এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন
এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > খুলনা বিভাগ > মেহেরপুর জেলা

মেহেরপুর জেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

মেহেরপুর জেলা বাংলাদেশের একটি জেলা। এটি খুলনা বিভাগ এর অন্তর্গত। এটি বাংলাদেশের পশ্চিমাংশের সীমান্তবর্তী জেলা। উত্তরে কুষ্টিয়া জেলা ও পশ্চিমাবঙ্গ(ভারত), দক্ষিণে চুয়াডাঙ্গা ও পশ্চিমবঙ্গ (ভারত), পূর্বে চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলা, পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ (ভারত)।

জানুন[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ আমলে মেহেরপুর জেলা অবিভক্ত নদীয়া জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতে মেহেরপুর শহরের গোড়াপত্তন হয় এবং ১৯৬০ সালে একে পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯৮৪ সালে কুষ্টিয়া থেকে পৃথক করে মেহেরপুরকে স্বতন্ত্র জেলার মর্যাদা দেয়া হয়।

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

আকাশপথ[সম্পাদনা]

এখানে কোন বিমানবন্দর না থাকায় সরাসরি আকাশপথে ভ্রমণ সম্ভব নয়। তবে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমানে ঢাকা থেকে যশোর; অতঃপর সড়ক পথে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলা হয়ে মেহেরপুর আসা যায়।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

রাজধানী শহরের সংগে সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে। আন্তঃজেলা বাস যোগাযোগব্যবস্থা আছে। গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে মেহেরপুর জেলায় ভ্রমণের জন্য সরাসরি বাস পাওয়া যায়। নন এসি বাসের ভাড়া ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং এসি বাসের ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত।

এছাড়া রাজশাহী থেকে মেহেরপুর জেলার সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে। গোল্ডেন স্টার এবং আশার প্রদীপ পরিবহন নামের দুইটি বাস সার্ভিস চালু আছে। গোল্ডেন স্টার পরিবহন রাজশাহীর ভদ্রার মোড় থেকে সকাল সাড়ে সাতটায় এবং আশার প্রদীপ পরিবহন বিকাল সাড়ে পাচটায় বাস ছাড়ে। এছাড়া বিআরটিসির বাস সার্ভিস চালু আছে যা রুয়েট গেটের নিকট থেকে দুপুরে মেহেরপুরের উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে আসে। ভাড়া ৩৫০ টাকা।

বরিশাল থেকে আলসানি-বরিশাল ডিলাক্স নামের বাস সার্ভিস চালু আছে।

বাগেরহাট থেকে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ হয়ে মাছরাঙ্গা ট্রাভেলস নামের বাস সার্ভিস চালু আছে। বাগেরহাট থেকে বাসটি দুপুর ২ঃ৩০ এ মেহেরপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে।

খুলনা থেকে আর এ পরিবহন নামের একটি বাস সার্ভিস চালু আছে। ভাড়া ২২০ টাকা।

রেলপথ[সম্পাদনা]

মেহেরপুর জেলায় কোন রেলপথ নাই। সড়ক পথে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পর চুয়াডাঙ্গা থেকে রেলপথে ঢাকা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, চাপাইনবাবগঞ্জ, সৈয়দপুর যাওয়া যায়।

নৌপথ[সম্পাদনা]

এখানে কোন আন্তঃজেলা নৌ যোগাযোগ নেই।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

আমঝুপি নীলকুঠি
  • মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক আম্রকানন
  • মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স মেহেরপুর জেলা সদর থেকে সড়ক পথে আম্রকাননের দূরত্ব ১৮ কি: মি:। বাস, স্থানীয় যান টেম্পু/লছিমন/করিমন এর সাহায্যে ৩০ মি: সময়ে ঐতিহাসিক আম্রকাননে পৌছানো যায়। মেহেরপুর সদর হতে বাস ভাড়া ২৫-৩০ টাকা ।
  • পৌর ঈদগাহ
  • মেহেরপুর পৌর কবর স্থান মেহেরপুর জেলা সদরে এটি অবস্থিত। বাস টার্মিনাল হতে রিক্সা/ভানে পৌঁছানো যায়।
  • মেহেরপুর পৌর হল
  • মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলা সদরে এটি অবস্থিত। বাস টার্মিনাল হতে রিক্সা/ভানে পৌঁছানো যায়।
  • আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন
  • সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির মেহেরপুর জেলা সদরে এটি অবস্থিত। বাস টার্মিনাল হতে রিক্সা/ভানে পৌঁছানো যায়।
  • আমঝুপি নীলকুঠি মেহেরপুর জেলা সদর থেকে সড়ক পথে দূরত্ব ৭ কি: মি: । বাস, স্থানীয় যান টেম্পু/লছিমন/করিমন এর সাহায্যে ২৫ মি: সময়ে আমঝুপি নীলকুঠিতে পৌঁছানো যায়।
  • ভাটপাড়ার নীলকুঠি মেহেরপুর জেলা সদর থেকে সড়ক পথে দুরত্ব ১৭ কি: মি: । বাস, স্থানীয় যান টেম্পু/লছিমন/করিমন এর সাহায্যে ৪০মি: সময়ে ভাটপাড়া নীলকুঠিতে পৌঁছানো যায়।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

খাবারের ক্ষেত্রে বাস স্ট্যান্ডে অবস্থিত রনি রেস্তোরা, হোটেল বাজারে অবস্থিত ফুড রিপাবলিক, টিএন্ডটি বা হাসপাতাল রোডে অবস্থিত কুটুমবাড়ি, মহিলা কলেজ রোডে অবস্থিত লা ভোগ, ওভার ট্রাম্প সব চাইতে ভাল হবে।

রাত্রী যাপন[সম্পাদনা]

সরকারি[সম্পাদনা]

  • 1 জেলা পরিষদ ডাকবাংলো, কোর্ট মোড়, মেহেরপুর, +৮৮০৭৯১ ৬২৪৬৪পরিচালনায়ঃ জেলা পরিষদ, মেহেরপুর
  • 1 সাকিট হাউজ, +৮৮০১৭০৮ ৪১০০০৫পরিচালনায়ঃ জেলা প্রশাসক
  • পরিদর্শন বাংলো, মুজিবনগর, মুজিবনগর কমপ্লেক্স ও আম্রকানন সংলগ্ন, মুজিবনগর, মেহেরপুর।, +৮৮০১৫৫৩৫৩৯১৮৫
  • গেস্ট হাউজ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, মেহেরপুর সদর, মেহেরপুর, +৮৮০৭৯১ ৬২৯৩৩

বেসরকারি[সম্পাদনা]