এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > খুলনা বিভাগ > মেহেরপুর জেলা > মুজিবনগর উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


মুজিবনগর উপজেলা বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ১১২.৬৮ বর্গ কিমি আয়তনের এই উপজেলাটি ২৩°৩৬´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৩°৪৫´ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৮°৩৪´ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৮৮°৪৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত, যার উত্তরে মেহেরপুর সদর উপজেলা; পূর্বে দামুড়হুদামেহেরপুর সদর উপজেলা দক্ষিণ এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে উপজেলা সদরের দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার এবং জেলা সদর হতে ১৪ কিলোমিটার। এখানে সড়ক পথে আসাতে হয়। তবে, রেলপথ ও বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে সরাসরি আসা যায় না। এছাড়াও, অভ্যন্তরীণ নৌপথও ততটা উন্নত না-হওয়ায় সর্বত্র জলপথে আসা-যাওয়া করা যায় না।

আকাশপথ[সম্পাদনা]

এখানে কোন বিমানবন্দর না থাকায় সরাসরি আকাশপথে ভ্রমণ সম্ভব নয়। তবে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানে ঢাকা থেকে যশোর; অতঃপর সড়ক পথে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা হয়ে মেহেরপুর আসা যায়।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

রাজধানী শহরের সংগে সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে। আন্তঃজেলা বাস যোগাযোগব্যবস্থা আছে। গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গাংনী ভ্রমণের জন্য সরাসরি বাস পাওয়া যায়। নন এসি বাসের ভাড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং এসি বাসের ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। এখান থেকে চলাচলের জন্য রয়েছে জে আর পরিবহণ, শ্যামলী পরিবহণ, মেহেরপুর ডিলাক্স, এস এম পরিবহণ প্রভৃতি।

রেলপথ[সম্পাদনা]

মেহেরপুর জেলায় কোন রেলপথ নাই। সড়ক পথে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গা থেকে রেলপথে ঢাকা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ, সৈয়দপুর যাওয়া যায়।

নৌপথ[সম্পাদনা]

এখানে কোন আন্তঃজেলা নৌ যোগাযোগ নেই। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু নৌচলাচল রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  1. মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্স,
  2. ভবেরপাড়া মিশন,
  3. মনোরমা পার্ক ও চিড়িয়াখানা,
  4. বল্লভপুর শিব মন্দির,
  5. শেখ ফরিদের মাজার।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

মুজিবনগরে স্থানীয় পর্যায়ের বিশেষ কোনো বিখ্যাত খাদ্য নেই। তবে স্থানীয় আম, লেবু এবং পেয়ারার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। বিল এলাকায় প্রচুর মাছ পাওয়া যায় এবং খামার ভিত্তিক হাঁস পালন করা হয়। এখানে সাধারণভাবে দৈনন্দিন খাওয়া-দাওয়ার জন্য স্থানীয় হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়। স্থানীয় পর্যায়ের উন্নতমানের ও নিরিবিলি পরিবেশের রেস্তোরা হিসাবে মুজিবনগরে রয়েছেঃ

  • পর্যটন মোটেল, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মুজিবনগরপরিচালনাকারীঃ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

থাকা ও রাত্রী যাপন[সম্পাদনা]

মুজিবনগরে থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু সাধারণ মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়াও সরকারি ব্যবস্থাপনায় থাকার জন্যে রয়েছে উন্নতমানের -

সরকারি[সম্পাদনা]

  • সূর্যোদয়, জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মুজিবনগরপরিচালনায়ঃ জেলা পরিষদ, মেহেরপুর।
  • পিডব্লিউডি (গণপূর্ত) রেষ্ট হাইজ, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মুজিবনগর, +৮৮০১৭৪৬ ৬৭১ ৪০১পরিচালনাকারীঃ গণপূর্ত বিভাগ, মেহেরপুর।
  • পর্যটন মোটেল, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, মুজিবনগরপরিচালনাকারীঃ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

জননিরাপত্তা সম্পর্কিত যোগাযোগের জন্য
  • ওসি, মুজিবনগরঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ২৫১।