এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > চট্টগ্রাম বিভাগ > রাঙ্গামাটি জেলা > শুভলং ঝর্ণা

শুভলং ঝর্ণা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শুভলং ঝর্ণা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলায় অবস্থিত। রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং ঝর্ণার দুরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। শুকনো মৌসুমে শুভলং ঝর্নায় খুব সামান্য পানি থাকে। বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে কাপ্তাইয়ের জলে গিয়ে মেশে। শুভলং ঝর্ণায় বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কিছু স্থাপনা নির্মাণ করেছে এবং ঝর্ণায় প্রবেশ করতে দর্শনার্থীদের টিকেট কাটতে হয়।

কিভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

শুভলং ঝর্ণা যাওয়ার জন্য প্রথমে রাঙামাটি যেতে হবে।

ঢাকা থেকে রাঙামাটি

ঢাকার ফকিরাপুল মোড় ও সায়দাবাদে রাঙামাটিগামী অসংখ্য বাস কাউন্টার রয়েছে। বাসগুলো সাধারণত সকাল ৮ টা থেকে ৯ টা এবং রাত ৮ টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১১ টার মধ্যে রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ে। ঢাকা-রাঙামাটি পথে শ্যামলী পরিবহনের এসি বাসের প্রতি সীট ভাড়া ৯০০ টাকা, বিআরটিসি এসি বাসের ভাড়া ৭০০ টাকা। নন-এসি বাসের সিট ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটি

চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে বিভিন্ন পরিবহণের স্থানীয় ও সরাসরি বাস পাওয়া যায়। ভাড়া তুলনামূলক বেশি হলেও গেইটলক বা ডাইরেক্ট বাসে উঠলে সময় কম লাগে। চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সরাসরি বাস ১৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। বাসগুলো শহরের রিজার্ভ বাজার নামক স্থান পর্যন্ত যায়।

রাঙামাটি শহর থেকে শুভলং ঝর্ণা[সম্পাদনা]

শহর থেকে শুভলং ঝর্ণায় যেতে হলে নৌ পথে যেতে হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রিজার্ভ করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। শুভলং ঝর্ণা রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার মধ্যে পড়েছে। রাঙামাটি রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে অথবা পর্যটন এলাকা থেকে ট্রলার রিজার্ভ করা যায়। এগুলোর ভাড়া আকার অনুযায়ী বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। মূল শহর থেকে শুভলং যেতে সময় লাগবে দেড় ঘণ্টার মত। শুভলং যেতে হয় কাপ্তাই হ্রদের উপর দিয়ে।

থাকা[সম্পাদনা]

রাঙামাটি শহরে বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। রাঙামাটি শহরের পুরাতন বাস স্ট্যন্ড ও রিজার্ভ বাজার এলাকায় হ্রদের কাছাকাছি হোটেলে উঠলে হোটেল থেকে কাপ্তাই হ্রদের পরিবেশ ও শান্ত বাতাস উপভোগ করা যাবে। এছাড়া কম খরচে থাকতে বোডিং এ থাকা যাবে। বোডিংগুলোতে খরচ কম হলেও এগুলোর পরিবেশ খুব একটা ভাল নয়। রাঙামাটি শহরের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হোটেল:

  • হোটেল গ্রিন ক্যাসেল : রিজার্ভ বাজারে অবস্থিত এ হোটেলে নন-এসি এক বিছানা, দুই বিছানা ও তিন বিছানার রুমের ভাড়া যথাক্রমে ৮০০, ১০০০ ও ১২০০ টাকা। এসি দম্পতিদের বিছানা রুম ভাড়া ১৬০০ টাকা ও এসি তিন বিছানার রুম ভাড়া ২০০০ টাকা। যোগাযোগ: 01726-511532 , 01815-459146
  • পর্যটন মোটেল : রাঙ্গামাটি ঝুলন্ত ব্রিজের পাশে অবস্থিত এ হোটেলটিতে নন-এসি দুই বিছানার রুম ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা। আর এসি দুই বিছানার ভাড়া ১৫০০-১৮০০ টাকা। যোগাযোগঃ ০৩৫১-৬৩১২৬
  • রংধনু গেস্ট হাউজ : এই গেস্ট হাউজে পারিবারের বিছানা বা দম্পতিদের বিছানা ভাড়া নিতে খরচ পড়বে যথাক্রমে ৬৫০ ও ৫০০ টাকা। যোগাযোগ: 01816-712622 , 01712-392430
  • হোটেল সুফিয়া : ফিসারী ঘাট, কাঁঠালতলী। যোগাযোগ: 01553-409149
  • হোটেল আল-মোবা : নতুন বাস স্টেশন, রিজার্ভ বাজার। যোগাযোগ: 01811-911158

খাওয়া[সম্পাদনা]

রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন মানের খাবার রেস্টুরেন্ট রয়েছে। রেস্টুরেন্টে স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী বাঙালী, পাহাড়ি সব খাবার পাওয়া যায়। ভিন্ন স্বাদের এইসব খাবারের স্বাদ নিতে পর্যটকগণ আগ্রহী থাকেন।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]