এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > চট্টগ্রাম বিভাগ > রাঙ্গামাটি জেলা > রাজস্থলী উপজেলা

রাজস্থলী উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

রাজস্থলী বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।

জানুন[সম্পাদনা]

রাঙ্গামাটি জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে ২২°১৭´ থেকে ২২°২৬´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২°০৬´ থেকে ৯২°২২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে অবস্থিত রাজস্থলী উপজেলার আয়তন ১৪৫.০৪ বর্গ কিলোমিটার। ১৯০৯ সালে রাজস্থলী থানা গঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে থানাকে উপজেলায় রূপান্তর করা হয়। এ উপজেলায় বর্তমানে ৩টি ইউনিয়ন রয়েছে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

রাজস্থলী উপজেলার নামকরণ নিয়ে তেমন জটিল কোন ইতিহাস নাই, তবে এলাকার গুণীজনের ভাষ্যমতে রাখাইন প্রদেশের রাজা, বর্মী বারান্ডং সেনাপতির কাছে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশে আসার পর এই বুধুঝিই (রাজস্থলীর পূর্ব নাম) এসেছিলেন তার নিজ রাজ্য গড়তে। তাঁর নিজের প্রথা অনুযায়ী রাজ্য গড়ার আগে কলাগাছ রোপন করে দেখা হয়। যত বেশী কলার কান্ধি তত রাজার রাজ্যভিষেক হবে ঐ রাজ্যে। এই নিয়ম মেনে কলা গাছটি রাজস্থলী উপজেলার ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের খাগড়াছড়ি পাড়ায় রোপন করা হয়। কিন্তু কলার ছড়ায় কান্ধি কম হওয়ায় তিনি এই স্থান ত্যাগ করে বান্দরবান উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। যাবার বেলায় ঐ কলা গাছে রাজার ছোট থলে রয়ে যায়। তখন থেকে রাজারথলে নামকরণ হয় এবং পরে তা রাজারথলে থেকে রাজারথলি ও বর্তমান রাজস্থলী নামকরণ করা হয়।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী রাজস্থলী উপজেলার জনসংখ্যা ২২,৬১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২,১৪২ জন এবং মহিলা ১০,৪৬৯ জন। মোট জনসংখ্যার ২২.৭৮% মুসলিম, ৭.১৮% হিন্দু, ৬২.৪১% বৌদ্ধ এবং ৭.৬৩% খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী রয়েছে। এ উপজেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, চাক, খুমি, লুসাই, পাংখোয়া প্রভৃতি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

কিভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

ঢাকা, চট্টগ্রাম বা রাঙ্গামাটি থেকে রাজস্থলী যাওয়ার জন্য প্রথমে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান যেতে হবে। সেখান থেকে বাস অথবা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে রাজস্থলী যাওয়া যায়।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

রাজস্থলী উপজেলার মানচিত্র
  • রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু (রাজস্থলী বাস স্ট্যান্ডে নেমে যেকোন রিক্সাকে ঝুলন্ত সেতু বললে পৌঁছে দিবে অথবা পায়ে হেঁটেও যাওয়া যায়।)। এটি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম ঝুলন্ত সেতু।

থাকার ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

রাজস্থলীতে রাত্রিযাপনের জন্য জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস ছাড়াও রাজস্থলী বাসস্ট্যান্ড ও বাঙ্গালহালিয়া বাজারে কয়েকটি বোডিং রয়েছে।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

রাজস্থলী বাসস্ট্যান্ড অথবা বাঙ্গালহালিয়া বাজারে স্বল্প পরিসরে খাওয়ার মত হোটেল রয়েছে।