উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন

রংপুর চিড়িয়াখানা বাংলাদেশের রংপুরে অবস্থিত একটি চিড়িয়াখানার। এটি দেশের উত্তরবঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বড় চিড়িয়াখানা। এটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীকালে ১৯৯২ সালে দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

বিশেষত্ব[সম্পাদনা]

এখানে রয়েছে শিশু পার্ক, রেস্তোরা, কৃত্রিম হ্রদ এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও বৃক্ষ। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী রয়েছে; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে সুন্দরবনের বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, গণ্ডার, জলহস্তী, হরিণ, বানর, চিতাবাঘ, ভালুক, কুমির, অজগর, কচ্ছপ প্রভৃতি। এছাড়াও রয়েছে ময়না, টিয়া, ময়ূর, কাকাতুয়া, কবুতর, বক সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

কোথায় থাকবেন[সম্পাদনা]

রংপুরে থাকার জন্য স্থানীয় পর্যায়ের কিছু সাধারণ মানের হোটেল রয়েছে। এছাড়াও থাকার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে উন্নতমানের কিছু হোটেলও রয়েছে -

  • পর্যটন মোটেল, আরকে রোড, রংপুর, ☎ ০৫২১-৬২১১১;
  • জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, পৌরবাজার, রংপুর;
  • হোটেল নর্থ ভিউ, সেন্ট্রাল রোড, রংপুর, ☎ ০৫২১-৫৫৪০৫, ৫৫৪০৬;
  • দি পার্ক হোটেল ☎ ০৫২১-৬৫৯২০;
  • হোটেল গোল্ডেন টাওয়ার, জাহাজ কোম্পনী মোড়, রংপুর, ☎ ০৫২১-৬৫৯২০;
  • হোটেল তিলোত্তমা, ☎ ০৫২১-৬৩৪৮২, মোবাইল - ০১৭১৮-৯৩৮ ৪২৪;
  • হোটেল কাশপিয়া, ☎ ০৫২১-৬১১১১, মোবাইল - ০১৯৭৭-২২৭৭৪২।

কী খাবেন[সম্পাদনা]

কিভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে রংপুর এসে রিক্সা, অটোরিক্সা, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস সহযোগে যাওয়া যায়। রংপুর যেভাবে আসবেন-

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়ক পথে ঢাকা হতে রংপুরের দূরত্ব ৩০৪ কিলোমিটার এবং রেলপথে ঢাকা হতে রংপুর রেল স্টেশনের দূরত্ব ৫২৯ কিলোমিটার।

সড়কপথ[সম্পাদনা]

ঢাকার গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, শ্যামলী, কল্যানপুর, কলাবাগান, ফকিরাপুল - প্রভৃতি বাস স্টেশন থেকে রংপুর আসার সরাসরি দুরপাল্লার এসি ও নন-এসি বাস সার্ভিস আছে; এগুলোতে সময় লাগে ৫.৩০ হতে ৮ ঘণ্টা। ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে এনা, হানিফ, শ্যামলী, নাবিল, এসআর, আগমনী, ডিপজল প্রভৃতি পরিবহন কোম্পানীর বাস আছে প্রতি ১০ মিনিট পর পর।

  • এনা ট্রান্সপোর্ট (প্রাঃ) লিঃ মোবাইল ০১৭৬০-৭৩৭ ৬৫০ (মহাখালী), ০১৮৭২-৬০৪ ৪৯৮ (এয়ারপোর্ট), ০১৭৬০-৭৩৭ ৬৫১ (উত্তরা), ০১৭৬০-৭৩৭ ৬৫৩ (টঙ্গী), ০১৮৭২-৬০৪ ৪৭৫ (ফকিরাপুল), ০১৮৬৯-৮০২ ৭৩১ (মিরপুর);
  • হানিফ এন্টারপ্রাইজঃ মোবাইল ০১৭১৩-৪০২৬৬১ (কল্যাণপুর), ০১৭১৩-৪০২৬৭১, ০১৭১৩-৪০২৬৩১ (আরামবাগ);
  • শ্যামলী পরিবহনঃ ☎ ০২-৯০০৩৩১, ৮০৩৪২৭৫ (কল্যাণপুর)।
  • ঢাকা-রংপুর রুটে সরাসরি চলাচলকারী পরিবহনে আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলোঃ
    • এসি বাসে - ৮০০/- (রেগুলার) ও ১২০০/- (এক্সিকিউটিভ) এবং
    • নন-এসি বাসে - ৩০০/- হতে ৫৫০/-।

রেলপথ[সম্পাদনা]

ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা ট্রেনে সরাসরি এখানে আসা যায়। কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে প্রতিদিন একাধিক ট্রেন রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঢাকা – রংপুর রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো হলোঃ

  • ৭৭১ রংপুর এক্সপ্রেস (রবিবার বন্ধ) - রংপুর হতে রাত ০৮ টায় ছাড়ে ও ঢাকায় ভোর ৬টা ১৫ মিনিটে পৌছে এবং ঢাকা থেকে সকাল ০৯ টায় ছাড়ে ও রংপুরে সন্ধ্যা ৭টায় পৌছে;
  • লালমনি এক্সপ্রেস - ঢাকা থেকে রাত ১০ টা ১০ মিনিটে ছাড়ে;
  • নীলসাগর এক্সপ্রেস - ঢাকা থেকে সকাল ০৮ টায় ছাড়ে;
  • একতা এক্সপ্রেস - ঢাকা থেকে সকাল ০৯ টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে;
  • দ্রুতযান এক্সপ্রেস - ঢাকা থেকে বিকাল ০৫ টা ৪০ মিনিটে ছাড়ে।

ঢাকা-রংপুর রুটে চলাচলকারী রেলে ঢাকা হতে রংপুর আসার ক্ষেত্রে ভাড়া হলো -

  • শোভন - ৪২০ টাকা;
  • শোভন চেয়ার - ৫০৫ টাকা;
  • ১ম শ্রেণির চেয়ার - ৬৭৫ টাকা;
  • ১ম শ্রেণির বাথ - ১,০১০ টাকা;
  • স্নিগ্ধা - ৮৪০ টাকা;
  • এসি সীট - ১,০১০ টাকা এবং
  • এসি বাথ - ১,৫১০ টাকা।

ট্রেন সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

  • কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ☎ ০২-৯৩৫৮৬৩৪,৮৩১৫৮৫৭, ৯৩৩১৮২২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১১৬৯১৬১২;
  • বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, ☎ ০২-৮৯২৪২৩৯;
  • ওয়েবসাইট: www.railway.gov.bd।

আকাশ পথে[সম্পাদনা]

রংপুরে সরাসরি বিমানে আসা যায়; ঢাকা থেকে রংপুরের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে। বাংলাদেশ বিমান, জেট এয়ার, নোভো এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, ইউনাইটেড এয়ার - প্রভৃতি বিমান সংস্থার বিমান পরিষেবা রয়েছে ঢাকা থেকে রংপুর আসার জন্য।

বাংলাদেশ বিমানের একটি করে ফ্লাইট সপ্তাহে ৪ দিন ঢাকা-সৈয়দপুর ও সৈয়দপুর-ঢাকা রুটে চলাচল করে; ভাড়া লাগবে একপথে ৩,০০০/- এবং রিটার্ণ টিকিট ৬,০০০/-। সময়সূচী হলোঃ

  • ঢাকা হতে সৈয়দপুর - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ০২ টা ২০ মিনিট।
  • সৈয়দপুর হতে ঢাকা - শনি, রবি, মঙ্গল, বৃহস্পতি - দুপুর ০৩ টা ৩৫ মিনিট।

এই সম্পর্কিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ

    • ম্যানেজার, সৈয়দপুর বিমান বন্দর, মোবাইল - ০১৫৫৬-৩৮৩ ৩৪৯।

জল পথে[সম্পাদনা]

অপ্রচলিত মাধ্যম হিসাবে নৌপথ ব্যবহৃত হয়ে থাকে; তবে কেবলমাত্র স্থানীয় পর্যায় ছাড়া অন্য কোনো এলাকার সাথে, কিংবা ঢাকা থেকে বা অন্যান্য বড় শহর হতে সরাসরি কোনো নৌযান চলাচল করে না। তবে, চরাঞ্চলে যোগাযোগের একমাত্র বাহন নৌযান।