এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > চট্টগ্রাম বিভাগ > চট্টগ্রাম জেলা > সাতকানিয়া উপজেলা

সাতকানিয়া উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সাতকানিয়া বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।

জানুন[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম জেলা সদর থেকে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার দক্ষিণে ২২°০১´ থেকে ২২°১৩´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৭´ থেকে ৯২°১০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ জুড়ে অবস্থিত সাতকানিয়া উপজেলার আয়তন ২৮২.৪০ বর্গ কিলোমিটার। ১৯১৭ সালে সাতকানিয়া থানা গঠিত হয় এবং ১৯৮৩ সালে সাতকানিয়া থানাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করা হয়। সাতকানিয়া উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১৭টি ইউনিয়ন রয়েছে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ শাসনামলে প্রশাসনিক ও বিচার কাজের স্বার্থে এই এলাকায় আদালত ভবন স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে বর্তমানে অবস্থিত আদালত ভবনের নামে ৭ কানি ভূমি (২৮০ শতক) জনৈক পেঠান নামক এক জমিদার সরকারের অনুকূলে হস্তান্তর/দান করায় তখন হতে এ উপজেলার নামকরণ সাতকানিয়া হয় মর্মে জনশ্রুতি আছে। উল্লেখ্য ঐ সময় হতে বাঁশখালী, লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলা নিয়ে সাতকানিয়া সার্কেল নামে পরিচিত ছিল। সার্কেলকে আপগ্রেড করে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে পৃথক পৃথক উপজেলা সৃজনের মাধ্যমে আজকের সাতকানিয়া একটি স্বতন্ত্র উপজেলায় পরিগণিত হয় ১৯৮৩ সালে।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সাতকানিয়া উপজেলার জনসংখ্যা ৩,৮৪,৮০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৯০,৯৪১ জন এবং মহিলা ১,৯৩,৮৬৫ জন। এ উপজেলার ৮৯% মুসলিম, ১০% হিন্দু এবং ১% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। এ উপজেলায় মগ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

কিভাবে যাবেন[সম্পাদনা]

সড়কপথে[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম শহরের বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক হয়ে যে কোন বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে সাতকানিয়া উপজেলায় যাওয়া যায়।

রেলপথে[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম নগরীর বটতলী অথবা ষোলশহর রেলস্টেশন থেকে দোহাজারীগামী রেলযোগে দোহাজারী পর্যন্ত গিয়ে সেখান থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে সাতকানিয়া যেতে পারেন।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  • বায়তুল ইজ্জত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের কেরানীহাট থেকে বাস বা সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে বায়তুল ইজ্জত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টারে আসা যায়।
  • দারোগা মসজিদ ও ঠাকুর দীঘি কেরানীহাট থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে সড়ক সংলগ্ন পশ্চিম পাশে অবস্থিত। বাস, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বা রিক্সাযোগে যাওয়া যায়।
  • মির্জাখীল দরবার শরীফ কেরানীহাট হতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে সাতকানিয়া ডলুব্রীজ, তারপর আবার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে যাওয়া যায়।
  • মাজের মসজিদ কেরানীহাট হতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে সাতকানিয়া মোটরস্টেশন, তারপর রিক্সা যোগে বা পায়ে হেঁটে যাওয়া যায়।
  • মক্কার বলি খেলার মাঠ কেরানীহাট হতে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে সাতকানিয়া ডলুব্রীজ, তারপর আবার সিএনজি চালিত অটোরিক্সা যোগে দেওদীঘি হয়ে মাদার্শা ইউনিয়নের মক্কার বলি খেলার মাঠে যাওয়া যায়।
  • কাজীর জামে মসজিদ সাতকানিয়া উপজেলা থেকে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা বা বাস যোগে ১৫-২৫ টাকা ভাড়ায় ফুলতলা স্টেশন তথা কাজীর জামে মসজিদ গেইট।
  • ছদাহা মৌলভী পাড়া জামে মসজিদ এবং মৌলানা আবুল খায়ের শাহ (রহ.) দরগাহ সাতকানিয়া কেরানীহাট থেকে সিএনজি অটোরিক্সা নিয়ে ১০০ টাকায় সহজে যাওয়া যায়।

এছাড়াও এ উপজেলার অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • হলুদিয়া প্রান্তিক লেক
  • আলিশা ডেসটিনি প্রজেক্ট
  • কেঁওচিয়া বন গবেষণা প্রকল্প
  • চরতী বেলগাঁও চা বাগান
  • দরবারে আলিয়া গারাংগিয়া
  • সাঙ্গু নদীর পাড় ও বৈতরণী-শীলঘাটার পাহাড়ী এলাকা
  • আমিলাইশ বিল ও চরাঞ্চল
  • মাহালিয়া জলাশয়
  • সত্যপীরের দরগাহ
  • ন্যাচারাল পার্ক
  • ডলু খাল
  • আনিস বাড়ী জামে মসজিদ
  • তালতল নলুয়া রোড
  • সোনাকানিয়া মঞ্জিলের দরগাহ

কোথায় থাকবেন[সম্পাদনা]

সাতকানিয়া পৌরসভা এলাকার যে কোন হোটেলে সুলভ মূল্যে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে।

খাওয়া দাওয়া[সম্পাদনা]

সাতকানিয়া পৌরসভা এলাকার যে কোন রেস্টুরেন্টে সুলভ মূল্যে খেতে পারেন।