এই নিবন্ধের জন্য GPX ফাইল ডাউনলোড করুন

এশিয়া > দক্ষিণ এশিয়া > বাংলাদেশ > বরিশাল বিভাগ > পিরোজপুর জেলা > নেছারাবাদ উপজেলা

নেছারাবাদ উপজেলা

উইকিভ্রমণ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন


নেছারাবাদ উপজেলা বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা। ১৯৯.১৫ বর্গ কিমি আয়তনের এই উপজেলাটি ২২°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২২°৪৯´ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৯০°০০´ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে ৯০°১২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত, যার উত্তরে বানারীপাড়া উপজেলা; দক্ষিণে ঝালকাঠি সদর উপজেলা, কাউখালীপিরোজপুর সদর উপজেলা; পূর্বে ঝালকাঠি সদর উপজেলা এবং পশ্চিমে নাজিরপুরপিরোজপুর সদর উপজেলা। এই উপজেলার পূর্ব নাম স্বরূপকাঠি উপজেলা

কিভাবে যাবেন?[সম্পাদনা]

রাজধানী ঢাকা থেকে নেছারাবাদের দূরত্ব সড়ক পথে ১৯০ কিলোমিটার ও জেলা শহর বরিশাল থেকে ৫০ কিলোমিটার। এই জেলাটি একটি উপকূলী ও নদীবহুল অঞ্চল হওয়ায় এখানকার যেকোনো স্থানে আসার জন্য নৌপথ সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিবহণ ব্যবস্থা। তবে, সড়ক পথেও এখানে আসা সম্ভব; সেক্ষেত্রে ফেরী পারাপার হতে হবে। পিরোজপুরে রেল যোগাযোগ বা বিমান বন্দর নেই বলে এই দুটি মাধ্যমে এখানকার কোনো স্থানে আসা যায় না।

স্থল পথে[সম্পাদনা]

সড়কপথে ঢাকা থেকে পিরোজপুর যাওয়ার পথে মাঝপথে বৃহত্তর পদ্মা নদীর অবস্থান হওয়ার কারণে ঢাকা থেকে সরাসরি নেছারাবাদের কোনো বাস যোগাযোগ নেই। ফেরি পারাপার সার্ভিসের পাশাপাশি লঞ্চ বা স্পিডবোটের মাধ্যমে নদী পারাপারের মাধ্যমে নেছারাবাদ যাওয়া যায়।

ঢাকার সায়েদাবাদ ও গাবতলী উভয় বাস টার্মিনাল থেকেই ঢাকা-নেছারাবাদ রুটের ফেরি পারাপার গাড়ি রয়েছে। সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো মাওয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে নেছারাবাদ যাতায়াত করে। আর গাবতলী থেকে ছেড়ে যাওয়া বাসগুলো পাটুরিয়া সংলগ্ন পদ্মা নদী পার হয়ে নেছারাবাদ রুটে চলাচল করে।

  • জেলা সদর থেকে বাস যোগে কাউখালী উপজেলা হয়ে সড়ক পথে আসতে হয়।

জল পথে[সম্পাদনা]

ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন একাধিক যাত্রীবাহী লঞ্চ ছেড়ে যায়। সড়কপথের তুলনায় নদীপথে লঞ্চে যাতায়াত আরামদায়ক। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬:০০ টা থেকে শুরু করে রাত ৮:৩০ টা পর্যন্ত লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়। পরদিন সকাল ৮:০০ টা থেকে ১০:০০ টার মধ্যে লঞ্চগুলো উপজেলায় গিয়ে পৌছায়।

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

  1. বরছাকাঠি গায়েবী মসজিদ
  2. বরছাকাঠি তিন গম্বুজ মসজিদ
  3. অলঙ্কারকাঠি সরকার বাড়ির পঞ্চরত্ন মঠ;
  4. আটঘর কুড়িয়ানার চক্রবর্তী বাড়ির মন্দির;
  5. কৌড়িখারা রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ
  6. রাগবাড়ি রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ (আঠারো শতক)
  7. কুড়িয়ানা অনুকুল ঠাকুরের আশ্রম
  8. সারেংকাঠী পিকনিক স্পট
  9. আটঘর আমড়া বাগান
  10. ছারছিনা মাদ্রাসা
  11. কুড়িয়ানা পেয়ারা বাগান ও বাজার

খাওয়া - দাওয়া[সম্পাদনা]

থাকা ও রাত্রী যাপনের স্থান[সম্পাদনা]

জরুরী নম্বরসমূহ[সম্পাদনা]

  • ওসি, নেসারাবাদঃ মোবাইলঃ ০১৭১৩-৩৭৪ ৩৩৮।