাসে ২ থেকে ২:৩০ ঘন্টায় বানিয়াচং আসা যায়। এপথে ভাড়া নেয়া হয় ১৫০ টাকা।

হবিগঞ্জ জেলা সদর থেকে বাস, ম্যাক্সি, জীপ, সিএনজি চালিত স্কুটারযোগে ৪৫ মিনিটে আসা যায়। বাস, ম্যাক্সি, জীপ, সিএনজি স্ট্যান্ড হবিগঞ্জ জেলার নদীর অপর পাড়ে অবস্থিত। সিএনজি ভাড়া লাগবে ৩০ টাকা।

রেলপথ[সম্পাদনা]

বানিয়াচং আসার জন্য সরাসরি রেল যোগাযোগ নেই; এখানে আসতে হয় নয়াপাড়া বা শায়েস্তাগঞ্জ হয়ে। তবে, সবচেয়ে নিকটবর্তী ও আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির স্থান হলো শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন।

ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন বা চট্টগ্রাম রেল স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনে সরাসরি শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে সড়ক পথে বানিয়াচং আসা যায়; কারণ শায়েস্তাগঞ্জ হচ্ছে রেলপথে সিলেট বিভাগে প্রবেশের অন্যতম প্রধান স্টেশন এবং এই শহরটির উপর দিয়েই মূল ঢাকা-সিলেট ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথটি বিস্তৃত। কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছাড়ে। ঢাকা – সিলেট এবং চট্টগ্রাম – সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো হলোঃ

  • ৭১০ পারাবত এক্সপ্রেস - সিলেট হতে দুপুর ০৩ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে (মঙ্গলবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে ভোর ০৬ টা ৩৫ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে দুপুর ০১ টা ৪৫ মিনিটে (মঙ্গলবার বন্ধ);
  • ৭১৮ জয়ন্তীকা এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৮ টা ৪০ মিনেটে ছাড়ে এবং ঢাকায় বিকাল ০৪ টায় পৌছে (বৃহস্পতিবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে দুপুর ১২ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে সন্ধ্যা ০৭ টা ৫০ মিনিটে (কোন বন্ধ নেই);
  • ৭২০ পাহাড়ীকা এক্সপ্রেস (শনিবার বন্ধ) সিলেট হতে সকাল ১০ টা ১৫ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে রাত ০৭ টা ৪৫ মিনিটে পৌছে;
  • ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস (রবিবার বন্ধ) সিলেট হতে রাত ০৭ টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং চট্টগ্রামে ভোর ০৫ টা ৫০ মিনিটে পৌছে;
  • ৭৪০ উপবন এক্সপ্রেস - সিলেট হতে রাত ১০ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় ভোর ০৫ টা ১০ মিনিটে পৌছে (কোন বন্ধ নেই) ও ঢাকা থেকে রাত ০৯ টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে ভোর ৫ টা ১০ মিনিটে (বুধবার বন্ধ);
  • ৭৭৪ কালনী এক্সপ্রেস - সিলেট হতে সকাল ০৭ টায় ছাড়ে এবং ঢাকায় দুপুর ০১ টা ২৫ মিনিটে পৌছে (শুক্রবার বন্ধ) ও ঢাকা থেকে বিকাল ০৪ টায় ছাড়ে এবং সিলেট পৌছে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে (শুক্রবার বন্ধ)।
  • ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচলকারী ট্রেনে শায়েস্তাগঞ্জ আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • ২য় শ্রেণির সাধারণ - ৫৫ টাকা;
    • ২য় শ্রেণির মেইল - ৭৫ টাকা;
    • কমিউটার - ৯০ টাকা;
    • সুলভ - ১১০ টাকা;
    • শোভন - ১৮০ টাকা;
    • শোভন চেয়ার - ২১৫ টাকা;
    • ১ম শ্রেণির চেয়ার - ২৮৫ টাকা;
    • ১ম শ্রেণির বাথ - ৪২৫ টাকা;
    • এসি সীট - ৪৮৯ টাকা এবং
    • এসি বাথ - ৭৩১ টাকা।

ট্রেন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন, ☎ ০২-৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১১৬৯১৬১২
  • বিমানবন্দর রেলওয়ে ষ্টেশন, ☎ ০২-৮৯২৪২৩৯
  • ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

এই শহরটিতে সরাসরি বিমানে চলাচলের কোনো ব্যবস্থা এখনো তৈরি হয় নি; তবে ঢাকা হতে সিলেটে আকাশ পথে বিমানে এসে সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি কিংবা রেলপথে শায়েস্তাগঞ্জ এসে সেখান থেকে বানিয়াচং আসা যায়। ঢাকা থেকে সিলেটে আসার জন্য বাংলাদেশ বিমান, জেট এয়ার, নোভো এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়আর - প্রভৃতি বিমান সংস্থার বিমান পরিষেবা রয়েছে।

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একটি করে ফ্লাইট সপ্তাহে ৪ দিন ঢাকা- সিলেট ও সিলেট-ঢাকা রুটে চলাচল করে; ভাড়া লাগবে একপথে ৩,০০০/- এবং রিটার্ণ টিকিট ৬,০০০/-। সময়সূচী হলোঃ

  • ঢাকা হতে সিলেট - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - সকাল ১১ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ১২ টায়।
  • সিলেট হতে ঢাকা - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ১২ টা ২০ মিনিট এবং দুপুর ০১ টায়।

এই সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কর্পোরেট অফিসঃ উত্তরা টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), ১ জসিম উদ্দিন এভিনিউ, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২-৮৯৩২৩৩৮, ৮৯৩১৭১২, ইমেইল: info@uabdl.com, ফ্যাক্স: ৮৯৫৫৯৫৯
  • ঢাকা এয়ারপোর্ট সেলস অফিসঃ ডমেস্টিক উইং কুর্মিটোলা, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা-১২৩০, ☎ ০২৮৯৫৭৬৪০, ৮৯৬৩১৯১, মোবাইল: ০১৭১৩-৪৮৬৬৬০
  • ওয়েবসাইট: www.uabdl.com

জল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকা বা সিলেট থেকে সরাসরি নৌপথে এখানে আসার কোনো ব্যবস্থা নেই। কাগাপাশা ইউনিয়নটি হাওড় এলাকায় বিধায় সেখানে যাবার জন্য বর্ষা মৌসুমে নৌকা ব্যবহার করতে হয় - উপজেলা সদরের আদর্শ বাজার হতে বর্ষাকালে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যেতে হবে; ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ১০ হতে ২৫ টাকা।

নিকটবর্তী দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

বানিয়াচংএ স্থানীয় পর্যায়ের বিশেষ কোনো বিখ্যাত খাদ্য নেই। তবে স্থানীয় আনারস, কমলা, পান, লেবু এবং কাঠালের বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে চা-পাতা। হাওড় এলাকায় প্রচুর মাছ পাওয়া যায় এবং খামার ভিত্তিক হাঁস পালন করা হয়। এখানে সাধারণভাবে দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার জন্য স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়। স্থানীয় পর্যায়ের উন্নতমানের ও নিরিবিলি পরিবেশের রেস্তোরা হিসাবে হবিগঞ্জ শহরে রয়েছেঃ

  • হোটেল জামিল;
  • হোটেল আলিফ;
  • হোটেল সোনার তরী।

থাকা ও রাত্রী যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

বানিয়াচং-এ থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনাধীনের আবাসন ব্যবস্থা। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ

  1. জেলা পরিষদ ডাক বাংলো - সরকারি ব্যবস্থাধীন।
  2. সিমলা রেস্ট হাইজ - বড় বাজার, বানিয়াচং।

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

পরিবহণ সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • অগ্রদূত পরিবহণ, ☎ ০৮৩১-৫২৩৫১; ০১৭১৮৬০০৫৫১; ০১৭১৬০৩৮৬৯১;
  • দিগন্ত পরিবহণ, ☎ ০৮৩১-৫২৮৭৩; ০১৭১১৩২৯৯৪৪; ০১৭১৮০১৬৯৬৩;
  • বিছমিল্লাহ পরিবহণ, ☎ ০৮৩১-৫২৩৭১; ০১৭১১৯০৮৬৮৪।
জননিরাপত্তা সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • ওসি হবিগঞ্জঃ ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮;
  • ওসি বানিয়াচংঃ ০১৭১৩৩৭৪৪০৪;
  • ওসি শায়েস্তাগঞ্জঃ ০১৭১৩৩৭৪৪০৬।

বিষয়শ্রেণী তৈরি করুন